সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে যশোরের সীমান্তবর্তী শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পোর্ট থানা এলাকার মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দিন-রাত কাজ করছেন মৃৎশিল্পীরা। বাঁশ, কাঠ, খড় ও মাটি দিয়ে দেবী দুর্গাসহ অন্যান্য প্রতিমার অবয়ব তৈরির কাজ শেষে এখন চলছে সাজসজ্জা ও রঙের কাজ।
উপজেলা ও পোর্ট থানা এলাকা মিলিয়ে এবার মোট ৩২টি পূজামণ্ডপে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে বেনাপোল পোর্ট থানা এলাকায় ৮টি এবং শার্শা থানা এলাকায় ২৪টি মণ্ডপ রয়েছে।
বিভিন্ন মণ্ডপ ও প্রতিমাশিল্পীদের কর্মশালা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিমার প্রাথমিক কাঠামো তৈরির পর মাটি দিয়ে অবয়ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে কিছুদিন মাটি শুকাতে সমস্যা হলেও এখন রোদ থাকায় দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে কাজ। তবে কাঁচামালের দাম বাড়ায় লাভ কমে গেছে বলে জানান শিল্পীরা। বাসুদেব ভাস্কর নামে এক প্রতিমা শিল্পী বলেন, ‘বাঁশ, কাঠ, সুতলি ও এঁটেল মাটির দাম অনেক বেড়েছে। ৪০ হাজার টাকার একটি প্রতিমা তৈরিতেই ৩০ হাজার টাকার বেশি খরচ হয়ে যায়।’
পূজা উদযাপনের দিনপঞ্জি অনুযায়ী, গত ১০ অক্টোবর শুভ মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হয়েছে। আগামী ১৭ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে মূল পূজা শুরু হয়ে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনের এই উৎসব শেষ হবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ জানান, প্রতিটি পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমন্বয় সভা করা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার পাশাপাশি সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন তৎপর রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে যশোরের সীমান্তবর্তী শার্শা উপজেলা ও বেনাপোল পোর্ট থানা এলাকার মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দিন-রাত কাজ করছেন মৃৎশিল্পীরা। বাঁশ, কাঠ, খড় ও মাটি দিয়ে দেবী দুর্গাসহ অন্যান্য প্রতিমার অবয়ব তৈরির কাজ শেষে এখন চলছে সাজসজ্জা ও রঙের কাজ।
উপজেলা ও পোর্ট থানা এলাকা মিলিয়ে এবার মোট ৩২টি পূজামণ্ডপে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে বেনাপোল পোর্ট থানা এলাকায় ৮টি এবং শার্শা থানা এলাকায় ২৪টি মণ্ডপ রয়েছে।
বিভিন্ন মণ্ডপ ও প্রতিমাশিল্পীদের কর্মশালা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিমার প্রাথমিক কাঠামো তৈরির পর মাটি দিয়ে অবয়ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে কিছুদিন মাটি শুকাতে সমস্যা হলেও এখন রোদ থাকায় দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে কাজ। তবে কাঁচামালের দাম বাড়ায় লাভ কমে গেছে বলে জানান শিল্পীরা। বাসুদেব ভাস্কর নামে এক প্রতিমা শিল্পী বলেন, ‘বাঁশ, কাঠ, সুতলি ও এঁটেল মাটির দাম অনেক বেড়েছে। ৪০ হাজার টাকার একটি প্রতিমা তৈরিতেই ৩০ হাজার টাকার বেশি খরচ হয়ে যায়।’
পূজা উদযাপনের দিনপঞ্জি অনুযায়ী, গত ১০ অক্টোবর শুভ মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হয়েছে। আগামী ১৭ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে মূল পূজা শুরু হয়ে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনের এই উৎসব শেষ হবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ জানান, প্রতিটি পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমন্বয় সভা করা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তার পাশাপাশি সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন তৎপর রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন