বাগেরহাটের শরণখোলায় জেলের জালে ধরা পড়েছে ২০ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সুন্দরবনের ভোলা নদীতে মাছ ধরার সময় এটি জেলের জালে ধরা পড়ে। পরে স্থানীয় শরণখোলা বাজারে মাছটি ৩৬ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।
জানা যায়, শরণখোলা গ্রামের জেলে জহুরুল হাওলাদার বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে সুন্দরবনের ভোলা নদীতে মাছ ধরতে যান। সকালে নদীর জলে জাল ফেলার কিছুক্ষণ পরই অস্বাভাবিক ভার অনুভব করেন তিনি। পরে কষ্ট করে জাল টেনে তুলে দেখতে পান বিশাল আকৃতির এক কোরাল মাছ। ওজনে মেপে দেখা যায় এটি পুরো ২০ কেজি।
বিশাল মাছটি পেয়েই দ্রুত শরণখোলা বাজারে চলে আসেন জেলে জহুরুল। সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় মৎস্য আড়তদার শাহাদাত মুন্সী ৩৬ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন। এতে কেজিপ্রতি দাম পড়ে ১ হাজার ৮০০ টাকা। আড়তদার জানান, মাছটি ঢাকায় পাঠানো হয়েছে, সেখানে আরও বেশি দামে বিক্রি হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা রাসেল হাওলাদার বলেন, ‘একটি মাছ বিক্রি করেই একটি গরুর দাম উঠে গেছে। ছোটখাটো একটা গরুর সমান দামে বিক্রি হলো এই কোরালটি।’
মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে গত এক মাসে সুন্দরবনের জেলেরা যে মাছ পেয়েছেন, তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় কোরাল। বড় মাছের চাহিদা বাজারে বেশি থাকায় দামও বেশ ভালো পাওয়া গেছে।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান সংবাদকে বলেন, তিন মাসের প্রজননকালীন নিষেধাজ্ঞার কারণে সুন্দরবনের নদ-নদীতে মাছ বড় হওয়ার পর্যাপ্ত সুযোগ পেয়েছে। ফলে এখন জেলেদের জালে বড় আকৃতির মাছ ধরা পড়ছে এবং তারা ভালো দাম পাচ্ছেন।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাগেরহাটের শরণখোলায় জেলের জালে ধরা পড়েছে ২০ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সুন্দরবনের ভোলা নদীতে মাছ ধরার সময় এটি জেলের জালে ধরা পড়ে। পরে স্থানীয় শরণখোলা বাজারে মাছটি ৩৬ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।
জানা যায়, শরণখোলা গ্রামের জেলে জহুরুল হাওলাদার বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে সুন্দরবনের ভোলা নদীতে মাছ ধরতে যান। সকালে নদীর জলে জাল ফেলার কিছুক্ষণ পরই অস্বাভাবিক ভার অনুভব করেন তিনি। পরে কষ্ট করে জাল টেনে তুলে দেখতে পান বিশাল আকৃতির এক কোরাল মাছ। ওজনে মেপে দেখা যায় এটি পুরো ২০ কেজি।
বিশাল মাছটি পেয়েই দ্রুত শরণখোলা বাজারে চলে আসেন জেলে জহুরুল। সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় মৎস্য আড়তদার শাহাদাত মুন্সী ৩৬ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন। এতে কেজিপ্রতি দাম পড়ে ১ হাজার ৮০০ টাকা। আড়তদার জানান, মাছটি ঢাকায় পাঠানো হয়েছে, সেখানে আরও বেশি দামে বিক্রি হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা রাসেল হাওলাদার বলেন, ‘একটি মাছ বিক্রি করেই একটি গরুর দাম উঠে গেছে। ছোটখাটো একটা গরুর সমান দামে বিক্রি হলো এই কোরালটি।’
মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে গত এক মাসে সুন্দরবনের জেলেরা যে মাছ পেয়েছেন, তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় কোরাল। বড় মাছের চাহিদা বাজারে বেশি থাকায় দামও বেশ ভালো পাওয়া গেছে।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান সংবাদকে বলেন, তিন মাসের প্রজননকালীন নিষেধাজ্ঞার কারণে সুন্দরবনের নদ-নদীতে মাছ বড় হওয়ার পর্যাপ্ত সুযোগ পেয়েছে। ফলে এখন জেলেদের জালে বড় আকৃতির মাছ ধরা পড়ছে এবং তারা ভালো দাম পাচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন