কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘এই গ্রামের কত ছেলে আছে যারা পরীক্ষা দিয়ে রিটেনে পাস করছে কিন্তু ভাইভায় এলাউ হতে পারে নাই, চাকরি পায়নি। রিটেনে পাস করার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাডমিট কার্ড আমার কাছে নিয়ে যাইবা। আমি যেখানে ফোন করার সেখানে ফোন কইরা দেব।’
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইটনা উপজেলার মৃগা ইউনিয়নের আমিরগঞ্জ-জনতাগঞ্জ বাজারে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফজলুর রহমান বলেন, ‘যখনই রিটেনে পাস করবে, আমি ওই ছেলেটার জন্য যেখানে গেলে চাকরিটা পাবে সেটা বলে দেব।’
বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমার নির্দিষ্ট কিছু কাজ আছে, এইগুলো মানবতার কাজ। কিছু মানুষ আছে খুব অসহায়। নিজে অসুস্থ, বউ ছেলে সন্তান অসুস্থ, এইগুলো আমাকে জানাবেন। তাকে আমি ঢাকায় নিয়ে যাব এবং একদম কম পয়সায় চিকিৎসা করা যায় এমন ব্যবস্থা করব। কিন্তু কেউ যদি নেতাকে টাকা দিয়ে আমার কাছে সুপারিশ নিয়ে যায়, আর এটা প্রমাণিত হয়, তাহলে আমি আপনাদের কাজ করব না।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, ইটনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপন, সিনিয়র সহসভাপতি ও চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন, সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী এনামুল হক মোল্লাসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘এই গ্রামের কত ছেলে আছে যারা পরীক্ষা দিয়ে রিটেনে পাস করছে কিন্তু ভাইভায় এলাউ হতে পারে নাই, চাকরি পায়নি। রিটেনে পাস করার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাডমিট কার্ড আমার কাছে নিয়ে যাইবা। আমি যেখানে ফোন করার সেখানে ফোন কইরা দেব।’
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইটনা উপজেলার মৃগা ইউনিয়নের আমিরগঞ্জ-জনতাগঞ্জ বাজারে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফজলুর রহমান বলেন, ‘যখনই রিটেনে পাস করবে, আমি ওই ছেলেটার জন্য যেখানে গেলে চাকরিটা পাবে সেটা বলে দেব।’
বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমার নির্দিষ্ট কিছু কাজ আছে, এইগুলো মানবতার কাজ। কিছু মানুষ আছে খুব অসহায়। নিজে অসুস্থ, বউ ছেলে সন্তান অসুস্থ, এইগুলো আমাকে জানাবেন। তাকে আমি ঢাকায় নিয়ে যাব এবং একদম কম পয়সায় চিকিৎসা করা যায় এমন ব্যবস্থা করব। কিন্তু কেউ যদি নেতাকে টাকা দিয়ে আমার কাছে সুপারিশ নিয়ে যায়, আর এটা প্রমাণিত হয়, তাহলে আমি আপনাদের কাজ করব না।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, ইটনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপন, সিনিয়র সহসভাপতি ও চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন, সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী এনামুল হক মোল্লাসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন