ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি দাবি করেছেন, শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে তাকে ‘অপহরণ’ করা হয়েছিল। মুক্তি পাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা এক ভিডিওতে এ অভিযোগ করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) নিজের ধারণ করা ভিডিওতে ধ্রুব জানান, শনিবার সকাল ৭টার দিকে গুরুগ্রামে তার বাড়িতে প্রায় ২০ জন সাদাপোশাকের পুলিশ সদস্য হাজির হন। এরপর তাকে সেখান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ধ্রুব বলেন, ‘বেডরুমের দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গেই আমার ঘুম ভেঙে যায়। আমি বুঝতে পারছিলাম, কী ঘটছে। হঠাৎ এত মানুষ বেডরুমে কীভাবে ঢুকে পড়ল? কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা আক্ষরিক অর্থেই আমাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।’
নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন ‘অপহরণ’ বলছেন, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন এই ইউটিউবার। তার দাবি, ঘটনাটি গ্রেপ্তার কিংবা আটক—কোনোটিই ছিল না।
ধ্রুবের ভাষায়, ‘আটক করা হতো যদি আমি কোনো বিক্ষোভে অংশ নিতাম এবং পুলিশ সেখানে আমাকে আটক করত। সেটা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে কোনো পুলিশ সদস্য এসে নিজের পোশাক ও পরিচয়পত্র দেখাতেন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দিতেন এবং কোন ধারায়, কী অভিযোগে তাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তা জানাতেন। এরপর থানায় যেতে বললে তিনি স্বেচ্ছায় যেতেন।’
কিন্তু তার দাবি, এসবের কিছুই করা হয়নি। কোনো পরিচয় বা গ্রেপ্তারের কারণ না জানিয়েই তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ধ্রুব রাঠি।
উল্লেখ্য, শনিবার সিজেপির বিক্ষোভের আগে দিল্লিতে যাওয়ার পথে গুরুগ্রাম থেকে ধ্রুব রাঠিকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছিল পুলিশ সূত্র। তবে ধ্রুব রাঠি তার আটককে ‘অপহরণ’ বলে দাবি করেছেন।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি দাবি করেছেন, শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে তাকে ‘অপহরণ’ করা হয়েছিল। মুক্তি পাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা এক ভিডিওতে এ অভিযোগ করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) নিজের ধারণ করা ভিডিওতে ধ্রুব জানান, শনিবার সকাল ৭টার দিকে গুরুগ্রামে তার বাড়িতে প্রায় ২০ জন সাদাপোশাকের পুলিশ সদস্য হাজির হন। এরপর তাকে সেখান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ধ্রুব বলেন, ‘বেডরুমের দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গেই আমার ঘুম ভেঙে যায়। আমি বুঝতে পারছিলাম, কী ঘটছে। হঠাৎ এত মানুষ বেডরুমে কীভাবে ঢুকে পড়ল? কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা আক্ষরিক অর্থেই আমাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।’
নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন ‘অপহরণ’ বলছেন, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন এই ইউটিউবার। তার দাবি, ঘটনাটি গ্রেপ্তার কিংবা আটক—কোনোটিই ছিল না।
ধ্রুবের ভাষায়, ‘আটক করা হতো যদি আমি কোনো বিক্ষোভে অংশ নিতাম এবং পুলিশ সেখানে আমাকে আটক করত। সেটা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে কোনো পুলিশ সদস্য এসে নিজের পোশাক ও পরিচয়পত্র দেখাতেন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দিতেন এবং কোন ধারায়, কী অভিযোগে তাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তা জানাতেন। এরপর থানায় যেতে বললে তিনি স্বেচ্ছায় যেতেন।’
কিন্তু তার দাবি, এসবের কিছুই করা হয়নি। কোনো পরিচয় বা গ্রেপ্তারের কারণ না জানিয়েই তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ধ্রুব রাঠি।
উল্লেখ্য, শনিবার সিজেপির বিক্ষোভের আগে দিল্লিতে যাওয়ার পথে গুরুগ্রাম থেকে ধ্রুব রাঠিকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছিল পুলিশ সূত্র। তবে ধ্রুব রাঠি তার আটককে ‘অপহরণ’ বলে দাবি করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন