সৌদি আরবের রিয়াদে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো নওগাঁর বাকি পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ আড়াই মাস পর অবশেষে দেশে ফিরেছে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও ডিএনএ টেস্টের জটিলতা পেরিয়ে লাশ স্বজনদের কাছে পৌঁছানোর পর পুরো এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। প্রিয়জনকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন স্বজনেরা। জানাজা শেষে চোখের জলে অশ্রুসিক্ত নয়নে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তবে নিথর দেহ শেষ ঠিকানায় পৌঁছালেও পরিবারগুলোর সামনে এখন দাঁড়িয়ে আছে মহাজনী ঋণের বোঝা ও ঘোর অনিশ্চয়তা।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহগুলো নওগাঁর আত্রাই ও সদর উপজেলার নিজ নিজ গ্রামে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। শেষবারের মতো একনজর দেখতে ভিড় জমান সর্বস্তরের মানুষ।
নিহত এই প্রবাসীরা ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। টানাটানির সংসারে কিছুটা স্বচ্ছলতা ফেরাতে ভিটেমাটি বন্ধক রেখে, আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধারদেনা ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু ভাগ্য বদলানোর সেই স্বপ্ন কফিনে বন্দী হয়ে ফিরে এসেছে। এখন নিঃস্ব পরিবারগুলোর কাঁধে চেপে বসেছে কিস্তির চাপ ও পাওনাদারদের পাওনা শোধের চিন্তা।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হলেও ঋণের জাঁতাকল থেকে রক্ষা পেতে দ্রুত অনুদান হস্তান্তর ও বিশেষ প্রণোদনা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকবাসী। নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, নিহত পরিবারগুলোর সার্বিক সহায়তায় প্রশাসন পাশে থাকবে।
উল্লেখ্য, গত ৯ আগস্ট সৌদি আরবের রিয়াদের একটি ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারান, যার মধ্যে ১২ জনই ছিলেন নওগাঁর বাসিন্দা। প্রথম দফায় সাতজনের মরদেহ দেশে আনা হলেও জটিলতার কারণে বাকি পাঁচজনের মরদেহ পেতে আড়াই মাস সময় লেগে যায়।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সৌদি আরবের রিয়াদে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো নওগাঁর বাকি পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ আড়াই মাস পর অবশেষে দেশে ফিরেছে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও ডিএনএ টেস্টের জটিলতা পেরিয়ে লাশ স্বজনদের কাছে পৌঁছানোর পর পুরো এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। প্রিয়জনকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন স্বজনেরা। জানাজা শেষে চোখের জলে অশ্রুসিক্ত নয়নে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তবে নিথর দেহ শেষ ঠিকানায় পৌঁছালেও পরিবারগুলোর সামনে এখন দাঁড়িয়ে আছে মহাজনী ঋণের বোঝা ও ঘোর অনিশ্চয়তা।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহগুলো নওগাঁর আত্রাই ও সদর উপজেলার নিজ নিজ গ্রামে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। শেষবারের মতো একনজর দেখতে ভিড় জমান সর্বস্তরের মানুষ।
নিহত এই প্রবাসীরা ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। টানাটানির সংসারে কিছুটা স্বচ্ছলতা ফেরাতে ভিটেমাটি বন্ধক রেখে, আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধারদেনা ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু ভাগ্য বদলানোর সেই স্বপ্ন কফিনে বন্দী হয়ে ফিরে এসেছে। এখন নিঃস্ব পরিবারগুলোর কাঁধে চেপে বসেছে কিস্তির চাপ ও পাওনাদারদের পাওনা শোধের চিন্তা।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হলেও ঋণের জাঁতাকল থেকে রক্ষা পেতে দ্রুত অনুদান হস্তান্তর ও বিশেষ প্রণোদনা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকবাসী। নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, নিহত পরিবারগুলোর সার্বিক সহায়তায় প্রশাসন পাশে থাকবে।
উল্লেখ্য, গত ৯ আগস্ট সৌদি আরবের রিয়াদের একটি ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারান, যার মধ্যে ১২ জনই ছিলেন নওগাঁর বাসিন্দা। প্রথম দফায় সাতজনের মরদেহ দেশে আনা হলেও জটিলতার কারণে বাকি পাঁচজনের মরদেহ পেতে আড়াই মাস সময় লেগে যায়।

আপনার মতামত লিখুন