ফেনীতে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১২ শ’ ছাড়িয়েছে। জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১ হাজার ২২৬ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণের বেশি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে সর্বাত্মক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধু চলতি অক্টোবরের ২৪ দিনেই জেলায় ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪৮৩ জন। এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে সর্বোচ্চ ৪৯৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছিল। জেলায় আক্রান্তের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে ফেনী সদর উপজেলা। এ পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া ১ হাজার ২২৬ জনের মধ্যে একাই ৯২১ জন সদর উপজেলার বাসিন্দা। এছাড়া দাগনভূঞায় ৮৩, সোনাগাজীতে ১১৬, ছাগলনাইয়ায় ৬০, পরশুরামে ৩০ এবং ফুলগাজী উপজেলায় ১৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ১৯ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ১৫ জন ফেনী সদর, ৩ জন দাগনভূঞা এবং ১ জন ছাগলনাইয়া উপজেলার।
চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে মোট ৮১৩ জন ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৭৮৩ জন। বর্তমানে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ২৭ জন, দাগনভূঞায় ২ জন এবং ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য বর্তমানে জেলায় মোট ৩ হাজার ৫৭৩টি টেস্ট কিট মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. মো. আরিফুজ্জামান বলেন, “বর্তমানে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। আতঙ্কিত না হয়ে সাধারণ মানুষকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। সামান্য জ্বর এলেও অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে।” তিনি আরও জানান, বাসাবাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রেখে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করাই ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। হাসপাতালে রোগীদের সুচিকিৎসায় পর্যাপ্ত ওষুধ ও কিটের ব্যবস্থা রয়েছে।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
ফেনীতে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১২ শ’ ছাড়িয়েছে। জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১ হাজার ২২৬ জনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণের বেশি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে সর্বাত্মক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধু চলতি অক্টোবরের ২৪ দিনেই জেলায় ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪৮৩ জন। এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে সর্বোচ্চ ৪৯৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছিল। জেলায় আক্রান্তের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে ফেনী সদর উপজেলা। এ পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া ১ হাজার ২২৬ জনের মধ্যে একাই ৯২১ জন সদর উপজেলার বাসিন্দা। এছাড়া দাগনভূঞায় ৮৩, সোনাগাজীতে ১১৬, ছাগলনাইয়ায় ৬০, পরশুরামে ৩০ এবং ফুলগাজী উপজেলায় ১৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ১৯ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ১৫ জন ফেনী সদর, ৩ জন দাগনভূঞা এবং ১ জন ছাগলনাইয়া উপজেলার।
চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে মোট ৮১৩ জন ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৭৮৩ জন। বর্তমানে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ২৭ জন, দাগনভূঞায় ২ জন এবং ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য বর্তমানে জেলায় মোট ৩ হাজার ৫৭৩টি টেস্ট কিট মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. মো. আরিফুজ্জামান বলেন, “বর্তমানে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। আতঙ্কিত না হয়ে সাধারণ মানুষকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। সামান্য জ্বর এলেও অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে।” তিনি আরও জানান, বাসাবাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রেখে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করাই ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। হাসপাতালে রোগীদের সুচিকিৎসায় পর্যাপ্ত ওষুধ ও কিটের ব্যবস্থা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন