বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার অপসারণ করে পূর্বের ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার পুনঃস্থাপন এবং নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদনকারীদের ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার সরবরাহের দাবিতে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুর নগরীর খামার এলাকায় নেসকোর প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয় ঘেরাও করে অবস্থান ও বিক্ষোভ করেছে সাধারণ বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।
রংপুর বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এ বিক্ষোভ অবস্থানে শত শত সাধারণ বিদ্যুৎ গ্রাহক অংশ নেন।
এর আগে দুপুর ১২টার দিকে নগরীর শাপলা চত্বর এলাকা থেকে শত শত বিদ্যুৎ গ্রাহক বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে নগরীর লালবাগ খামার এলাকায় অবস্থিত নেসকোর প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় পুলিশ সেখানে অবস্থান নেয়।
সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরামের উপদেষ্টা মির্জা বাবর বাবুল, সদস্যসচিব আহসানুল আরেফিন তিতু, বিদ্যুৎ গ্রাহক নাজনীন বেগম, শাহানারা খাতুন, শফিকুল ইসলাম, রাজা মিয়া প্রমুখ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, আগে যে লাইট, ফ্যান, চুলা ছিল, এখনো তা-ই আছে; আমাদের বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়েনি, কিন্তু প্রিপেইড মিটার লাগানোর পর খরচ বেড়েছে তিন গুণ। এই মিটার আমরা চাই না। নেসকো জোর করেই জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এই মিটার লাগিয়েছে। অবিলম্বে প্রিপেইড মিটার প্রকল্প বাতিল করতে হবে। অবিলম্বে প্রিপেইড মিটার অপসারণ করে পূর্বের ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার পুনঃস্থাপন করতে হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
বক্তারা আরও বলেন, নেসকো প্রিপেইড মিটার গ্রাহকদের বাড়িতে গিয়ে জোর করে লাগাচ্ছে। আগে যেমন মাসিক বিল আসত ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা, এখন তা দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। প্রিপেইড মিটার দিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। কোনোভাবেই এই মিটার আমরা ব্যবহার করব না বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।
পরে একটি প্রতিনিধি দল নেসকোর প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলামের কাছে গিয়ে দাবি সংবলিত স্মারকলিপি প্রদান করে। প্রধান প্রকৌশলী বলেন, এটি সরকারের সিদ্ধান্ত, আমার করার কিছু নেই। তবে দাবিগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার অপসারণ করে পূর্বের ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার পুনঃস্থাপন এবং নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদনকারীদের ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার সরবরাহের দাবিতে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুর নগরীর খামার এলাকায় নেসকোর প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয় ঘেরাও করে অবস্থান ও বিক্ষোভ করেছে সাধারণ বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।
রংপুর বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এ বিক্ষোভ অবস্থানে শত শত সাধারণ বিদ্যুৎ গ্রাহক অংশ নেন।
এর আগে দুপুর ১২টার দিকে নগরীর শাপলা চত্বর এলাকা থেকে শত শত বিদ্যুৎ গ্রাহক বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে নগরীর লালবাগ খামার এলাকায় অবস্থিত নেসকোর প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় পুলিশ সেখানে অবস্থান নেয়।
সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরামের উপদেষ্টা মির্জা বাবর বাবুল, সদস্যসচিব আহসানুল আরেফিন তিতু, বিদ্যুৎ গ্রাহক নাজনীন বেগম, শাহানারা খাতুন, শফিকুল ইসলাম, রাজা মিয়া প্রমুখ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, আগে যে লাইট, ফ্যান, চুলা ছিল, এখনো তা-ই আছে; আমাদের বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়েনি, কিন্তু প্রিপেইড মিটার লাগানোর পর খরচ বেড়েছে তিন গুণ। এই মিটার আমরা চাই না। নেসকো জোর করেই জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে এই মিটার লাগিয়েছে। অবিলম্বে প্রিপেইড মিটার প্রকল্প বাতিল করতে হবে। অবিলম্বে প্রিপেইড মিটার অপসারণ করে পূর্বের ডিজিটাল পোস্টপেইড মিটার পুনঃস্থাপন করতে হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
বক্তারা আরও বলেন, নেসকো প্রিপেইড মিটার গ্রাহকদের বাড়িতে গিয়ে জোর করে লাগাচ্ছে। আগে যেমন মাসিক বিল আসত ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা, এখন তা দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। প্রিপেইড মিটার দিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। কোনোভাবেই এই মিটার আমরা ব্যবহার করব না বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।
পরে একটি প্রতিনিধি দল নেসকোর প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলামের কাছে গিয়ে দাবি সংবলিত স্মারকলিপি প্রদান করে। প্রধান প্রকৌশলী বলেন, এটি সরকারের সিদ্ধান্ত, আমার করার কিছু নেই। তবে দাবিগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন