পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের ‘বি-২’ ধাপের ফিজিক্স টেস্টসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এসব পরীক্ষার বিস্তারিত প্রতিবেদন ইতিমধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। নিয়ন্ত্রণ সংস্থার চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর (পাওয়ার স্টার্টআপ) উদ্দেশ্যে ইউনিটটি সরাসরি ‘সি’ পর্যায় বা পাওয়ার স্টার্টআপের ধাপে প্রবেশ করবে।
প্রকল্পের শীর্ষ সূত্র ও রোসাটম সূত্রে জানা গেছে, সব অনুমোদন সময়মতো পাওয়া গেলে ২৫ অক্টোবরের দিকেই বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হতে পারে। সম্প্রতি রোসাটমের প্রথম উপমহাপরিচালক আন্দ্রেই পেত্রোভের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের রুশ প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করে এবং গতকাল ঢাকায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকীর মাহবুব আনামের সঙ্গে বৈঠক করে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণকাজের এই অগ্রগতির বিষয়ে বিস্তারিত অবহিত করে।
নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহেদুল হাসান জানান, বি-২ ধাপের ফিজিক্স টেস্ট সফলভাবে সম্পন্ন করার পর সব প্রতিবেদন বায়েরার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন পাওয়ার পরপরই সি স্টেজে প্রবেশ করবে প্রথম ইউনিট। প্রাথমিক পর্যায়ে সীমিত পরিসরে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে এবং ধাপে ধাপে তা বাড়ানো হবে।
প্রকল্প কর্মকর্তারা আশা করছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশে পৌঁছালেই তা সরাসরি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। সব ধাপে সাফল্য আসলে চলতি বছরের শেষ দিকে রূপপুর থেকে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের ‘বি-২’ ধাপের ফিজিক্স টেস্টসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এসব পরীক্ষার বিস্তারিত প্রতিবেদন ইতিমধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। নিয়ন্ত্রণ সংস্থার চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর (পাওয়ার স্টার্টআপ) উদ্দেশ্যে ইউনিটটি সরাসরি ‘সি’ পর্যায় বা পাওয়ার স্টার্টআপের ধাপে প্রবেশ করবে।
প্রকল্পের শীর্ষ সূত্র ও রোসাটম সূত্রে জানা গেছে, সব অনুমোদন সময়মতো পাওয়া গেলে ২৫ অক্টোবরের দিকেই বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হতে পারে। সম্প্রতি রোসাটমের প্রথম উপমহাপরিচালক আন্দ্রেই পেত্রোভের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের রুশ প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করে এবং গতকাল ঢাকায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকীর মাহবুব আনামের সঙ্গে বৈঠক করে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণকাজের এই অগ্রগতির বিষয়ে বিস্তারিত অবহিত করে।
নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহেদুল হাসান জানান, বি-২ ধাপের ফিজিক্স টেস্ট সফলভাবে সম্পন্ন করার পর সব প্রতিবেদন বায়েরার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন পাওয়ার পরপরই সি স্টেজে প্রবেশ করবে প্রথম ইউনিট। প্রাথমিক পর্যায়ে সীমিত পরিসরে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে এবং ধাপে ধাপে তা বাড়ানো হবে।
প্রকল্প কর্মকর্তারা আশা করছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশে পৌঁছালেই তা সরাসরি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। সব ধাপে সাফল্য আসলে চলতি বছরের শেষ দিকে রূপপুর থেকে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন