ফরিদপুরে শিশু ধর্ষণের দায়ে রাজু শেখ নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো. আবুল বাশার মিয়া এ রায় প্রদান করেন। এ সময় বিচারক আসামিকে আরও দুই লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ড প্রদান করেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২১ সালের ১ মার্চ সন্ধ্যায় ধর্ষিতার মাতা আছিয়া বেগম রান্নার কাজে শিশুটিকে একা বাড়ি রেখে বের হন। রাতে শিশুটি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে বের হলে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা জেলার চরভদ্রাসন উপজেলার অযোদ্ধা ঢালার পাড় এলাকার শেশ দুলুর ছেলে রাজু শেখ ১৩ বছরের শিশুর মুখে গামছা পেঁচিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ করে। পরের দিন সকালে শিশুটিকে আসামির বাড়ি থেকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ওই দিনই শিশুটির মাতা আছিয়া বেগম চরভদ্রাসন থানায় মামলা করেন। মামলার যাবতীয় প্রমাণাদি শেষে বিচারক আজ এ রায় প্রদান করেন।
মামলার সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানি ভূঁইয়া রতন জানান, মামলায় আদালতের বিচারক যে রায় দিয়েছেন, তাতে তারা খুশি হয়েছেন। তিনি মনে করেন, এর মধ্য দিয়ে দেশে ধর্ষণের সংখ্যা কমে আসবে।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফরিদপুরে শিশু ধর্ষণের দায়ে রাজু শেখ নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো. আবুল বাশার মিয়া এ রায় প্রদান করেন। এ সময় বিচারক আসামিকে আরও দুই লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ড প্রদান করেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২১ সালের ১ মার্চ সন্ধ্যায় ধর্ষিতার মাতা আছিয়া বেগম রান্নার কাজে শিশুটিকে একা বাড়ি রেখে বের হন। রাতে শিশুটি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে বের হলে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা জেলার চরভদ্রাসন উপজেলার অযোদ্ধা ঢালার পাড় এলাকার শেশ দুলুর ছেলে রাজু শেখ ১৩ বছরের শিশুর মুখে গামছা পেঁচিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ করে। পরের দিন সকালে শিশুটিকে আসামির বাড়ি থেকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ওই দিনই শিশুটির মাতা আছিয়া বেগম চরভদ্রাসন থানায় মামলা করেন। মামলার যাবতীয় প্রমাণাদি শেষে বিচারক আজ এ রায় প্রদান করেন।
মামলার সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানি ভূঁইয়া রতন জানান, মামলায় আদালতের বিচারক যে রায় দিয়েছেন, তাতে তারা খুশি হয়েছেন। তিনি মনে করেন, এর মধ্য দিয়ে দেশে ধর্ষণের সংখ্যা কমে আসবে।

আপনার মতামত লিখুন