সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও আকাশসীমা ব্যবহার না করার জন্য বিশ্বব্যাপী যাত্রী এবং আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোকে কঠোর বার্তা দিয়ে সতর্ক করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা।
রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক ভয়াবহ ও নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর রোববার (১১ অক্টোবর) এই প্রচ্ছন্ন হুমকি ও সতর্কবার্তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে গোষ্ঠীটি। এই আকস্মিক পদক্ষেপে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের বিমান যোগাযোগ খাত এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতিতে নতুন করে তীব্র উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বিশেষ বিবৃতিতে হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সুস্পষ্টভাবে জানান, সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও সমগ্র আকাশসীমায় যেকোনো মুহূর্তে বিমান হামলা চালাতে পারে তাদের সশস্ত্র বাহিনী। তবে পবিত্র মক্কা ও মদিনার বিমানবন্দরসমূহ এই সম্ভাব্য সামারিক হামলার হুমকির আওতার সম্পূর্ণ বাইরে থাকবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
একইসঙ্গে তিনি বলেন, "বিমান সংস্থা, নৌপরিবহন সংস্থা, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সকল সাধারণ যাত্রীদের এই সতর্কবার্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানাচ্ছি।"
হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি আরও যোগ করেন, "সৌদি আরবের আকাশসীমায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার চেষ্টা বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা দেখা দিলে এর সমস্ত দায়দায়িত্ব সৌদি সরকারকেই নিতে হবে।"
হুথিদের সামরিক বাহিনী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে যে, তাদের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘোষিত অবস্থান থেকে এক চুলও সরে আসবে না। 'বিমানবন্দরে হামলার জবাবে বিমানবন্দরে হামলা, অবরোধের জবাবে অবরোধ এবং উত্তেজনা বাড়লে পাল্টা কড়া পদক্ষেপ নেওয়া', এই নীতিতেই এখন থেকে তাদের সামরিক অভিযান পরিচালিত হবে বলে তারা হুঁশিয়ার করে দিয়েছে।
এর আগে গত শনিবার রিয়াদের গুরুত্বপূর্ণ কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের ছোড়া মারাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২ জন বাংলাদেশিসহ মোট ১২ জন নিহত হন এবং আহত হন অন্তত ৩০৯ জন।
নিহতদের মধ্যে চারজন সৌদি নাগরিক ছাড়াও বাংলাদেশ, ফিলিস্তিন, যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, জর্ডান, সিরিয়া ও সুদানের নাগরিক রয়েছেন। এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এটি সৌদি আরবে সংঘটিত অন্যতম প্রাণঘাতী হামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশ ও সংস্থা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানালেও হুথিদের নতুন হুমকিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছে সাধারণ যাত্রী ও আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থাগুলো।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও আকাশসীমা ব্যবহার না করার জন্য বিশ্বব্যাপী যাত্রী এবং আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোকে কঠোর বার্তা দিয়ে সতর্ক করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা।
রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক ভয়াবহ ও নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর রোববার (১১ অক্টোবর) এই প্রচ্ছন্ন হুমকি ও সতর্কবার্তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে গোষ্ঠীটি। এই আকস্মিক পদক্ষেপে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের বিমান যোগাযোগ খাত এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতিতে নতুন করে তীব্র উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বিশেষ বিবৃতিতে হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সুস্পষ্টভাবে জানান, সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও সমগ্র আকাশসীমায় যেকোনো মুহূর্তে বিমান হামলা চালাতে পারে তাদের সশস্ত্র বাহিনী। তবে পবিত্র মক্কা ও মদিনার বিমানবন্দরসমূহ এই সম্ভাব্য সামারিক হামলার হুমকির আওতার সম্পূর্ণ বাইরে থাকবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
একইসঙ্গে তিনি বলেন, "বিমান সংস্থা, নৌপরিবহন সংস্থা, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সকল সাধারণ যাত্রীদের এই সতর্কবার্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানাচ্ছি।"
হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি আরও যোগ করেন, "সৌদি আরবের আকাশসীমায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার চেষ্টা বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যর্থতা দেখা দিলে এর সমস্ত দায়দায়িত্ব সৌদি সরকারকেই নিতে হবে।"
হুথিদের সামরিক বাহিনী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে যে, তাদের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘোষিত অবস্থান থেকে এক চুলও সরে আসবে না। 'বিমানবন্দরে হামলার জবাবে বিমানবন্দরে হামলা, অবরোধের জবাবে অবরোধ এবং উত্তেজনা বাড়লে পাল্টা কড়া পদক্ষেপ নেওয়া', এই নীতিতেই এখন থেকে তাদের সামরিক অভিযান পরিচালিত হবে বলে তারা হুঁশিয়ার করে দিয়েছে।
এর আগে গত শনিবার রিয়াদের গুরুত্বপূর্ণ কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের ছোড়া মারাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২ জন বাংলাদেশিসহ মোট ১২ জন নিহত হন এবং আহত হন অন্তত ৩০৯ জন।
নিহতদের মধ্যে চারজন সৌদি নাগরিক ছাড়াও বাংলাদেশ, ফিলিস্তিন, যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, জর্ডান, সিরিয়া ও সুদানের নাগরিক রয়েছেন। এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এটি সৌদি আরবে সংঘটিত অন্যতম প্রাণঘাতী হামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রভাবশালী দেশ ও সংস্থা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানালেও হুথিদের নতুন হুমকিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছে সাধারণ যাত্রী ও আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থাগুলো।

আপনার মতামত লিখুন