বাগেরহাটে ডিজিটাল মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশ ও নগদের গ্রাহকদের সীমকার্ড ক্লোন করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া সংঘবদ্ধ আন্তজেলা প্রতারক চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ১১টি মোবাইল সেট, প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ৮০ হাজার টাকা ও ২০টি সীমকার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত ২৭ জুন মোংলা উপজেলার চিলা বাজার এলাকার দুই ব্যবসায়ীর বিকাশ ও নগদ অ্যাকাউন্ট থেকে সীম ক্লোন করে আড়াই লাখ টাকা তুলে নেওয়ার ঘটনায় মামলা হয়। ওই মামলার তদন্তে পুলিশ প্রতারক চক্রের সন্ধান পায় এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে সোমবার আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার নলবুনিয়া গ্রামের ইয়াছিন সওদাগর (২১), মোংলা উপজেলার মাদুরপাল্টা গ্রামের শামীম শেখ (২৭), বাগেরহাট সদর উপজেলার বাগদিয়া গ্রামের রাশেদ মোড়ল (২০), মোরেলগঞ্জ পৌরসভার পূর্ব সরালিয়া এলাকার এহসানুল হাসান রাকিব (৩২), পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বানাতিবাজার এলাকার ফেরদাউস (২১), মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ষোলআনি এলাকার আশ্রাফুল ইসলাম (২৬), একই উপজেলার জাইসতালা এলাকার মেহেদী হাসান (২৯), বরগুনা সদর উপজেলার বালিয়াতলী এলাকার মো. নাজমুল হাসান (২০) এবং পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ভয়াং এলাকার মো. মামুন গাজী (২১)।
পুলিশ সুপার বলেন, ব্যবসায়িক সীম ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ একটি চক্র ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ক্লোন করে প্রথমে তারা গ্রাহকদের সীম সংগ্রহ করে। এরপর কল সেন্টারে ফোন করে অ্যাকাউন্ট ব্লক হয়ে গেছে বলে জানায়। কল সেন্টার বিভিন্ন প্রশ্ন করলে আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষজনক উত্তর দেয়। ছোটখাটো লেনদেন নিজেরাই করে दे। একপর্যায়ে কল সেন্টার তাদের অ্যাকাউন্ট লগইন করে দেয়। এভাবে তারা টাকা হাতিয়ে নেয়।
এই ঘটনায় মোংলা থানায় ডিজিটাল সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা হয়েছে। চক্রের সঙ্গে আরও কারা জড়িত আছে, তা পুলিশ তদন্ত করবে।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাগেরহাটে ডিজিটাল মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশ ও নগদের গ্রাহকদের সীমকার্ড ক্লোন করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া সংঘবদ্ধ আন্তজেলা প্রতারক চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ১১টি মোবাইল সেট, প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ৮০ হাজার টাকা ও ২০টি সীমকার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত ২৭ জুন মোংলা উপজেলার চিলা বাজার এলাকার দুই ব্যবসায়ীর বিকাশ ও নগদ অ্যাকাউন্ট থেকে সীম ক্লোন করে আড়াই লাখ টাকা তুলে নেওয়ার ঘটনায় মামলা হয়। ওই মামলার তদন্তে পুলিশ প্রতারক চক্রের সন্ধান পায় এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে সোমবার আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার নলবুনিয়া গ্রামের ইয়াছিন সওদাগর (২১), মোংলা উপজেলার মাদুরপাল্টা গ্রামের শামীম শেখ (২৭), বাগেরহাট সদর উপজেলার বাগদিয়া গ্রামের রাশেদ মোড়ল (২০), মোরেলগঞ্জ পৌরসভার পূর্ব সরালিয়া এলাকার এহসানুল হাসান রাকিব (৩২), পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বানাতিবাজার এলাকার ফেরদাউস (২১), মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ষোলআনি এলাকার আশ্রাফুল ইসলাম (২৬), একই উপজেলার জাইসতালা এলাকার মেহেদী হাসান (২৯), বরগুনা সদর উপজেলার বালিয়াতলী এলাকার মো. নাজমুল হাসান (২০) এবং পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ভয়াং এলাকার মো. মামুন গাজী (২১)।
পুলিশ সুপার বলেন, ব্যবসায়িক সীম ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ একটি চক্র ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ক্লোন করে প্রথমে তারা গ্রাহকদের সীম সংগ্রহ করে। এরপর কল সেন্টারে ফোন করে অ্যাকাউন্ট ব্লক হয়ে গেছে বলে জানায়। কল সেন্টার বিভিন্ন প্রশ্ন করলে আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষজনক উত্তর দেয়। ছোটখাটো লেনদেন নিজেরাই করে दे। একপর্যায়ে কল সেন্টার তাদের অ্যাকাউন্ট লগইন করে দেয়। এভাবে তারা টাকা হাতিয়ে নেয়।
এই ঘটনায় মোংলা থানায় ডিজিটাল সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা হয়েছে। চক্রের সঙ্গে আরও কারা জড়িত আছে, তা পুলিশ তদন্ত করবে।

আপনার মতামত লিখুন