শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি শেষে টানা আট দিন বন্ধ থাকার পর বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরে আবারও পুরোদমে শুরু হয়েছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। এতে দীর্ঘ ছুটির স্থবিরতা কাটিয়ে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে দেশের বৃহত্তম এই স্থলবন্দরে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল শুরু হয়। এর আগে ১৭ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত শারদীয় দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে এই রুটে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তবে এই সময়েও দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক ছিল।
বেনাপোল কাস্টম হাউজের কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা রোমেন মিত্র জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ছুটির মধ্যেও সীমিত পরিসরে কার্যক্রম চালুর চেষ্টা ছিল। তবে সার্ভার জটিলতার কারণে শনিবার (২৪ অক্টোবর) পুরোপুরি বাণিজ্য শুরু করা যায়নি। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কিছু পচনশীল পণ্য খালাস করা হয়। ওইদিন ভারত থেকে ৬২ ট্রাক ও বাংলাদেশ থেকে ৩৬ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হয়েছিল। রোববার থেকে সব কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে।
বেনাপোল কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি বলেন, টানা ছুটির কারণে সীমান্তের দুই পাশেই তীব্র পণ্যজট তৈরি হয়েছিল। আজ থেকে আমদানি-রপ্তানি শুরু হওয়ায় এবং দুই হাজার হ্যান্ডলিং শ্রমিক কাজে যোগ দেওয়ায় সেই জট দ্রুত কমতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ী, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও কাস্টমস কর্মকর্তারা পণ্য খালাসে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) মো. রুহুল আমিন জানান, ছুটির কারণে যারা দূরে ছিলেন, সেই বন্দর ও কাস্টমসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রুত তাদের আমদানি করা পণ্য খালাস করতে পারেন, সে বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি শেষে টানা আট দিন বন্ধ থাকার পর বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরে আবারও পুরোদমে শুরু হয়েছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। এতে দীর্ঘ ছুটির স্থবিরতা কাটিয়ে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে দেশের বৃহত্তম এই স্থলবন্দরে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল শুরু হয়। এর আগে ১৭ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত শারদীয় দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে এই রুটে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তবে এই সময়েও দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক ছিল।
বেনাপোল কাস্টম হাউজের কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা রোমেন মিত্র জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ছুটির মধ্যেও সীমিত পরিসরে কার্যক্রম চালুর চেষ্টা ছিল। তবে সার্ভার জটিলতার কারণে শনিবার (২৪ অক্টোবর) পুরোপুরি বাণিজ্য শুরু করা যায়নি। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কিছু পচনশীল পণ্য খালাস করা হয়। ওইদিন ভারত থেকে ৬২ ট্রাক ও বাংলাদেশ থেকে ৩৬ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হয়েছিল। রোববার থেকে সব কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে।
বেনাপোল কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি বলেন, টানা ছুটির কারণে সীমান্তের দুই পাশেই তীব্র পণ্যজট তৈরি হয়েছিল। আজ থেকে আমদানি-রপ্তানি শুরু হওয়ায় এবং দুই হাজার হ্যান্ডলিং শ্রমিক কাজে যোগ দেওয়ায় সেই জট দ্রুত কমতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ী, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও কাস্টমস কর্মকর্তারা পণ্য খালাসে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) মো. রুহুল আমিন জানান, ছুটির কারণে যারা দূরে ছিলেন, সেই বন্দর ও কাস্টমসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রুত তাদের আমদানি করা পণ্য খালাস করতে পারেন, সে বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন