প্রশাসনিক আদেশে স্ট্যান্ড রিলিজ হওয়ার ১৩ দিন পেরিয়ে গেলেও নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেননি সাতক্ষীরার তালা উপজেলা সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কামাল হোসেন এবং ধুলিহর ইউনিয়নের পরিবার কল্যাণ সহকারী জান্নাতুল ফেরদৌস। উল্টো বদলি আদেশ বাতিলের জন্য তারা বিভিন্ন মহলে তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক ও দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর থেকে পৃথক দুটি আদেশে তাদের দেশের অন্য জেলায় বদলি করা হয়।
গত ১৪ অক্টোবর পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মোসা. মাহফুজা খানম স্বাক্ষরিত এক আদেশে কামাল হোসেনকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় এবং উপপরিচালক (পারসোনেল) এরশাদ আহমেদ নোমানী স্বাক্ষরিত অপর আদেশে জান্নাতুল ফেরদৌসকে বরগুনার আমতলী উপজেলার আড়পাংগাছিয়া ইউনিয়নে বদলি করা হয়। উভয় আদেশে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল; অন্যথায় তা তাৎক্ষণিক অবমুক্তি বা স্ট্যান্ড রিলিজ হিসেবে গণ্য হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও অভিযুক্ত দুজন নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেননি। ভুক্তভোগী স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিন অভিযোগ করেছেন, একটি সিন্ডিকেটের সহায়তায় তারা বদলি আদেশ বাতিলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া অভিযোগ করায় তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কামাল হোসেন, পরিবার কল্যাণ সহকারী জান্নাতুল ফেরদৌস এবং জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাইদুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কুষ্টিয়া জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘কামালের বদলির চিঠি আমরা হাতে পেয়েছি। তবে তিনি এখনো আমাদের অফিসে যোগদান করেননি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরগুনার আমতলী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ইলিয়াছ খান রানা জানান, জান্নাতুল ফেরদৌসও এখনো তাদের কার্যালয়ে যোগ দেননি।
সাতক্ষীরা জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রওশনা বেগম জানান, অধিদপ্তর থেকে ওই দুজনকে স্ট্যান্ড রিলিজ করার চিঠি আসার পর দায়িত্ব হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তালা উপজেলায় অন্য এক কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রশাসনিক আদেশে স্ট্যান্ড রিলিজ হওয়ার ১৩ দিন পেরিয়ে গেলেও নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেননি সাতক্ষীরার তালা উপজেলা সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কামাল হোসেন এবং ধুলিহর ইউনিয়নের পরিবার কল্যাণ সহকারী জান্নাতুল ফেরদৌস। উল্টো বদলি আদেশ বাতিলের জন্য তারা বিভিন্ন মহলে তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক ও দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর থেকে পৃথক দুটি আদেশে তাদের দেশের অন্য জেলায় বদলি করা হয়।
গত ১৪ অক্টোবর পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মোসা. মাহফুজা খানম স্বাক্ষরিত এক আদেশে কামাল হোসেনকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় এবং উপপরিচালক (পারসোনেল) এরশাদ আহমেদ নোমানী স্বাক্ষরিত অপর আদেশে জান্নাতুল ফেরদৌসকে বরগুনার আমতলী উপজেলার আড়পাংগাছিয়া ইউনিয়নে বদলি করা হয়। উভয় আদেশে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল; অন্যথায় তা তাৎক্ষণিক অবমুক্তি বা স্ট্যান্ড রিলিজ হিসেবে গণ্য হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও অভিযুক্ত দুজন নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেননি। ভুক্তভোগী স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিন অভিযোগ করেছেন, একটি সিন্ডিকেটের সহায়তায় তারা বদলি আদেশ বাতিলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া অভিযোগ করায় তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কামাল হোসেন, পরিবার কল্যাণ সহকারী জান্নাতুল ফেরদৌস এবং জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাইদুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কুষ্টিয়া জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘কামালের বদলির চিঠি আমরা হাতে পেয়েছি। তবে তিনি এখনো আমাদের অফিসে যোগদান করেননি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরগুনার আমতলী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ইলিয়াছ খান রানা জানান, জান্নাতুল ফেরদৌসও এখনো তাদের কার্যালয়ে যোগ দেননি।
সাতক্ষীরা জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রওশনা বেগম জানান, অধিদপ্তর থেকে ওই দুজনকে স্ট্যান্ড রিলিজ করার চিঠি আসার পর দায়িত্ব হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তালা উপজেলায় অন্য এক কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন