বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে পেশাদার ও তরুণ সাংবাদিকদের বাদ দিয়ে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগে বিক্ষোভ করেছেন গাইবান্ধার তরুণ সাংবাদিকেরা। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা সার্কিট হাউস চত্বরে এই অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
বিক্ষোভকারী সাংবাদিকদের অভিযোগ, জেলা তথ্য অফিসের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে মাঠপর্যায়ের তরুণ সাংবাদিকদের বাদ দেওয়া হয়েছে। তাদের পরিবর্তে ব্যবসায়ী, শিক্ষক, একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী এবং পূর্বে সুযোগ পাওয়া ব্যক্তিদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
বিক্ষোভ চলাকালে একপর্যায়ে জেলা তথ্য কর্মকর্তার সঙ্গে সাংবাদিকদের ক্ষুব্ধ বাক্যবিনিময় হয়। পরে পরিস্থিতি অনুধাবন করে জেলা প্রশাসক ড. মো. মনিরুজ্জামান আন্দোলনরত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন।
আলোচনায় জেলা প্রশাসক আশ্বস্ত করেন, ভবিষ্যতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে প্রকৃত তরুণ সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। জেলা প্রশাসকের এই আশ্বাসের পর বিক্ষোভকারীরা কর্মসূচি স্থগিত করার ঘোষণা দেন।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে পেশাদার ও তরুণ সাংবাদিকদের বাদ দিয়ে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগে বিক্ষোভ করেছেন গাইবান্ধার তরুণ সাংবাদিকেরা। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা সার্কিট হাউস চত্বরে এই অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
বিক্ষোভকারী সাংবাদিকদের অভিযোগ, জেলা তথ্য অফিসের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে মাঠপর্যায়ের তরুণ সাংবাদিকদের বাদ দেওয়া হয়েছে। তাদের পরিবর্তে ব্যবসায়ী, শিক্ষক, একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী এবং পূর্বে সুযোগ পাওয়া ব্যক্তিদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
বিক্ষোভ চলাকালে একপর্যায়ে জেলা তথ্য কর্মকর্তার সঙ্গে সাংবাদিকদের ক্ষুব্ধ বাক্যবিনিময় হয়। পরে পরিস্থিতি অনুধাবন করে জেলা প্রশাসক ড. মো. মনিরুজ্জামান আন্দোলনরত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন।
আলোচনায় জেলা প্রশাসক আশ্বস্ত করেন, ভবিষ্যতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে প্রকৃত তরুণ সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। জেলা প্রশাসকের এই আশ্বাসের পর বিক্ষোভকারীরা কর্মসূচি স্থগিত করার ঘোষণা দেন।

আপনার মতামত লিখুন