যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে দীর্ঘদিন ধরে বন্দি থাকা ৪৫ জন ভারতীয় নাগরিকের মধ্যে বাচ্চুলা মাঝি (৫৩) নামের একজনের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভোরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।নিহত বাচ্চুলা মাঝি ভারতের উত্তরপ্রদেশের চিতামারী জেলার মেজরগঞ্জ থানার কাঁকড়ারা গ্রামের বাবুল মাঝি ওরফে বকুল মাঝির ছেলে। তিনি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ভারতীয় বন্দি নম্বর ০৭/১৮ হিসেবে অন্তরীণ ছিলেন।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, বাচ্চুলা মাঝি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ব্যাধি সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন এবং কারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার ভোরে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করার পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে কারা হাসপাতালের সহকারী সার্জনের নির্দেশে ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হলে পরীক্ষা- নিরীক্ষা শেষে ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কারা নথি অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি রামগড়ছড়ি থানায় দায়ের করা একটি মামলায় অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে বাচ্চুলা মাঝিকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি তাকে রাঙ্গামাটি জেলা কারাগারে পাঠানো হয় এবং আদালত তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। সাজা ভোগ শেষে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের সুবিধার্থে ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর ফেনী জেলা কারাগার হয়ে তাকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
বর্তমানে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে এমন ৪৫ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন, যাদের সাজা অনেক আগেই শেষ হয়েছে। কিন্তু ভারত সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন না মেলায় বছরের পর বছর আইনি প্রকোষ্ঠেই কাটছে তাদের জীবন।
জেলার আবিদ আহমেদ জানান, ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার পর মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত না পাওয়া পর্যন্ত লাশ হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষণ করা হবে।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে দীর্ঘদিন ধরে বন্দি থাকা ৪৫ জন ভারতীয় নাগরিকের মধ্যে বাচ্চুলা মাঝি (৫৩) নামের একজনের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভোরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।নিহত বাচ্চুলা মাঝি ভারতের উত্তরপ্রদেশের চিতামারী জেলার মেজরগঞ্জ থানার কাঁকড়ারা গ্রামের বাবুল মাঝি ওরফে বকুল মাঝির ছেলে। তিনি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ভারতীয় বন্দি নম্বর ০৭/১৮ হিসেবে অন্তরীণ ছিলেন।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, বাচ্চুলা মাঝি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ব্যাধি সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন এবং কারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার ভোরে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করার পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে কারা হাসপাতালের সহকারী সার্জনের নির্দেশে ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হলে পরীক্ষা- নিরীক্ষা শেষে ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কারা নথি অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি রামগড়ছড়ি থানায় দায়ের করা একটি মামলায় অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে বাচ্চুলা মাঝিকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি তাকে রাঙ্গামাটি জেলা কারাগারে পাঠানো হয় এবং আদালত তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। সাজা ভোগ শেষে নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের সুবিধার্থে ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর ফেনী জেলা কারাগার হয়ে তাকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
বর্তমানে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে এমন ৪৫ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন, যাদের সাজা অনেক আগেই শেষ হয়েছে। কিন্তু ভারত সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন না মেলায় বছরের পর বছর আইনি প্রকোষ্ঠেই কাটছে তাদের জীবন।
জেলার আবিদ আহমেদ জানান, ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার পর মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত না পাওয়া পর্যন্ত লাশ হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন