সংবাদ

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক : বেপরোয়া গতি ও মামলা শিথিলে বাড়ছে দুর্ঘটনা


জেআই জুয়েল, বরিশাল
জেআই জুয়েল, বরিশাল
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৩ পিএম

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক : বেপরোয়া গতি ও মামলা শিথিলে বাড়ছে দুর্ঘটনা
ছবি : সংবাদ

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে গাড়ি চালকদের বেপরোয়া গতিকে দায়ী করছে হাইওয়ে পুলিশ। ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত মহাসড়কে প্রতিদিনের দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন অনেকেই।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচলের সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার থাকার কথা। কিন্তু অধিকাংশ চালক বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে প্রতিনিয়ত নানা দুর্ঘটনা ঘটছে।

হাইওয়ে পুলিশ সূত্র জানায়, হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে ফারুক আহমেদ যোগদানের পর গত চার মাসের ব্যবধানে মহাসড়কের অনেক আইনি কার্যক্রম শিথিল রাখার কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে।

হাইওয়ে থানা সূত্রে আরও জানা যায়, বর্তমানে ওভার স্পিড (অতিরিক্ত গতি) ও ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে মহাসড়কে শুধু মোটরসাইকেল ও থ্রি-হুইলারের বিরুদ্ধে মামলা চলমান থাকলেও বাকি সব যানবাহনের ক্ষেত্রে তা শিথিল রাখা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক হাইওয়ে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘বেশিরভাগ দুর্ঘটনাই ঘটছে অতিরিক্ত গতির কারণে। মামলার কার্যক্রম শিথিল থাকায় চালকরা আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।’

মহাসড়কে বেপরোয়া গতির কারণে অসংখ্য পরিবার দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। নিয়মানুযায়ী কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে সরাসরি পরিবহন মালিক ও গাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার কথা থাকলেও তা না করে উল্টো মামলা হচ্ছে ড্রাইভার, হেলপার ও সুপারভাইজারের নামে। এতে সহজেই পার পেয়ে যাচ্ছে প্রকৃত মালিকপক্ষ।

বরিশাল বিভাগের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, অতিরিক্ত ও বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর পেছনে প্রধানত মহাসড়কে মামলার কার্যক্রম বন্ধ থাকা দায়ী। এ কারণেই দিন দিন দুর্ঘটনা বাড়ছে।

গোটা দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের প্রধান সড়ক এটি। কুয়াকাটা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত পুরো সড়কটিই ভাঙাচোরা। এই সড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করা হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ অনেকটাই রেহাই পেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬


ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক : বেপরোয়া গতি ও মামলা শিথিলে বাড়ছে দুর্ঘটনা

প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে গাড়ি চালকদের বেপরোয়া গতিকে দায়ী করছে হাইওয়ে পুলিশ। ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত মহাসড়কে প্রতিদিনের দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন অনেকেই।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচলের সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার থাকার কথা। কিন্তু অধিকাংশ চালক বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে প্রতিনিয়ত নানা দুর্ঘটনা ঘটছে।

হাইওয়ে পুলিশ সূত্র জানায়, হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে ফারুক আহমেদ যোগদানের পর গত চার মাসের ব্যবধানে মহাসড়কের অনেক আইনি কার্যক্রম শিথিল রাখার কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে।

হাইওয়ে থানা সূত্রে আরও জানা যায়, বর্তমানে ওভার স্পিড (অতিরিক্ত গতি) ও ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে মহাসড়কে শুধু মোটরসাইকেল ও থ্রি-হুইলারের বিরুদ্ধে মামলা চলমান থাকলেও বাকি সব যানবাহনের ক্ষেত্রে তা শিথিল রাখা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক হাইওয়ে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘বেশিরভাগ দুর্ঘটনাই ঘটছে অতিরিক্ত গতির কারণে। মামলার কার্যক্রম শিথিল থাকায় চালকরা আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।’

মহাসড়কে বেপরোয়া গতির কারণে অসংখ্য পরিবার দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। নিয়মানুযায়ী কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে সরাসরি পরিবহন মালিক ও গাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার কথা থাকলেও তা না করে উল্টো মামলা হচ্ছে ড্রাইভার, হেলপার ও সুপারভাইজারের নামে। এতে সহজেই পার পেয়ে যাচ্ছে প্রকৃত মালিকপক্ষ।

বরিশাল বিভাগের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, অতিরিক্ত ও বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর পেছনে প্রধানত মহাসড়কে মামলার কার্যক্রম বন্ধ থাকা দায়ী। এ কারণেই দিন দিন দুর্ঘটনা বাড়ছে।

গোটা দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের প্রধান সড়ক এটি। কুয়াকাটা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত পুরো সড়কটিই ভাঙাচোরা। এই সড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করা হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ অনেকটাই রেহাই পেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত