হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় জমিতে সেচ কাজ করতে গিয়ে বিষধর সাপের কামড়ে মো. তোফাজ্জল মিয়া (২২) নামের এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসায় অবহেলা ও দেরির কারণে তরুণ এই প্রাণহানির ঘটনায় পরিবার ও পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার করাব গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত তোফাজ্জল করাব গ্রামের (নয়া বাড়ি) মো. সোনাই মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঘটনার রাতে তোফাজ্জল নিজ বাড়ির পাশের হাওরে জমিতে পানি সেচ দিতে যান। সেখানে কাজ করার সময় একটি বিষধর সাপ তাকে দংশন করে। তবে রাতের অন্ধকারে কাজ করায় তিনি প্রথমে বিষয়টি পুরোপুরি বুঝতে পারেননি।
বাড়ি ফেরার পর তোফাজ্জল তীব্র অসুস্থতা অনুভব করতে থাকেন। সাপের দংশনের বিষয়টি টের না পাওয়ায় পরিবারের লোকজন এক পল্লিচিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। ওই চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে প্রাথমিক অবস্থায় ‘নাপা’ ও ‘প্যারাসিটামল’ জাতীয় ওষুধ সেবন করানো হয়।
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরবর্তীতে বিষক্রিয়ার উপসর্গ দেখে তার মা বুঝতে পারেন যে তাকে সাপে কেটেছে। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দ্রুত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর (রেফার) করেন। কিন্তু সিলেটে নেওয়ার পথেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তোফাজ্জল। লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় জমিতে সেচ কাজ করতে গিয়ে বিষধর সাপের কামড়ে মো. তোফাজ্জল মিয়া (২২) নামের এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসায় অবহেলা ও দেরির কারণে তরুণ এই প্রাণহানির ঘটনায় পরিবার ও পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার করাব গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত তোফাজ্জল করাব গ্রামের (নয়া বাড়ি) মো. সোনাই মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঘটনার রাতে তোফাজ্জল নিজ বাড়ির পাশের হাওরে জমিতে পানি সেচ দিতে যান। সেখানে কাজ করার সময় একটি বিষধর সাপ তাকে দংশন করে। তবে রাতের অন্ধকারে কাজ করায় তিনি প্রথমে বিষয়টি পুরোপুরি বুঝতে পারেননি।
বাড়ি ফেরার পর তোফাজ্জল তীব্র অসুস্থতা অনুভব করতে থাকেন। সাপের দংশনের বিষয়টি টের না পাওয়ায় পরিবারের লোকজন এক পল্লিচিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। ওই চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে প্রাথমিক অবস্থায় ‘নাপা’ ও ‘প্যারাসিটামল’ জাতীয় ওষুধ সেবন করানো হয়।
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরবর্তীতে বিষক্রিয়ার উপসর্গ দেখে তার মা বুঝতে পারেন যে তাকে সাপে কেটেছে। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দ্রুত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর (রেফার) করেন। কিন্তু সিলেটে নেওয়ার পথেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তোফাজ্জল। লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন