শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে বরিশাল নগরীর মণ্ডপগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। অধিকাংশ মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন চলছে প্যান্ডেলের সাজসজ্জা, আলোকসজ্জা এবং ধোয়া-মোছার কাজ। ঢাক-ঢোলের বোল আর রঙিন আলোর ঝলকানিতে পুরো নগরীতে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
বরিশাল মহানগর পূজা উদযাপিত পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর নগরীর ৪৫টির বেশি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। বেশিরভাগ মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষের পথে।
নগরীর কালীবাজার এলাকার শীতলা মাতা মন্দিরের প্রতিমাশিল্পী রঞ্জিত পাল জানান, তারা গত ১৫ দিন ধরে দিনরাত কাজ করছেন। প্রতিমার প্রায় ৯৯ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। এখন শুধু চোখের কাজ এবং ধোয়া-মোছার প্রস্তুতি চলছে।
কাউনিয়া ব্রাঞ্চ রোড পূজামণ্ডপ কমিটির সভাপতি জানান, তাদের মণ্ডপের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। এখন শেষ মুহূর্তের আলোকসজ্জা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। প্রশাসন থেকে সব ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে নগরীর অন্যতম প্রধান মন্দির শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দিরেও চলছে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা। মন্দির কমিটির সভাপতি বিশ্বজিৎ ঘোষ বিশু জানান, তাদের মন্দিরে প্রতিমার রঙ ও আলোকসজ্জার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ১৫ অক্টোবর (পঞ্চমীর দিন) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় জনসাধারণের জন্য মন্দিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন রাখাল চন্দ্র দে। তিনি আরও জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বরিশাল মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জানান, নগরীর সব মণ্ডপে ৯৯ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এখন শুধু ধোয়া-মোছা ও সাজসজ্জার বাকি কাজ চলছে। সবাই মিলে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদযাপন করতে পারবেন বলে তাঁরা আশা করছেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে নগরীর প্রতিটি মণ্ডপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে বরিশাল নগরীর মণ্ডপগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। অধিকাংশ মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন চলছে প্যান্ডেলের সাজসজ্জা, আলোকসজ্জা এবং ধোয়া-মোছার কাজ। ঢাক-ঢোলের বোল আর রঙিন আলোর ঝলকানিতে পুরো নগরীতে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
বরিশাল মহানগর পূজা উদযাপিত পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর নগরীর ৪৫টির বেশি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। বেশিরভাগ মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষের পথে।
নগরীর কালীবাজার এলাকার শীতলা মাতা মন্দিরের প্রতিমাশিল্পী রঞ্জিত পাল জানান, তারা গত ১৫ দিন ধরে দিনরাত কাজ করছেন। প্রতিমার প্রায় ৯৯ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। এখন শুধু চোখের কাজ এবং ধোয়া-মোছার প্রস্তুতি চলছে।
কাউনিয়া ব্রাঞ্চ রোড পূজামণ্ডপ কমিটির সভাপতি জানান, তাদের মণ্ডপের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। এখন শেষ মুহূর্তের আলোকসজ্জা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। প্রশাসন থেকে সব ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে নগরীর অন্যতম প্রধান মন্দির শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দিরেও চলছে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা। মন্দির কমিটির সভাপতি বিশ্বজিৎ ঘোষ বিশু জানান, তাদের মন্দিরে প্রতিমার রঙ ও আলোকসজ্জার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ১৫ অক্টোবর (পঞ্চমীর দিন) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় জনসাধারণের জন্য মন্দিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন রাখাল চন্দ্র দে। তিনি আরও জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বরিশাল মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জানান, নগরীর সব মণ্ডপে ৯৯ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এখন শুধু ধোয়া-মোছা ও সাজসজ্জার বাকি কাজ চলছে। সবাই মিলে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদযাপন করতে পারবেন বলে তাঁরা আশা করছেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে নগরীর প্রতিটি মণ্ডপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন