চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকারের দায়ে ১১ জন জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল এবং মাছ ধরার ৩টি নৌকা জব্দ করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত পদ্মা-মেঘনা নদীর বিভিন্ন নৌ সীমানায় জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও নৌ পুলিশ যৌথভাবে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নদীতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে অসাধু উপায়ে মাছ শিকারের সময় হাতেনাতে ওই ১১ জেলেকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রায় ২ হাজার বর্গমিটার অবৈধ কারেন্ট জাল এবং ৩টি মাছ ধরার নৌকা জব্দ করা হয়।
পরে আটককৃতদের বিরুদ্ধে ‘মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন’ অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বরকত উল্লাহ। তিনি আটক ১১ জনের মধ্যে ৭ জনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। বাকি ৪ জনকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডসহ প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত নৌকা ও অবৈধ কারেন্ট জাল বর্তমানে নৌ পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। নদীর মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানকালে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হকসহ নৌ পুলিশের একাধিক টিম উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকারের দায়ে ১১ জন জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল এবং মাছ ধরার ৩টি নৌকা জব্দ করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত পদ্মা-মেঘনা নদীর বিভিন্ন নৌ সীমানায় জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও নৌ পুলিশ যৌথভাবে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নদীতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে অসাধু উপায়ে মাছ শিকারের সময় হাতেনাতে ওই ১১ জেলেকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রায় ২ হাজার বর্গমিটার অবৈধ কারেন্ট জাল এবং ৩টি মাছ ধরার নৌকা জব্দ করা হয়।
পরে আটককৃতদের বিরুদ্ধে ‘মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন’ অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বরকত উল্লাহ। তিনি আটক ১১ জনের মধ্যে ৭ জনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। বাকি ৪ জনকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডসহ প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত নৌকা ও অবৈধ কারেন্ট জাল বর্তমানে নৌ পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। নদীর মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানকালে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হকসহ নৌ পুলিশের একাধিক টিম উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন