বাংলাদেশের তরুণদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ভারতের জেন-জি প্রজন্ম গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের পক্ষে লড়াই করছে-ভারতের ছাত্রনেত্রী নেহা বোরার এমন একটি ভিডিও বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) অভিযোগ করেছে, নেহা বোরার এই বক্তব্যের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ও তার সহযোগীরা সরকার পতনের চেষ্টা করছেন। তারা গণতান্ত্রিক উপায়ের পরিবর্তে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন করতে চাইছেন। অন্যদিকে, এই অভিযোগের জবাবে বিরোধী দল কংগ্রেস জানিয়েছে, তরুণদের কণ্ঠস্বর ও আন্দোলন দমানোর জন্য বিজেপি কৃত্রিমভাবে গণতন্ত্রের ধুয়ো তুলছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিজেপির মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারি নেহার ভিডিওটি প্রকাশ করে বলেন, ‘রাহুল গান্ধীর পোস্টার গার্ল নেহা বোরা বলেছেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের (ভোটাধিকারের) পথ দেখিয়েছে’। এটি সরকার পরিবর্তনের প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি। রাহুল গান্ধী ও তার সহযোগীরা ভারতের গণতন্ত্রের জন্য হুমকি।’
পৃথক এক পোস্টে তিনি আরও অভিযোগ করেন, কংগ্রেস নেতারা বাংলাদেশের আদলে ভারতে সরকার পরিবর্তন করতে চান এবং রাহুল গান্ধীর সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া কেবল কোনো সাধারণ রাজনৈতিক বিষয় নয়।
বিজেপির এসব বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কংগ্রেস নেতা রশিদ আলভি বলেছেন, বিজেপি মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও মূলত কংগ্রেসই প্রকৃত গণতন্ত্রের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘বিজেপি সেই গণতন্ত্রের কথা বলছে, যার জন্য আমরা লড়াই করছি। পুরো দেশ এই গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছে। কেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চাওয়া হচ্ছে? কারণ তিনি ভারতের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, বিজেপি গণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে কখনোই তরুণদের আওয়াজ রুদ্ধ করতে পারবে না। তাদের আন্দোলন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং তারা কখনোই আইন নিজ হাতে তুলে নেওয়াকে সমর্থন করেন না। ভারতে সরকার পরিবর্তনের যেকোনো প্রক্রিয়া কেবল গণতান্ত্রিক পথেই হবে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশের তরুণদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ভারতের জেন-জি প্রজন্ম গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের পক্ষে লড়াই করছে-ভারতের ছাত্রনেত্রী নেহা বোরার এমন একটি ভিডিও বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) অভিযোগ করেছে, নেহা বোরার এই বক্তব্যের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ও তার সহযোগীরা সরকার পতনের চেষ্টা করছেন। তারা গণতান্ত্রিক উপায়ের পরিবর্তে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন করতে চাইছেন। অন্যদিকে, এই অভিযোগের জবাবে বিরোধী দল কংগ্রেস জানিয়েছে, তরুণদের কণ্ঠস্বর ও আন্দোলন দমানোর জন্য বিজেপি কৃত্রিমভাবে গণতন্ত্রের ধুয়ো তুলছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিজেপির মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারি নেহার ভিডিওটি প্রকাশ করে বলেন, ‘রাহুল গান্ধীর পোস্টার গার্ল নেহা বোরা বলেছেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের (ভোটাধিকারের) পথ দেখিয়েছে’। এটি সরকার পরিবর্তনের প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি। রাহুল গান্ধী ও তার সহযোগীরা ভারতের গণতন্ত্রের জন্য হুমকি।’
পৃথক এক পোস্টে তিনি আরও অভিযোগ করেন, কংগ্রেস নেতারা বাংলাদেশের আদলে ভারতে সরকার পরিবর্তন করতে চান এবং রাহুল গান্ধীর সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া কেবল কোনো সাধারণ রাজনৈতিক বিষয় নয়।
বিজেপির এসব বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কংগ্রেস নেতা রশিদ আলভি বলেছেন, বিজেপি মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও মূলত কংগ্রেসই প্রকৃত গণতন্ত্রের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘বিজেপি সেই গণতন্ত্রের কথা বলছে, যার জন্য আমরা লড়াই করছি। পুরো দেশ এই গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছে। কেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চাওয়া হচ্ছে? কারণ তিনি ভারতের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, বিজেপি গণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে কখনোই তরুণদের আওয়াজ রুদ্ধ করতে পারবে না। তাদের আন্দোলন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং তারা কখনোই আইন নিজ হাতে তুলে নেওয়াকে সমর্থন করেন না। ভারতে সরকার পরিবর্তনের যেকোনো প্রক্রিয়া কেবল গণতান্ত্রিক পথেই হবে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আপনার মতামত লিখুন