টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার বংশাই নদীর ওপর সেতু না থাকায় ধলাপাড়া ও দেওপাড়া ইউনিয়নের ১০ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছেন। তাদের যাতায়াতের একমাত্র অবলম্বন ছোট একটি খেয়ানৌকা। শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয়। এ ছাড়া টাঙ্গাইল জেলা সদরে যেতে বিকল্প পথে প্রায় ৪০ কিলোমিটার ঘুরতে হয়। নদীর ওপর সেতু নির্মিত হলে অল্প সময়ে জেলা সদরে পৌঁছানো সম্ভব।
কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নের খাজার ঘাটে সোনা ভরি নদীর ওপর কাঠের সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বন্যার পর সেতু মেরামতে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজের মান নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
দুটি এলাকার মানুষের দুর্ভোগের ধরন আলাদা হলেও সমস্যার মূলে রয়েছে যোগাযোগ অবকাঠামোর ঘাটতি এবং কার্যকর উদ্যোগের অভাব। স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন। জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন সময় প্রতিশ্রুতিও দেন। তবে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত না হলে মানুষের দুর্ভোগ কমে না।
সেতু নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। ঘাটাইলে বংশাই নদীর ওপর সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করে প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। খাজার ঘাটে স্থায়ী সেতু নির্মাণের কাজও দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি কাঠের সেতু মেরামতে বরাদ্দ টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কাজের মান যাচাই করে অনিয়ম পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নিতে হবে।
সেতু শুধু নদীর দুই পাড়কে যুক্ত করে না, মানুষের জীবন ও জীবিকার পথও সহজ করে। উন্নয়নের সুফল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার বংশাই নদীর ওপর সেতু না থাকায় ধলাপাড়া ও দেওপাড়া ইউনিয়নের ১০ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছেন। তাদের যাতায়াতের একমাত্র অবলম্বন ছোট একটি খেয়ানৌকা। শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয়। এ ছাড়া টাঙ্গাইল জেলা সদরে যেতে বিকল্প পথে প্রায় ৪০ কিলোমিটার ঘুরতে হয়। নদীর ওপর সেতু নির্মিত হলে অল্প সময়ে জেলা সদরে পৌঁছানো সম্ভব।
কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নের খাজার ঘাটে সোনা ভরি নদীর ওপর কাঠের সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বন্যার পর সেতু মেরামতে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজের মান নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
দুটি এলাকার মানুষের দুর্ভোগের ধরন আলাদা হলেও সমস্যার মূলে রয়েছে যোগাযোগ অবকাঠামোর ঘাটতি এবং কার্যকর উদ্যোগের অভাব। স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন। জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন সময় প্রতিশ্রুতিও দেন। তবে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত না হলে মানুষের দুর্ভোগ কমে না।
সেতু নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। ঘাটাইলে বংশাই নদীর ওপর সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করে প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। খাজার ঘাটে স্থায়ী সেতু নির্মাণের কাজও দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি কাঠের সেতু মেরামতে বরাদ্দ টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কাজের মান যাচাই করে অনিয়ম পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নিতে হবে।
সেতু শুধু নদীর দুই পাড়কে যুক্ত করে না, মানুষের জীবন ও জীবিকার পথও সহজ করে। উন্নয়নের সুফল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন