গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সংক্রান্ত খবরকে সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তা।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।
প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা জানান, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিমন্ত্রীকে ‘পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে’ বলে যে সংবাদটি প্রচারিত হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি এবং তার পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। একটি মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল ও জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে এই ধরনের কাল্পনিক তথ্য ছড়াচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিমন্ত্রী তার সরকারি ও রাজনৈতিক দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে পালন করে যাচ্ছেন। গতকাল (শনিবার) নিজ সংসদীয় আসনে মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কেবল আত্মরক্ষার্থে আইনসম্মতভাবে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনাটি ঘটেছিল, যা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী ইতিপূর্বেই তার অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার পদত্যাগ সংক্রান্ত কোনো খবর ছড়ানো সম্পূর্ণ বেআইনি ও সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী।
সংশ্লিষ্ট সব গণমাধ্যম ও দেশবাসীকে এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে যে সব মাধ্যম এই বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ করেছে, তাদেরকে তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করে সঠিক তথ্য তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
এর আগে শনিবার বিকেলে রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে উপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও তার নিজের ফেসবুক পেজ থেকেই ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে তাকে গাড়ি থেকে নেমে পিস্তল উঁচিয়ে ‘ধর ধর ধর’ বলে চিৎকার করতে শোনা যায়। এ সময় তার সহযোগীদের কেউ কেউ ‘একেবারে গুলি করে দেব’ বলতেও শোনা যায়। বেসামরিক ব্যক্তির হাতে অস্ত্র নিয়ে এ ধরনের অভিযানে নামা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে।
এর জেরে রোববার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তাকে ডেকে পাঠিয়ে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছিল। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত খবর অস্বীকার করে পাল্টা বিবৃতি দেওয়া হলো।
এর আগে ইশরাক হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেছিলেন, মাদক কারবারিদের হামলার আশঙ্কায় আত্মরক্ষার জন্যই তিনি ও তার নিরাপত্তারক্ষীরা অল্প সময়ের জন্য বৈধ অস্ত্রটি উঁচিয়ে ধরেছিলেন। তবে ঘটনার আগে পুলিশকে জানানো হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে। বর্তমানে ঘটনাটি তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সংক্রান্ত খবরকে সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তা।
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।
প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা জানান, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিমন্ত্রীকে ‘পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে’ বলে যে সংবাদটি প্রচারিত হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি এবং তার পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। একটি মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল ও জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে এই ধরনের কাল্পনিক তথ্য ছড়াচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিমন্ত্রী তার সরকারি ও রাজনৈতিক দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে পালন করে যাচ্ছেন। গতকাল (শনিবার) নিজ সংসদীয় আসনে মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কেবল আত্মরক্ষার্থে আইনসম্মতভাবে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনাটি ঘটেছিল, যা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী ইতিপূর্বেই তার অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার পদত্যাগ সংক্রান্ত কোনো খবর ছড়ানো সম্পূর্ণ বেআইনি ও সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী।
সংশ্লিষ্ট সব গণমাধ্যম ও দেশবাসীকে এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে যে সব মাধ্যম এই বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ করেছে, তাদেরকে তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করে সঠিক তথ্য তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
এর আগে শনিবার বিকেলে রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে উপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও তার নিজের ফেসবুক পেজ থেকেই ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে তাকে গাড়ি থেকে নেমে পিস্তল উঁচিয়ে ‘ধর ধর ধর’ বলে চিৎকার করতে শোনা যায়। এ সময় তার সহযোগীদের কেউ কেউ ‘একেবারে গুলি করে দেব’ বলতেও শোনা যায়। বেসামরিক ব্যক্তির হাতে অস্ত্র নিয়ে এ ধরনের অভিযানে নামা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে।
এর জেরে রোববার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তাকে ডেকে পাঠিয়ে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছিল। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত খবর অস্বীকার করে পাল্টা বিবৃতি দেওয়া হলো।
এর আগে ইশরাক হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেছিলেন, মাদক কারবারিদের হামলার আশঙ্কায় আত্মরক্ষার জন্যই তিনি ও তার নিরাপত্তারক্ষীরা অল্প সময়ের জন্য বৈধ অস্ত্রটি উঁচিয়ে ধরেছিলেন। তবে ঘটনার আগে পুলিশকে জানানো হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে। বর্তমানে ঘটনাটি তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

আপনার মতামত লিখুন