নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর তোলা, মজুত ও প্রক্রিয়াজাত করার অভিযোগ উঠেছে। ১৪ অক্টোবর প্রশাসনের অভিযানে প্রায় ২৫ হাজার ঘনফুট পাথর ও পাঁচটি যন্ত্র জব্দ করা হয়। অভিযানের ১০ দিনের মাথায় আবার পাথর তোলা শুরু হয়েছে। যে কারণে অভিযান কতটা কার্যকর হয়েছে, সেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, নদী থেকে নিয়ম না মেনে পাথর তুললে নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে নদীর গতিপথ, তীর ও আশপাশের মানুষের জীবনে। তাই অবৈধভাবে পাথর তোলা বন্ধ করা জরুরি। শুধু অভিযান চালিয়ে কিছু পাথর ও যন্ত্র জব্দ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। এ কাজের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে।
প্রশ্ন হচ্ছ, এত পাথর ও যন্ত্র জব্দের পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়নি কেন? ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাথর ও যন্ত্র জব্দের ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো মামলা করা হয়নি। তবে পাথরবোঝাই ট্রাক আটকের ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
আমরা বলতে চাই, পাথরের মজুতকেন্দ্রের মালিক এবং পাথর তোলা ও প্রক্রিয়াজাত করার সঙ্গে কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করা দরকার। অভিযানের পরও যদি একই কাজ চলে, তাহলে স্থায়ী সমাধান হবে না। অবৈধ পাথর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে হবে। পাথর তোলা থেকে শুরু করে মজুত, প্রক্রিয়াজাত ও পরিবহনের প্রতিটি ধাপে নজরদারি বাড়াতে হবে।
উপজেলা প্রশাসন অবৈধ পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে। এখন সেই কথার বাস্তব প্রয়োগ দরকার। জব্দ করা পাথর ও যন্ত্রের বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট করতে হবে। একই সঙ্গে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর তোলা, মজুত ও প্রক্রিয়াজাত করার অভিযোগ উঠেছে। ১৪ অক্টোবর প্রশাসনের অভিযানে প্রায় ২৫ হাজার ঘনফুট পাথর ও পাঁচটি যন্ত্র জব্দ করা হয়। অভিযানের ১০ দিনের মাথায় আবার পাথর তোলা শুরু হয়েছে। যে কারণে অভিযান কতটা কার্যকর হয়েছে, সেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, নদী থেকে নিয়ম না মেনে পাথর তুললে নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে নদীর গতিপথ, তীর ও আশপাশের মানুষের জীবনে। তাই অবৈধভাবে পাথর তোলা বন্ধ করা জরুরি। শুধু অভিযান চালিয়ে কিছু পাথর ও যন্ত্র জব্দ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। এ কাজের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে।
প্রশ্ন হচ্ছ, এত পাথর ও যন্ত্র জব্দের পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়নি কেন? ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাথর ও যন্ত্র জব্দের ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো মামলা করা হয়নি। তবে পাথরবোঝাই ট্রাক আটকের ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
আমরা বলতে চাই, পাথরের মজুতকেন্দ্রের মালিক এবং পাথর তোলা ও প্রক্রিয়াজাত করার সঙ্গে কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করা দরকার। অভিযানের পরও যদি একই কাজ চলে, তাহলে স্থায়ী সমাধান হবে না। অবৈধ পাথর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে হবে। পাথর তোলা থেকে শুরু করে মজুত, প্রক্রিয়াজাত ও পরিবহনের প্রতিটি ধাপে নজরদারি বাড়াতে হবে।
উপজেলা প্রশাসন অবৈধ পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে। এখন সেই কথার বাস্তব প্রয়োগ দরকার। জব্দ করা পাথর ও যন্ত্রের বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট করতে হবে। একই সঙ্গে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন