কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী সপ্তম দফার বিশেষ অভিযানে আরও ৩৫৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানা এলাকায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।
প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে সোমবার দুপুরে এদের মধ্যে ৯৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে মুচলেকা নিয়ে ২৫৬ জনকে তাঁদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে কুমিল্লা নগরীসহ জেলার ১৮টি থানা এলাকায় থানা-পুলিশ ও জেলা ডিবির যৌথ উদ্যোগে কিশোর গ্যাং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু হয়। এ নিয়ে ৭ দফায় চালানো পৃথক অভিযানে সর্বমোট ২ হাজার ৬৫২ জনকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে অপরাধে সম্পৃক্ততা পাওয়ায় ১ হাজার ১১ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া যাচাই-বাছাই শেষে কোনো অপরাধের প্রমাণ না পাওয়ায় এবং ভবিষ্যতে অপরাধে না জড়ানোর মুচলেকা নিয়ে ১ হাজার ৬৪১ জনকে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। মুচলেকা নিয়ে যাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, তাদের বড় একটি অংশই শিক্ষার্থী।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. লুৎফুর রহমান বলেন, ‘উঠতি বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আমাদের এই নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে অভিযানের নামে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।’
কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী সপ্তম দফার বিশেষ অভিযানে আরও ৩৫৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানা এলাকায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।
প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে সোমবার দুপুরে এদের মধ্যে ৯৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে মুচলেকা নিয়ে ২৫৬ জনকে তাঁদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে কুমিল্লা নগরীসহ জেলার ১৮টি থানা এলাকায় থানা-পুলিশ ও জেলা ডিবির যৌথ উদ্যোগে কিশোর গ্যাং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু হয়। এ নিয়ে ৭ দফায় চালানো পৃথক অভিযানে সর্বমোট ২ হাজার ৬৫২ জনকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃতদের মধ্যে অপরাধে সম্পৃক্ততা পাওয়ায় ১ হাজার ১১ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া যাচাই-বাছাই শেষে কোনো অপরাধের প্রমাণ না পাওয়ায় এবং ভবিষ্যতে অপরাধে না জড়ানোর মুচলেকা নিয়ে ১ হাজার ৬৪১ জনকে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। মুচলেকা নিয়ে যাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, তাদের বড় একটি অংশই শিক্ষার্থী।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. লুৎফুর রহমান বলেন, ‘উঠতি বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আমাদের এই নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে অভিযানের নামে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।’
কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন