পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরঙ্গ নদীতে মাছ ধরার অপরাধে ১২ জেলেকে ১০ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে অভিযানকালে জব্দ করা প্রায় ৫০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাত ১০টা থেকে সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত রাঙ্গাবালী উপজেলার তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরঙ্গ নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এ যৌথ অভিযান চালানো হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হাসানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা মৎস্য দপ্তরের মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে মৎস্য দপ্তর ও কোস্ট গার্ডের (বিসিজি আউটপোস্ট রাঙ্গাবালী) একটি যৌথ দল অভিযানে অংশ নেয়।
অভিযানকালে নদী থেকে মাছ ধরা অবস্থায় ১২ জন জেলেকে হাতেনাতে আটক করা হয়। একই সঙ্গে তাদের ব্যবহৃত আনুমানিক ৫০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা। পরবর্তীতে জব্দ করা জাল প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
অভিযান শেষে আটক ১২ জেলেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হাসানের সামনে হাজির করা হলে তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের প্রত্যেককে ১০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নির্দেশ বাস্তবায়নে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রজনন সুরক্ষায় নদী ও সাগরে অবৈধ মৎস্য শিকার বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরঙ্গ নদীতে মাছ ধরার অপরাধে ১২ জেলেকে ১০ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে অভিযানকালে জব্দ করা প্রায় ৫০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাত ১০টা থেকে সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত রাঙ্গাবালী উপজেলার তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরঙ্গ নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এ যৌথ অভিযান চালানো হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হাসানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা মৎস্য দপ্তরের মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে মৎস্য দপ্তর ও কোস্ট গার্ডের (বিসিজি আউটপোস্ট রাঙ্গাবালী) একটি যৌথ দল অভিযানে অংশ নেয়।
অভিযানকালে নদী থেকে মাছ ধরা অবস্থায় ১২ জন জেলেকে হাতেনাতে আটক করা হয়। একই সঙ্গে তাদের ব্যবহৃত আনুমানিক ৫০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা। পরবর্তীতে জব্দ করা জাল প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
অভিযান শেষে আটক ১২ জেলেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুল হাসানের সামনে হাজির করা হলে তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের প্রত্যেককে ১০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নির্দেশ বাস্তবায়নে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রজনন সুরক্ষায় নদী ও সাগরে অবৈধ মৎস্য শিকার বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন