দুর্গাপূজার রেশ কাটতে না কাটতেই নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় জমে উঠেছে লক্ষ্মীপূজার আমেজ। ইতোমধ্যে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে তিন থেকে পাঁচ দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এই পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর পলাশে মোট ৭৩টি মণ্ডপে বড় পরিসরে লক্ষ্মীপূজা উদযাপিত হবে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পলাশের ঘোড়াশাল পৌরসভা, জিনারদী, ডাঙ্গা ও চরসিন্দুর ইউনিয়নের প্রতিটি লক্ষ্মী মণ্ডপ সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জায় সেজে উঠেছে, যা দুর্গাপূজার আনন্দের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, ধন, যশ, পবিত্রতা ও সমৃদ্ধির দেবী লক্ষ্মীর কৃপা লাভের আশায় এই পূজার আয়োজন করা হয়। বিশেষ করে হরেক রকমের নাড়ুসহ মিষ্টি জাতীয় খাবার এই পূজার অন্যতম আকর্ষণ।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অসিত দাস ও সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দত্ত জানান, দুর্গা পূজার মতো লক্ষ্মীপূজায়ও শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ এবং পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুনের সঙ্গে সভা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ বছর পলাশ উপজেলায় বড় পরিসরে জিনারদী ইউনিয়নে ২৮টি, ঘোড়াশাল পৌরসভায় ২৬টি, ডাঙ্গা ইউনিয়নে ১১টি এবং চরসিন্দুর ইউনিয়নে ৮টি মণ্ডপে লক্ষ্মীপূজার কাঠামো তোলা হয়েছে। এ ছাড়াও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে প্রতিমা ও চিত্রপটেও ছোট পরিসরে লক্ষ্মীপূজা উদযাপিত হবে।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
দুর্গাপূজার রেশ কাটতে না কাটতেই নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় জমে উঠেছে লক্ষ্মীপূজার আমেজ। ইতোমধ্যে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে তিন থেকে পাঁচ দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এই পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর পলাশে মোট ৭৩টি মণ্ডপে বড় পরিসরে লক্ষ্মীপূজা উদযাপিত হবে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পলাশের ঘোড়াশাল পৌরসভা, জিনারদী, ডাঙ্গা ও চরসিন্দুর ইউনিয়নের প্রতিটি লক্ষ্মী মণ্ডপ সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জায় সেজে উঠেছে, যা দুর্গাপূজার আনন্দের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, ধন, যশ, পবিত্রতা ও সমৃদ্ধির দেবী লক্ষ্মীর কৃপা লাভের আশায় এই পূজার আয়োজন করা হয়। বিশেষ করে হরেক রকমের নাড়ুসহ মিষ্টি জাতীয় খাবার এই পূজার অন্যতম আকর্ষণ।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অসিত দাস ও সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দত্ত জানান, দুর্গা পূজার মতো লক্ষ্মীপূজায়ও শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ এবং পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুনের সঙ্গে সভা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ বছর পলাশ উপজেলায় বড় পরিসরে জিনারদী ইউনিয়নে ২৮টি, ঘোড়াশাল পৌরসভায় ২৬টি, ডাঙ্গা ইউনিয়নে ১১টি এবং চরসিন্দুর ইউনিয়নে ৮টি মণ্ডপে লক্ষ্মীপূজার কাঠামো তোলা হয়েছে। এ ছাড়াও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে প্রতিমা ও চিত্রপটেও ছোট পরিসরে লক্ষ্মীপূজা উদযাপিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন