বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদী থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক জেলেকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জেলের নাম আক্তার হোসেন (৪০)। তিনি হিজলা উপজেলার চর মেহনিয়া ৮ নং ওয়ার্ড এলাকার মৃত সুলতান হোসেনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, ভোরে ৮-৯ জনের একটি দল ট্রলার নিয়ে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। রাতে মেঘনায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে গুলিবিদ্ধ হন আক্তার হোসেন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান।
স্থানীয় ও নিহতের পরিবারের দাবি, কোস্টগার্ড বা নৌ-পুলিশের অভিযানের সময় আক্তার গুলিবিদ্ধ হয়ে থাকতে পারেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করছেন হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান হোসেন। তিনি জানান, ঘটনার খবর পেয়ে আহত অবস্থায় একজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে।
ঘটনার সময় কোস্টগার্ড বা নৌপুলিশের কোনো অভিযান হয়েছিল কিনা সে বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি সোলায়মান হোসেন বলেন, ‘নৌ-পুলিশ থানায় যোগাযোগ হয়েছে। তবে কোস্টগার্ড সদস্যদের কেউ এই অভিযান পরিচালনা করেনি।
ওসি বলেন, ‘তদন্ত না করে বলা যাচ্ছে না অভিযানের সময় গুলিতে নিহত হয়েছেন, না অন্য কিছু ঘটেছে।’
এ বিষয়ে হিজলা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে কল করা হলে তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে ট্রলারে থাকা দুই মাঝির সঙ্গে কথা হয়েছে হিজলা চর মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ উদ্দিনের। ট্রলারের মাঝি আব্দুল বেপারী ও খলিল খান তাকে জানান, অভিযান শেষ হয়েছে বুঝে তারা মাছ ধরতে গিয়েছিলের। সে সময় হঠাৎ করে চাঁদপুরের ফিশারি নৌ-পুলিশ তাদের ওপর গুলিবর্ষণ করে। পরে এক মাঝিকে তারা ধরে চাঁদপুর থানায় নিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদী থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক জেলেকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জেলের নাম আক্তার হোসেন (৪০)। তিনি হিজলা উপজেলার চর মেহনিয়া ৮ নং ওয়ার্ড এলাকার মৃত সুলতান হোসেনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, ভোরে ৮-৯ জনের একটি দল ট্রলার নিয়ে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। রাতে মেঘনায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে গুলিবিদ্ধ হন আক্তার হোসেন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান।
স্থানীয় ও নিহতের পরিবারের দাবি, কোস্টগার্ড বা নৌ-পুলিশের অভিযানের সময় আক্তার গুলিবিদ্ধ হয়ে থাকতে পারেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করছেন হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান হোসেন। তিনি জানান, ঘটনার খবর পেয়ে আহত অবস্থায় একজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে।
ঘটনার সময় কোস্টগার্ড বা নৌপুলিশের কোনো অভিযান হয়েছিল কিনা সে বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি সোলায়মান হোসেন বলেন, ‘নৌ-পুলিশ থানায় যোগাযোগ হয়েছে। তবে কোস্টগার্ড সদস্যদের কেউ এই অভিযান পরিচালনা করেনি।
ওসি বলেন, ‘তদন্ত না করে বলা যাচ্ছে না অভিযানের সময় গুলিতে নিহত হয়েছেন, না অন্য কিছু ঘটেছে।’
এ বিষয়ে হিজলা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে কল করা হলে তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে ট্রলারে থাকা দুই মাঝির সঙ্গে কথা হয়েছে হিজলা চর মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ উদ্দিনের। ট্রলারের মাঝি আব্দুল বেপারী ও খলিল খান তাকে জানান, অভিযান শেষ হয়েছে বুঝে তারা মাছ ধরতে গিয়েছিলের। সে সময় হঠাৎ করে চাঁদপুরের ফিশারি নৌ-পুলিশ তাদের ওপর গুলিবর্ষণ করে। পরে এক মাঝিকে তারা ধরে চাঁদপুর থানায় নিয়ে যায়।

আপনার মতামত লিখুন