টাঙ্গাইলের সখিপুরে জমিতে মাটি খননের সময় ‘ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, টাঙ্গাইল’ লেখা গ্রেনেডসদৃশ দুটি পুরোনো বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া দক্ষিণপাড়া এলাকার একটি জমি থেকে বস্তু দুটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কচুয়া দক্ষিণপাড়া এলাকার লিয়াকত আলী (৬০) নিজের জমিতে মাটি কাটার কাজ করাচ্ছিলেন। এ সময় এক শ্রমিকের কোদালে শক্ত কোনো বস্তুর আঘাত লাগে। পরে মাটি সরিয়ে পুরোনো লোহার তৈরি দুটি বস্তু দেখতে পান শ্রমিকেরা। বিষয়টি জানাজানি হলে ঘটনাস্থলে স্থানীয় লোকজন ভিড় করেন।
খবর পেয়ে সখিপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তু দুটি উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, বস্তু দুটি পরিষ্কার করার পর সেগুলোর গায়ে ইংরেজিতে ‘ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, টাঙ্গাইল’ লেখা দেখা যায়। এ সময় বস্তু দুটির সঙ্গে দুটি গুলিসদৃশ বস্তুও পাওয়া যায়। পরে উদ্ধার করা বস্তুগুলো থানায় নিয়ে নিরাপত্তা হেফাজতে রাখা হয়।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদ হোসেন বলেন, বস্তু দুটি উদ্ধারের পর থানায় নিরাপত্তা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ দলকে জানানো হয়েছে। দলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বস্তুগুলোর প্রকৃত পরিচয় ও অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
টাঙ্গাইলের সখিপুরে জমিতে মাটি খননের সময় ‘ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, টাঙ্গাইল’ লেখা গ্রেনেডসদৃশ দুটি পুরোনো বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া দক্ষিণপাড়া এলাকার একটি জমি থেকে বস্তু দুটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কচুয়া দক্ষিণপাড়া এলাকার লিয়াকত আলী (৬০) নিজের জমিতে মাটি কাটার কাজ করাচ্ছিলেন। এ সময় এক শ্রমিকের কোদালে শক্ত কোনো বস্তুর আঘাত লাগে। পরে মাটি সরিয়ে পুরোনো লোহার তৈরি দুটি বস্তু দেখতে পান শ্রমিকেরা। বিষয়টি জানাজানি হলে ঘটনাস্থলে স্থানীয় লোকজন ভিড় করেন।
খবর পেয়ে সখিপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তু দুটি উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, বস্তু দুটি পরিষ্কার করার পর সেগুলোর গায়ে ইংরেজিতে ‘ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, টাঙ্গাইল’ লেখা দেখা যায়। এ সময় বস্তু দুটির সঙ্গে দুটি গুলিসদৃশ বস্তুও পাওয়া যায়। পরে উদ্ধার করা বস্তুগুলো থানায় নিয়ে নিরাপত্তা হেফাজতে রাখা হয়।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদ হোসেন বলেন, বস্তু দুটি উদ্ধারের পর থানায় নিরাপত্তা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ দলকে জানানো হয়েছে। দলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বস্তুগুলোর প্রকৃত পরিচয় ও অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন