প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও ছাড়াই দেশের পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির দুয়ার খুলে দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এতদিন কেবল রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোর সরাসরি তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকলেও এবার নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বেসরকারি ও বিদেশি কোম্পানিগুলোর জন্যও এই সুযোগ তৈরি হলো।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) রোববার (১৮ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) এক দাপ্তরিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
নতুন আদেশ অনুযায়ী, সরাসরি তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবে—পুরো সরকারি মালিকানাধীন বা সরকারের অন্তত ৫১ শতাংশ মালিকানাধীন কোম্পানি। যে কোম্পানিতে সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মালিকানা রয়েছে এবং কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের অন্তত ১০ শতাংশ তাদের হাতে রয়েছে।
সম্পূর্ণ বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানি বা বিদেশিদের অন্তত ৫১ শতাংশ মালিকানাধীন কোম্পানি। সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী অন্তত ৫০০ কোটি টাকা নিট সম্পদমূল্যের তফসিলি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা বিমা কোম্পানি।
বছরে অন্তত ১ হাজার কোটি টাকা টার্নওভার রয়েছে—এমন কোম্পানি। কমিশনে নিবন্ধিত স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিপোজিটরি বা ক্লিয়ারিং ও সেটেলমেন্ট কোম্পানি। এছাড়াও কমিশন ঘোষিত যোগ্য কোম্পানি।
২০০৬ সালে সরাসরি তালিকাভুক্তির এই পদ্ধতি চালুর পর থেকে এখন পর্যন্ত শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত ও পাঁচটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলো হলো— ডেসকো, পাওয়ার গ্রিড, যমুনা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও তিতাস গ্যাস।
আর বেসরকারি কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে— শাইনপুকুর সিরামিকস, এসিআই ফর্মুলেশনস, নাভানা সিএনজি, ওশান কনটেইনার্স ও খুলনা পাওয়ার কোম্পানি। তবে এরও আগে ২০০৩ সালে বিশেষ বিবেচনায় বহুজাতিক কোম্পানি লাফার্জ সিমেন্টকে সরাসরি তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই প্রজ্ঞাপনের ফলে বড় ও শক্তিশালী কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে আসার আগ্রহ দেখাবে। এর ফলে বাজারে তারল্য বাড়বে এবং বিনিয়োগকারীরা ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানিতে বিনিয়োগের সুযোগ পাবেন।
তবে সঠিক মূল্যায়ন এবং কঠোর নিয়ন্ত্রণ ছাড়া বড় কোম্পানিগুলোকে আনার ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও ছাড়াই দেশের পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির দুয়ার খুলে দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এতদিন কেবল রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলোর সরাসরি তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকলেও এবার নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বেসরকারি ও বিদেশি কোম্পানিগুলোর জন্যও এই সুযোগ তৈরি হলো।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) রোববার (১৮ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) এক দাপ্তরিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
নতুন আদেশ অনুযায়ী, সরাসরি তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবে—পুরো সরকারি মালিকানাধীন বা সরকারের অন্তত ৫১ শতাংশ মালিকানাধীন কোম্পানি। যে কোম্পানিতে সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মালিকানা রয়েছে এবং কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের অন্তত ১০ শতাংশ তাদের হাতে রয়েছে।
সম্পূর্ণ বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানি বা বিদেশিদের অন্তত ৫১ শতাংশ মালিকানাধীন কোম্পানি। সর্বশেষ নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী অন্তত ৫০০ কোটি টাকা নিট সম্পদমূল্যের তফসিলি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা বিমা কোম্পানি।
বছরে অন্তত ১ হাজার কোটি টাকা টার্নওভার রয়েছে—এমন কোম্পানি। কমিশনে নিবন্ধিত স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিপোজিটরি বা ক্লিয়ারিং ও সেটেলমেন্ট কোম্পানি। এছাড়াও কমিশন ঘোষিত যোগ্য কোম্পানি।
২০০৬ সালে সরাসরি তালিকাভুক্তির এই পদ্ধতি চালুর পর থেকে এখন পর্যন্ত শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত ও পাঁচটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলো হলো— ডেসকো, পাওয়ার গ্রিড, যমুনা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও তিতাস গ্যাস।
আর বেসরকারি কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে— শাইনপুকুর সিরামিকস, এসিআই ফর্মুলেশনস, নাভানা সিএনজি, ওশান কনটেইনার্স ও খুলনা পাওয়ার কোম্পানি। তবে এরও আগে ২০০৩ সালে বিশেষ বিবেচনায় বহুজাতিক কোম্পানি লাফার্জ সিমেন্টকে সরাসরি তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল।
পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই প্রজ্ঞাপনের ফলে বড় ও শক্তিশালী কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে আসার আগ্রহ দেখাবে। এর ফলে বাজারে তারল্য বাড়বে এবং বিনিয়োগকারীরা ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানিতে বিনিয়োগের সুযোগ পাবেন।
তবে সঠিক মূল্যায়ন এবং কঠোর নিয়ন্ত্রণ ছাড়া বড় কোম্পানিগুলোকে আনার ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

আপনার মতামত লিখুন