দেশে ডেঙ্গু ও হাম পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু ও হামের উপসর্গে মিলিয়ে মোট ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আলাদা দুটি প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এর মধ্যে ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণ গেছে ৭ জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০০ জনে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
একই সময়ে নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৭১ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ২৩৭ জনে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ২১ হাজার ৪২২ জন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষা শেষ হলেও ডেঙ্গুর প্রকোপ কমেনি। এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস না হওয়া এবং সিটি করপোরেশনগুলোর মশক নিধন কার্যক্রমে ঘাটতির কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর চাপ বাড়ছে, অনেকে বেড না পেয়ে মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, জ্বরের সঙ্গে শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা বা চোখের পেছনে ব্যথা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এডিস মশার প্রজনন রোধে ঘরের ভেতরে ও আশপাশে জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখা এবং নিয়মিত মশারি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এক হাজার ২৯৫ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। চট্টগ্রাম ও খুলনায় দুইজন করে এবং ঢাকা ও বরিশালে একজন করে মারা গেছেন। এ সময়ে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে একজনের।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৬ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ২৩ হাজার ৭৮৪ জনে। এর মধ্যে মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার ৫৪১ জন। এ সময়ে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এক হাজার ৩৫ জন এবং নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০৫ জনের।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
দেশে ডেঙ্গু ও হাম পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু ও হামের উপসর্গে মিলিয়ে মোট ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আলাদা দুটি প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এর মধ্যে ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণ গেছে ৭ জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০০ জনে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
একই সময়ে নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৭১ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ২৩৭ জনে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ২১ হাজার ৪২২ জন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষা শেষ হলেও ডেঙ্গুর প্রকোপ কমেনি। এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস না হওয়া এবং সিটি করপোরেশনগুলোর মশক নিধন কার্যক্রমে ঘাটতির কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর চাপ বাড়ছে, অনেকে বেড না পেয়ে মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, জ্বরের সঙ্গে শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা বা চোখের পেছনে ব্যথা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এডিস মশার প্রজনন রোধে ঘরের ভেতরে ও আশপাশে জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখা এবং নিয়মিত মশারি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এক হাজার ২৯৫ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। চট্টগ্রাম ও খুলনায় দুইজন করে এবং ঢাকা ও বরিশালে একজন করে মারা গেছেন। এ সময়ে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে একজনের।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৬ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ২৩ হাজার ৭৮৪ জনে। এর মধ্যে মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার ৫৪১ জন। এ সময়ে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এক হাজার ৩৫ জন এবং নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০৫ জনের।

আপনার মতামত লিখুন