পটুয়াখালীর বিশিষ্ট ও প্রবীণ সাংবাদিক নিখিল চ্যাটার্জী বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।
গত ১১ অক্টোবর দিবাগত রাত ৩টায় পটুয়াখালীতে অবস্থিত নিজ বাসভবনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।
তিনি স্ত্রী শিপ্রা ভট্টাচার্য্য এবং দুই পুত্র আবীর চ্যাটার্জী ও অভীক চ্যাটার্জীসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। গতকাল ১২ অক্টোবর বিকেল ৪টায় পটুয়াখালী মহাশ্মশানে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা প্রবীণ এই গণমাধ্যমকর্মী দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে জাতীয় দৈনিক সংবাদ-এর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে ১৯৯১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। সত্যনিষ্ঠ ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৯৯ সালে মর্যাদাপূর্ণ টিআইবি পুরস্কার লাভ করেন এবং যুক্তরাজ্যে বিশেষ পেশাগত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
পেশাগত জীবনে তিনি বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে একাধিক সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত হন। তার প্রয়াণে পটুয়াখালীর সাংবাদিক সমাজ ও স্থানীয় সচেতন মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
পটুয়াখালীর বিশিষ্ট ও প্রবীণ সাংবাদিক নিখিল চ্যাটার্জী বার্ধক্যজনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।
গত ১১ অক্টোবর দিবাগত রাত ৩টায় পটুয়াখালীতে অবস্থিত নিজ বাসভবনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।
তিনি স্ত্রী শিপ্রা ভট্টাচার্য্য এবং দুই পুত্র আবীর চ্যাটার্জী ও অভীক চ্যাটার্জীসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। গতকাল ১২ অক্টোবর বিকেল ৪টায় পটুয়াখালী মহাশ্মশানে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা প্রবীণ এই গণমাধ্যমকর্মী দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে জাতীয় দৈনিক সংবাদ-এর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে ১৯৯১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। সত্যনিষ্ঠ ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৯৯ সালে মর্যাদাপূর্ণ টিআইবি পুরস্কার লাভ করেন এবং যুক্তরাজ্যে বিশেষ পেশাগত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
পেশাগত জীবনে তিনি বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে একাধিক সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত হন। তার প্রয়াণে পটুয়াখালীর সাংবাদিক সমাজ ও স্থানীয় সচেতন মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন