ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় শ্রী শ্রী রাধামাধব আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দিরে চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার, রুপার চেইন এবং পিতল ও তামার বিভিন্ন প্রতিমা ও সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরও একজন পলাতক রয়েছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আখাউড়া বড় বাজার এলাকার লাল মিয়ার ছেলে জারু মিয়া ওরফে আকবর হোসেন (৩০) এবং মালদারপাড়া এলাকার নজরুল মালদারের ছেলে আকাশ মালদার ওরফে হাসিব (২৮)। পলাতক ব্যক্তির নাম তাজুল ইসলাম (৬২)। তিনি চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে আখাউড়ার মসজিদপাড়ায় ভাড়া থাকেন।
পুলিশ জানায়, গত রোববার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টা থেকে সোমবার সকাল ৭টার মধ্যে যেকোনো সময় আখাউড়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রাধানগর এলাকার শ্রী শ্রী রাধামাধব আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দিরে এই চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আখড়া কমিটির সভাপতি দীপক কুমার ঘোষ বাদী হয়ে আখাউড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর পুলিশ একাধিক দল গঠন করে তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে জারু মিয়াকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং আকাশ মালদারের নাম প্রকাশ করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আকাশকেও আটক করে।
গ্রেপ্তার জারু মিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়ি থেকে দুই আনা ওজনের এক জোড়া স্বর্ণের কানের দুল, চারটি ইমিটেশনের মুকুট, দুটি বাঁশি, একটি চাঁদ ও একটি রুপার চেইন উদ্ধার করা হয়।
পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক তাজুল ইসলামের আখাউড়ার মসজিদপাড়ার ভাঙারির দোকানে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে রাধারানির একটি বড় পিতলের মূর্তি, গৌর-নিতাইয়ের দুটি পিতলের মূর্তি, গোপালের একটি ছোট পিতলের মূর্তি, একটি পিতলের কাঁসি, একটি পিতলের গাছা, একটি পঞ্চপ্রদীপ, তিন জোড়া পিতলের করতাল, একটি তামার বাটি, ছোট-বড় দুটি তামার কোসাকুসি, একটি পিতলের প্রদীপদানি ও শঙ্খ রাখার পিতলের স্ট্যান্ড উদ্ধার করা হয়।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, চুরি যাওয়া প্রতিমা ও মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। পলাতক অপর আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় শ্রী শ্রী রাধামাধব আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দিরে চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার, রুপার চেইন এবং পিতল ও তামার বিভিন্ন প্রতিমা ও সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরও একজন পলাতক রয়েছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আখাউড়া বড় বাজার এলাকার লাল মিয়ার ছেলে জারু মিয়া ওরফে আকবর হোসেন (৩০) এবং মালদারপাড়া এলাকার নজরুল মালদারের ছেলে আকাশ মালদার ওরফে হাসিব (২৮)। পলাতক ব্যক্তির নাম তাজুল ইসলাম (৬২)। তিনি চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে আখাউড়ার মসজিদপাড়ায় ভাড়া থাকেন।
পুলিশ জানায়, গত রোববার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টা থেকে সোমবার সকাল ৭টার মধ্যে যেকোনো সময় আখাউড়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রাধানগর এলাকার শ্রী শ্রী রাধামাধব আখড়া কেন্দ্রীয় মন্দিরে এই চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আখড়া কমিটির সভাপতি দীপক কুমার ঘোষ বাদী হয়ে আখাউড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর পুলিশ একাধিক দল গঠন করে তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে জারু মিয়াকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং আকাশ মালদারের নাম প্রকাশ করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আকাশকেও আটক করে।
গ্রেপ্তার জারু মিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়ি থেকে দুই আনা ওজনের এক জোড়া স্বর্ণের কানের দুল, চারটি ইমিটেশনের মুকুট, দুটি বাঁশি, একটি চাঁদ ও একটি রুপার চেইন উদ্ধার করা হয়।
পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পলাতক তাজুল ইসলামের আখাউড়ার মসজিদপাড়ার ভাঙারির দোকানে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে রাধারানির একটি বড় পিতলের মূর্তি, গৌর-নিতাইয়ের দুটি পিতলের মূর্তি, গোপালের একটি ছোট পিতলের মূর্তি, একটি পিতলের কাঁসি, একটি পিতলের গাছা, একটি পঞ্চপ্রদীপ, তিন জোড়া পিতলের করতাল, একটি তামার বাটি, ছোট-বড় দুটি তামার কোসাকুসি, একটি পিতলের প্রদীপদানি ও শঙ্খ রাখার পিতলের স্ট্যান্ড উদ্ধার করা হয়।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, চুরি যাওয়া প্রতিমা ও মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। পলাতক অপর আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন