টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের কলিমাজানি নদীর ওপর সেতু নির্মাণের কাজ পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি। অথচ দুই বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি ও ধীরগতির কারণে কয়েক হাজার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সংবাদ-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। এতে ব্যয় ধরা হয় ৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকার বেশি। ২০২৫ সালে নতুন করে কাজ শুরু হয়। তবু এখনো সেতুর মাঝের কিছু অংশের নির্মাণ বাকি।
সেতুটি নির্মিত হলে কলিমাজানি, নয়াপাড়া ও ভানুয়াবহ গ্রামের মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সঙ্গে এলাকার যোগাযোগও আরও ভালো হবে। নদীর দুই পাড়ে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন পরিষদ ও বিভিন্ন কারখানা। সেতু চালু হলে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ নানা পেশার মানুষ উপকৃত হবেন। সেতুর অভাবে এখনো তাদের ঝুঁকি নিয়ে খেয়ানৌকায় নদী পার হতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষের দুর্ভোগ বেশি।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সংকট ও অন্য কাজের ব্যস্ততাকে নির্মাণে দেরির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আমরা বলতে চাই, কোনো অজুহাতে একটি সেতু নির্মাণের কাজ বছরের পর বছর ফেলে রাখা যায় না। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা ঠিকাদারের দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরেরও জবাবদিহি রয়েছে।
সেতুটির নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে কাজের অগ্রগতি নিয়মিত তদারক করতে হবে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে। চুক্তির শর্ত ভঙ্গের প্রমাণ পাওয়া গেলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে কাজের মান নিশ্চিত করতে হবে।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের কলিমাজানি নদীর ওপর সেতু নির্মাণের কাজ পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি। অথচ দুই বছরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি ও ধীরগতির কারণে কয়েক হাজার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সংবাদ-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। এতে ব্যয় ধরা হয় ৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকার বেশি। ২০২৫ সালে নতুন করে কাজ শুরু হয়। তবু এখনো সেতুর মাঝের কিছু অংশের নির্মাণ বাকি।
সেতুটি নির্মিত হলে কলিমাজানি, নয়াপাড়া ও ভানুয়াবহ গ্রামের মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সঙ্গে এলাকার যোগাযোগও আরও ভালো হবে। নদীর দুই পাড়ে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন পরিষদ ও বিভিন্ন কারখানা। সেতু চালু হলে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ নানা পেশার মানুষ উপকৃত হবেন। সেতুর অভাবে এখনো তাদের ঝুঁকি নিয়ে খেয়ানৌকায় নদী পার হতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষের দুর্ভোগ বেশি।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সংকট ও অন্য কাজের ব্যস্ততাকে নির্মাণে দেরির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আমরা বলতে চাই, কোনো অজুহাতে একটি সেতু নির্মাণের কাজ বছরের পর বছর ফেলে রাখা যায় না। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা ঠিকাদারের দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরেরও জবাবদিহি রয়েছে।
সেতুটির নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে কাজের অগ্রগতি নিয়মিত তদারক করতে হবে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে। চুক্তির শর্ত ভঙ্গের প্রমাণ পাওয়া গেলে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে কাজের মান নিশ্চিত করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন