রাজধানীর গ্রিন রোড, কলাবাগান, ধানমন্ডির একাংশ, পান্থপথ, সেন্ট্রাল রোড ও আশপাশের এলাকায় হঠাৎ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজার হাজার গ্রাহক। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর বকেয়া বিল পরিশোধ করে সংযোগ ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করেও অনলাইনে বিল দিতে পারেননি অনেকে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে গ্রিন রোডে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) এনওসিএস পারিবাগ কার্যালয়ে ভিড় করেন কয়েকশ’ গ্রাহক।
ডিপিডিসির তথ্য অনুযায়ী, নেটওয়ার্ক অপারেশন অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস (এনওসিএস) পারিবাগের কার্যালয় গ্রিন রোড ডরমিটরি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশনে। এখান থেকে গ্রিন রোড, কলাবাগান, ধানমন্ডির অংশসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।
গ্রাহকদের অভিযোগ, কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই সকালে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বকেয়া বিল পরিশোধের চেষ্টা করেও তারা সমস্যায় পড়েন। অনলাইনে বিল পরিশোধ করতে গেলে বারবার ‘ফেইল’ দেখাচ্ছিল। ফলে বিদ্যুৎ ফিরে পাওয়ার আশায় তারা সরাসরি ডিপিডিসি কার্যালয়ে ছুটে যান।
ধানমন্ডি এলাকা থেকে আসা আবু সাইদ বলেন, তার প্রায় পাঁচ হাজার টাকা বিল বকেয়া ছিল। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর তিনি বকেয়া টাকা পরিশোধ করে সংযোগ চালুর চেষ্টা করেন। কিন্তু অনলাইনে কয়েকবার চেষ্টা করেও বিল দিতে পারেননি।তিনি বলেন, ‘পুরো ভবনে বিদ্যুৎ নেই। সবাই খুব কষ্টে আছে। অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশুরা বেশি কাহিল হয়ে গেছে।’
নিউমার্কেট এলাকা থেকে আসা এক হোটেল মালিকও একই সমস্যার কথা জানান। তার ভাষ্য, বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যবসা কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। দ্রুত সংযোগ চালু না হলে আরও ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তিনি।
দুপুরে গ্রিন রোডে ডিপিডিসির কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের ভেতরে ও বাইরে গ্রাহকদের ভিড়। কেউ নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষে গিয়ে সমস্যার কথা জানাচ্ছেন, কেউ আবার বিল পরিশোধের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। অনেক গ্রাহকের কাছ থেকে কর্মকর্তারা গ্রাহক নম্বর নিয়ে সার্ভারে বকেয়ার তথ্য যাচাই করছিলেন। পরে বকেয়ার পরিমাণ জানিয়ে দেওয়া হচ্ছিল।
কর্মকর্তাদের ব্যস্ততার মধ্যেই অনেকে সরাসরি বকেয়া বিল পরিশোধের সুযোগ চাইছিলেন। কয়েকশ’ গ্রাহকের ভিড়ে প্রকৌশলীসহ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদেরও হিমশিম খেতে দেখা যায়।
রেহানা রহমান নামের এক গ্রাহক বলেন, তার দীর্ঘদিনের বকেয়া রয়েছে। তিনি একসঙ্গে পুরো টাকা পরিশোধ করতে পারছেন না। কয়েক ধাপে বিল পরিশোধের সুযোগ চান। এ জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনের অনুরোধ নিয়ে তিনি কার্যালয়ে এসেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত পাননি বলে জানান তিনি।
ডিপিডিসির কর্মকর্তারা বলছেন, বকেয়া বিল আদায় ও পেমেন্ট ব্যবস্থাকে স্বয়ংক্রিয় করার প্রক্রিয়ার মধ্যেই সমস্যাটি তৈরি হয়েছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিপুলসংখ্যক গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। একই সময়ে অনলাইনে বিল পরিশোধের ব্যবস্থাতেও জটিলতা দেখা দেয়।
ডিপিডিসির উপসহকারী প্রকৌশলী ইয়ামী বলেন, সাবস্টেশনের আওতাধীন প্রায় ১১ হাজার গ্রাহকের বিল পেমেন্ট ব্যবস্থা অটোমেশনের কাজ করতে গিয়ে সমস্যা হয়েছে। তবে গ্রাহকের ভোগান্তি কমাতে গ্রাহক নম্বর সংগ্রহ করে সংযোগ সক্রিয় করার কাজ চলছে।
ডিপিডিসির এনওসিএস পারিবাগের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাজাদুর রহমান বলেন, অনলাইনে বিল পরিশোধের ব্যবস্থা অটোমেশন করতে গিয়ে সার্ভারে ত্রুটি দেখা দিয়েছে। নতুন পদ্ধতি চালু করতে গিয়ে এ বিপত্তি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘অটোমেশন করার সময় সার্ভারে সমস্যা হয়েছে। আমরা দ্রুত সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করছি।’
বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় ডিজিটাল পেমেন্ট ও অটোমেশন চালুর উদ্দেশ্য সাধারণত গ্রাহকের সেবা আরও দ্রুত ও সহজ করা। কিন্তু বুধবারের ঘটনায় দেখা গেছে, নতুন ব্যবস্থা চালুর সময় কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে তার প্রভাব একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক গ্রাহকের ওপর পড়তে পারে।
ডিপিডিসির প্রকাশিত তথ্যেও গ্রিন রোড ডরমিটরি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশনের আওতায় একাধিক ফিডারের উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে গ্রিন রোড নর্থ, গ্রিন রোড স্টাফ কোয়ার্টার, নর্থ ধানমন্ডি, কাঠালবাগান, বশিরউদ্দিন রোড ও আল আমিন রোডসহ বিভিন্ন ফিডার রয়েছে। ফলে কোনো কেন্দ্রীয় পেমেন্ট বা সংযোগ ব্যবস্থায় ত্রুটি দেখা দিলে তার প্রভাব একটি ভবন বা একটি সড়কের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বড় একটি এলাকার গ্রাহকদের ওপর পড়ার সুযোগ রয়েছে।
গ্রাহকের চাপে ভেতরে ঢুকতে পারছেন না অনেকে।
বাসাবাড়িতে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের নিয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন পরিবারগুলো। গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
অন্যদিকে, অনলাইনে বিল পরিশোধের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায় গ্রাহকদের বড় অংশকে শেষ পর্যন্ত সরাসরি ডিপিডিসি কার্যালয়ে আসতে হয়েছে। এতে একদিকে যেমন কার্যালয়ে গ্রাহকদের ভিড় তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে কর্মকর্তাদের ওপরও অতিরিক্ত চাপ পড়েছে।
এদিকে, নতুন অটোমেশন ব্যবস্থা চালুর সময় কী ধরনের কারিগরি ত্রুটি হয়েছে এবং তা পুরোপুরি সমাধান করতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে ডিপিডিসির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে কর্মকর্তারা বলছেন, গ্রাহকদের গ্রাহক নম্বর যাচাই করে সংযোগ সক্রিয় করার পাশাপাশি সার্ভারের সমস্যাও দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজধানীর গ্রিন রোড, কলাবাগান, ধানমন্ডির একাংশ, পান্থপথ, সেন্ট্রাল রোড ও আশপাশের এলাকায় হঠাৎ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজার হাজার গ্রাহক। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর বকেয়া বিল পরিশোধ করে সংযোগ ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করেও অনলাইনে বিল দিতে পারেননি অনেকে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে গ্রিন রোডে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) এনওসিএস পারিবাগ কার্যালয়ে ভিড় করেন কয়েকশ’ গ্রাহক।
ডিপিডিসির তথ্য অনুযায়ী, নেটওয়ার্ক অপারেশন অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস (এনওসিএস) পারিবাগের কার্যালয় গ্রিন রোড ডরমিটরি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশনে। এখান থেকে গ্রিন রোড, কলাবাগান, ধানমন্ডির অংশসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।
গ্রাহকদের অভিযোগ, কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই সকালে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বকেয়া বিল পরিশোধের চেষ্টা করেও তারা সমস্যায় পড়েন। অনলাইনে বিল পরিশোধ করতে গেলে বারবার ‘ফেইল’ দেখাচ্ছিল। ফলে বিদ্যুৎ ফিরে পাওয়ার আশায় তারা সরাসরি ডিপিডিসি কার্যালয়ে ছুটে যান।
ধানমন্ডি এলাকা থেকে আসা আবু সাইদ বলেন, তার প্রায় পাঁচ হাজার টাকা বিল বকেয়া ছিল। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর তিনি বকেয়া টাকা পরিশোধ করে সংযোগ চালুর চেষ্টা করেন। কিন্তু অনলাইনে কয়েকবার চেষ্টা করেও বিল দিতে পারেননি।তিনি বলেন, ‘পুরো ভবনে বিদ্যুৎ নেই। সবাই খুব কষ্টে আছে। অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশুরা বেশি কাহিল হয়ে গেছে।’
নিউমার্কেট এলাকা থেকে আসা এক হোটেল মালিকও একই সমস্যার কথা জানান। তার ভাষ্য, বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যবসা কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। দ্রুত সংযোগ চালু না হলে আরও ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তিনি।
দুপুরে গ্রিন রোডে ডিপিডিসির কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের ভেতরে ও বাইরে গ্রাহকদের ভিড়। কেউ নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষে গিয়ে সমস্যার কথা জানাচ্ছেন, কেউ আবার বিল পরিশোধের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। অনেক গ্রাহকের কাছ থেকে কর্মকর্তারা গ্রাহক নম্বর নিয়ে সার্ভারে বকেয়ার তথ্য যাচাই করছিলেন। পরে বকেয়ার পরিমাণ জানিয়ে দেওয়া হচ্ছিল।
কর্মকর্তাদের ব্যস্ততার মধ্যেই অনেকে সরাসরি বকেয়া বিল পরিশোধের সুযোগ চাইছিলেন। কয়েকশ’ গ্রাহকের ভিড়ে প্রকৌশলীসহ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদেরও হিমশিম খেতে দেখা যায়।
রেহানা রহমান নামের এক গ্রাহক বলেন, তার দীর্ঘদিনের বকেয়া রয়েছে। তিনি একসঙ্গে পুরো টাকা পরিশোধ করতে পারছেন না। কয়েক ধাপে বিল পরিশোধের সুযোগ চান। এ জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনের অনুরোধ নিয়ে তিনি কার্যালয়ে এসেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত পাননি বলে জানান তিনি।
ডিপিডিসির কর্মকর্তারা বলছেন, বকেয়া বিল আদায় ও পেমেন্ট ব্যবস্থাকে স্বয়ংক্রিয় করার প্রক্রিয়ার মধ্যেই সমস্যাটি তৈরি হয়েছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিপুলসংখ্যক গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। একই সময়ে অনলাইনে বিল পরিশোধের ব্যবস্থাতেও জটিলতা দেখা দেয়।
ডিপিডিসির উপসহকারী প্রকৌশলী ইয়ামী বলেন, সাবস্টেশনের আওতাধীন প্রায় ১১ হাজার গ্রাহকের বিল পেমেন্ট ব্যবস্থা অটোমেশনের কাজ করতে গিয়ে সমস্যা হয়েছে। তবে গ্রাহকের ভোগান্তি কমাতে গ্রাহক নম্বর সংগ্রহ করে সংযোগ সক্রিয় করার কাজ চলছে।
ডিপিডিসির এনওসিএস পারিবাগের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাজাদুর রহমান বলেন, অনলাইনে বিল পরিশোধের ব্যবস্থা অটোমেশন করতে গিয়ে সার্ভারে ত্রুটি দেখা দিয়েছে। নতুন পদ্ধতি চালু করতে গিয়ে এ বিপত্তি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘অটোমেশন করার সময় সার্ভারে সমস্যা হয়েছে। আমরা দ্রুত সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করছি।’
বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় ডিজিটাল পেমেন্ট ও অটোমেশন চালুর উদ্দেশ্য সাধারণত গ্রাহকের সেবা আরও দ্রুত ও সহজ করা। কিন্তু বুধবারের ঘটনায় দেখা গেছে, নতুন ব্যবস্থা চালুর সময় কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে তার প্রভাব একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক গ্রাহকের ওপর পড়তে পারে।
ডিপিডিসির প্রকাশিত তথ্যেও গ্রিন রোড ডরমিটরি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশনের আওতায় একাধিক ফিডারের উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে গ্রিন রোড নর্থ, গ্রিন রোড স্টাফ কোয়ার্টার, নর্থ ধানমন্ডি, কাঠালবাগান, বশিরউদ্দিন রোড ও আল আমিন রোডসহ বিভিন্ন ফিডার রয়েছে। ফলে কোনো কেন্দ্রীয় পেমেন্ট বা সংযোগ ব্যবস্থায় ত্রুটি দেখা দিলে তার প্রভাব একটি ভবন বা একটি সড়কের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বড় একটি এলাকার গ্রাহকদের ওপর পড়ার সুযোগ রয়েছে।
গ্রাহকের চাপে ভেতরে ঢুকতে পারছেন না অনেকে।
বাসাবাড়িতে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের নিয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন পরিবারগুলো। গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
অন্যদিকে, অনলাইনে বিল পরিশোধের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায় গ্রাহকদের বড় অংশকে শেষ পর্যন্ত সরাসরি ডিপিডিসি কার্যালয়ে আসতে হয়েছে। এতে একদিকে যেমন কার্যালয়ে গ্রাহকদের ভিড় তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে কর্মকর্তাদের ওপরও অতিরিক্ত চাপ পড়েছে।
এদিকে, নতুন অটোমেশন ব্যবস্থা চালুর সময় কী ধরনের কারিগরি ত্রুটি হয়েছে এবং তা পুরোপুরি সমাধান করতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে ডিপিডিসির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে কর্মকর্তারা বলছেন, গ্রাহকদের গ্রাহক নম্বর যাচাই করে সংযোগ সক্রিয় করার পাশাপাশি সার্ভারের সমস্যাও দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন