শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে উৎসবের রঙে সাজছে উত্তরের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়। দেবী দুর্গার আগমন উপলক্ষে পাঁচটি উপজেলাজুড়ে চলছে শেষ মুহূর্তের আয়োজন। কোথাও প্রতিমায় শেষ মুহূর্তের তুলির আঁচড় পড়ছে, আবার কোথাও চলছে মণ্ডপের বর্ণিল সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জা। অন্যদিকে, দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ও নজরদারির উদ্যোগ নিয়েছে জেলা ও পুলিশ প্রশাসন।
এবার পঞ্চগড় জেলার পাঁচ উপজেলায় মোট ৩০১টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হতে যাচ্ছে। উৎসবের সার্বিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ইতিমধ্যে প্রস্তুতিমূলক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলাজুড়ে মৃৎশিল্পীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় পূর্ণতা পেয়েছে দেবী দুর্গাসহ অন্যান্য প্রতিমা। পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই মণ্ডপগুলোকে দৃষ্টিনন্দন করে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন আয়োজকেরা।
উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যেন নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সে জন্য মণ্ডপগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপার (এসপি) দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় তদারকি চালিয়ে যাচ্ছেন।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, মহালয়ার মধ্য দিয়ে ইতিমধ্যে দেবীপক্ষ শুরু হয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে মহাষষ্ঠী, মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী ও মহানবমীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে এ উৎসবের। সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রত্যাশা করছেন জেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে উৎসবের রঙে সাজছে উত্তরের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়। দেবী দুর্গার আগমন উপলক্ষে পাঁচটি উপজেলাজুড়ে চলছে শেষ মুহূর্তের আয়োজন। কোথাও প্রতিমায় শেষ মুহূর্তের তুলির আঁচড় পড়ছে, আবার কোথাও চলছে মণ্ডপের বর্ণিল সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জা। অন্যদিকে, দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ও নজরদারির উদ্যোগ নিয়েছে জেলা ও পুলিশ প্রশাসন।
এবার পঞ্চগড় জেলার পাঁচ উপজেলায় মোট ৩০১টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হতে যাচ্ছে। উৎসবের সার্বিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ইতিমধ্যে প্রস্তুতিমূলক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলাজুড়ে মৃৎশিল্পীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় পূর্ণতা পেয়েছে দেবী দুর্গাসহ অন্যান্য প্রতিমা। পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই মণ্ডপগুলোকে দৃষ্টিনন্দন করে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন আয়োজকেরা।
উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যেন নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সে জন্য মণ্ডপগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপার (এসপি) দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় তদারকি চালিয়ে যাচ্ছেন।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, মহালয়ার মধ্য দিয়ে ইতিমধ্যে দেবীপক্ষ শুরু হয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে মহাষষ্ঠী, মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী ও মহানবমীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে এ উৎসবের। সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রত্যাশা করছেন জেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

আপনার মতামত লিখুন