সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ইছামতী নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২২ ঘণ্টা পর জোনায়েদ হোসেন (১২) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট পশ্চিম খানপাড়া এলাকা সংলগ্ন নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত জোনায়েদ ওই গ্রামের মৃদু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে চার বন্ধুর সঙ্গে ইছামতী নদীতে গোসল করতে নেমেছিল জোনায়েদ। তিন বন্ধু সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও জোনায়েদ পানিতে তলিয়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলেরা প্রথমে জাল ফেলে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরে রাজশাহী থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল এসে উদ্ধার অভিযানে যোগ দেয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রথমদিনের অভিযান স্থগিত করা হয়। শনিবার সকালে আবার তল্লাশি শুরু করে ডুবুরি দল। সকাল ১০টার দিকে দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১৫০ মিটার দূরে নদীর তলদেশ থেকে জোনায়েদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
কামারখন্দ ফায়ার সার্ভিসের ওয়ারহাউস ইনস্পেক্টর ফরিদ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিখোঁজের প্রায় ২২ ঘণ্টা পর শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। নিখোঁজের স্থান থেকে কিছুটা দূরেই নদীর ভেতরে মরদেহটি পাওয়া যায়।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ইছামতী নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২২ ঘণ্টা পর জোনায়েদ হোসেন (১২) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট পশ্চিম খানপাড়া এলাকা সংলগ্ন নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত জোনায়েদ ওই গ্রামের মৃদু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে চার বন্ধুর সঙ্গে ইছামতী নদীতে গোসল করতে নেমেছিল জোনায়েদ। তিন বন্ধু সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও জোনায়েদ পানিতে তলিয়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলেরা প্রথমে জাল ফেলে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরে রাজশাহী থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল এসে উদ্ধার অভিযানে যোগ দেয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রথমদিনের অভিযান স্থগিত করা হয়। শনিবার সকালে আবার তল্লাশি শুরু করে ডুবুরি দল। সকাল ১০টার দিকে দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১৫০ মিটার দূরে নদীর তলদেশ থেকে জোনায়েদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
কামারখন্দ ফায়ার সার্ভিসের ওয়ারহাউস ইনস্পেক্টর ফরিদ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিখোঁজের প্রায় ২২ ঘণ্টা পর শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। নিখোঁজের স্থান থেকে কিছুটা দূরেই নদীর ভেতরে মরদেহটি পাওয়া যায়।

আপনার মতামত লিখুন