বেসামরিক পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে। বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে দেশটির অর্থনীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গ চুক্তিতে সই করেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিএনপি মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজে প্রকাশিত এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সই করা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় পক্ষই তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের কৌশলগত গুরুত্ব এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা—বিশেষ করে জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর এর প্রভাবকে স্বীকৃতি দিয়েছে। উভয় দেশ তাদের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে পারমাণবিক শক্তি যে ভূমিকা রাখতে পারে, তা উল্লেখ করেছে।
নতুন এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রযুক্তিগত বিনিময়, পারমাণবিক নিরাপত্তা জোরদার এবং বেসামরিক জ্বালানি খাতে বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা আগের চেয়ে বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
এমওইউয়ে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশের জন্যই আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সেফগার্ডস চুক্তি এবং অতিরিক্ত প্রোটোকল কার্যকর রয়েছে। পাশাপাশি, দুই দেশই ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই স্বাক্ষরিত পরমাণু অস্ত্র বিস্তার প্রতিরোধ চুক্তির (নন-প্রলিফারেশন ট্রিটি) অংশীদার।
এর আগে চলতি বছরের মে মাসে, বহুমুখী উৎসের মাধ্যমে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে দুটি দেশের মধ্যে সামগ্রিক জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতার বিষয়ে আরও একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বেসামরিক পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে। বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে দেশটির অর্থনীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গ চুক্তিতে সই করেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিএনপি মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজে প্রকাশিত এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সই করা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় পক্ষই তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের কৌশলগত গুরুত্ব এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা—বিশেষ করে জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর এর প্রভাবকে স্বীকৃতি দিয়েছে। উভয় দেশ তাদের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে পারমাণবিক শক্তি যে ভূমিকা রাখতে পারে, তা উল্লেখ করেছে।
নতুন এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রযুক্তিগত বিনিময়, পারমাণবিক নিরাপত্তা জোরদার এবং বেসামরিক জ্বালানি খাতে বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা আগের চেয়ে বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
এমওইউয়ে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশের জন্যই আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সেফগার্ডস চুক্তি এবং অতিরিক্ত প্রোটোকল কার্যকর রয়েছে। পাশাপাশি, দুই দেশই ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই স্বাক্ষরিত পরমাণু অস্ত্র বিস্তার প্রতিরোধ চুক্তির (নন-প্রলিফারেশন ট্রিটি) অংশীদার।
এর আগে চলতি বছরের মে মাসে, বহুমুখী উৎসের মাধ্যমে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে দুটি দেশের মধ্যে সামগ্রিক জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতার বিষয়ে আরও একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন