জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী, নাট্যকার ও নির্দেশক ড. নাজনীন চুমকি নতুন একক নাটক ‘ফুল পাখির গল্প’-এ অভিনয় করতে যাচ্ছেন। ঢাকার অদূরে কালিয়াকৈরে নাটকটির শুটিং শুরু হবে।
‘ফুল পাখির গল্প’
নাটকটির চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন সরকার রওনক রিপন ও সাইফুল শামীম। গল্প ও পরিচালনায়
রয়েছেন সরকার রওনক রিপন। নাটকটির আরও দুটি চরিত্রে অভিনয় করছেন হাসনাত রিপন ও কাজী
কানিজ। এতে মায়ের চরিত্রে দেখা যাবে নাজনীন চুমকিকে।
বর্তমানে একাধিক
ধারাবাহিক নাটকেও নিয়মিত অভিনয় করছেন চুমকি। এর মধ্যে রয়েছে কায়সার আহমেদ পরিচালিত
‘রূপনগর’, মুসাফির রনি পরিচালিত ‘ঘরে বাইরে’, সাজিন আহমেদ বাবু পরিচালিত ‘আমরা ভাইরাল’
এবং সাজ্জাদ সুমন পরিচালিত ‘খুশবু’। অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিটি ধারাবাহিকেই
তিনি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন।
এদিকে আগামী ২০
সেপ্টেম্বর মঞ্চে উঠবেন নাজনীন চুমকি। ওইদিন ‘দর্পণে শরৎশশী’ নাটকের মঞ্চায়নে অভিনয়
করবেন তিনি। মনোজ মিত্র রচিত ও আলী যাকের নির্দেশিত নাটকটি বর্তমানে পুনঃনির্দেশনা
দিচ্ছেন কামাল আহমেদ। এতে চুমকি অভিনয় করছেন ‘মনোরমা’ চরিত্রে।
নতুন নাটক প্রসঙ্গে
নাজনীন চুমকি বলেন, ‘ফুল পাখির গল্প’ নাটকটির নামটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে। এছাড়াও গল্পটাও
চমৎকার। সরকার রওনক রিপন আমার ভীষণ প্রিয়। তার কাজের প্রতি আমার ভীষণ আস্থা আছে। যে
কারণেই এই নাটকের সঙ্গে যুক্ত হওয়া। তাছাড়া হাসনাত রিপন এবং কাজী কানিজ দুজনই চমৎকার
অভিনয় করেন। আশা করছি একটি ভালো নাটক হবে।’
‘দর্পণে শরৎশশী’
প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই নাটকে মনোরমা চরিত্রে অভিনয় করতেন আমার নাট্যগুরু শ্রদ্ধেয়
ইশরাত নিশাত আপা। এখন সেই মনোরমা চরিত্রে মঞ্চে আমাকে দাঁড়াতে হয়। এটা আমার জন্য যেমন
বেদনার, তেমনি দুশ্চিন্তারও বটে। কারণ নিশাত আপা ছিলেন মঞ্চে অতুলনীয়, অসাধারণ, অনবদ্য।
সেই তুলনায় আমি কিছুই না। তারপরও আমি আমার অবস্থান থেকে চেষ্টা করছি। বাকিটা আসলে দর্শকই
ভালো বলতে পারবেন।’
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের
নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ থেকে গবেষণা করে ২০২৪ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন নাজনীন
চুমকি। বিভাগের অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ খানের তত্ত্বাবধানে তিনি গবেষণাটি সম্পন্ন
করেন। তাঁর অভিসন্দর্ভের বিষয় ছিল ‘বাংলাদেশের শিশু থিয়েটার চর্চা’।
নাটকের মানুষ হলেও
বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন নাজনীন চুমকি। ২০০৬ সালে ‘ঘানি’ চলচ্চিত্রে
অভিনয়ের জন্য অর্জন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে
রয়েছে ‘লালন’, ‘একই বৃত্তে’, ‘পুতুল কথা’ ও ‘রাত জাগা ফুল’।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী, নাট্যকার ও নির্দেশক ড. নাজনীন চুমকি নতুন একক নাটক ‘ফুল পাখির গল্প’-এ অভিনয় করতে যাচ্ছেন। ঢাকার অদূরে কালিয়াকৈরে নাটকটির শুটিং শুরু হবে।
‘ফুল পাখির গল্প’
নাটকটির চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন সরকার রওনক রিপন ও সাইফুল শামীম। গল্প ও পরিচালনায়
রয়েছেন সরকার রওনক রিপন। নাটকটির আরও দুটি চরিত্রে অভিনয় করছেন হাসনাত রিপন ও কাজী
কানিজ। এতে মায়ের চরিত্রে দেখা যাবে নাজনীন চুমকিকে।
বর্তমানে একাধিক
ধারাবাহিক নাটকেও নিয়মিত অভিনয় করছেন চুমকি। এর মধ্যে রয়েছে কায়সার আহমেদ পরিচালিত
‘রূপনগর’, মুসাফির রনি পরিচালিত ‘ঘরে বাইরে’, সাজিন আহমেদ বাবু পরিচালিত ‘আমরা ভাইরাল’
এবং সাজ্জাদ সুমন পরিচালিত ‘খুশবু’। অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিটি ধারাবাহিকেই
তিনি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন।
এদিকে আগামী ২০
সেপ্টেম্বর মঞ্চে উঠবেন নাজনীন চুমকি। ওইদিন ‘দর্পণে শরৎশশী’ নাটকের মঞ্চায়নে অভিনয়
করবেন তিনি। মনোজ মিত্র রচিত ও আলী যাকের নির্দেশিত নাটকটি বর্তমানে পুনঃনির্দেশনা
দিচ্ছেন কামাল আহমেদ। এতে চুমকি অভিনয় করছেন ‘মনোরমা’ চরিত্রে।
নতুন নাটক প্রসঙ্গে
নাজনীন চুমকি বলেন, ‘ফুল পাখির গল্প’ নাটকটির নামটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে। এছাড়াও গল্পটাও
চমৎকার। সরকার রওনক রিপন আমার ভীষণ প্রিয়। তার কাজের প্রতি আমার ভীষণ আস্থা আছে। যে
কারণেই এই নাটকের সঙ্গে যুক্ত হওয়া। তাছাড়া হাসনাত রিপন এবং কাজী কানিজ দুজনই চমৎকার
অভিনয় করেন। আশা করছি একটি ভালো নাটক হবে।’
‘দর্পণে শরৎশশী’
প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই নাটকে মনোরমা চরিত্রে অভিনয় করতেন আমার নাট্যগুরু শ্রদ্ধেয়
ইশরাত নিশাত আপা। এখন সেই মনোরমা চরিত্রে মঞ্চে আমাকে দাঁড়াতে হয়। এটা আমার জন্য যেমন
বেদনার, তেমনি দুশ্চিন্তারও বটে। কারণ নিশাত আপা ছিলেন মঞ্চে অতুলনীয়, অসাধারণ, অনবদ্য।
সেই তুলনায় আমি কিছুই না। তারপরও আমি আমার অবস্থান থেকে চেষ্টা করছি। বাকিটা আসলে দর্শকই
ভালো বলতে পারবেন।’
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের
নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ থেকে গবেষণা করে ২০২৪ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন নাজনীন
চুমকি। বিভাগের অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ খানের তত্ত্বাবধানে তিনি গবেষণাটি সম্পন্ন
করেন। তাঁর অভিসন্দর্ভের বিষয় ছিল ‘বাংলাদেশের শিশু থিয়েটার চর্চা’।
নাটকের মানুষ হলেও
বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন নাজনীন চুমকি। ২০০৬ সালে ‘ঘানি’ চলচ্চিত্রে
অভিনয়ের জন্য অর্জন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে
রয়েছে ‘লালন’, ‘একই বৃত্তে’, ‘পুতুল কথা’ ও ‘রাত জাগা ফুল’।

আপনার মতামত লিখুন