সুন্দরবনের দুবলার চরের আলোরকোল সমুদ্র সৈকতে নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধান দ্বিতীয় দিনেও পাওয়া যায়নি। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে আলোরকোল শুঁটকি পল্লির সমুদ্র সৈকতে গোসলে নেমে প্রবল স্রোতের টানে তলিয়ে যান ওই পর্যটক। তবে ব্যাগে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রের সূত্র ধরে তার নাম-পরিচয় শনাক্ত করতে পেরেছে বন বিভাগ।
নিখোঁজ পর্যটকের নাম মো. রিয়াজ আহমেদ (২৫)। বাবার নাম আবুল বাশার ঢালী, মায়ের নাম রুমেলা খাতুন। বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার কাঁঠালি পশ্চিমপাড়া এলাকায়। ঘটনার পর থেকেই কোস্ট গার্ড, বন বিভাগ ও সঙ্গী পর্যটকরা তল্লাশি অভিযান শুরু করলেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চর জেলেপল্লি বিশেষ টহল ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্ট রেঞ্জার মো. খলিলুর রহমান জানান, নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধানে সাগরতীর ও সুন্দরবনের বিভিন্ন চরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বন বিভাগ ও কোস্ট গার্ডের সঙ্গে নিখোঁজ পর্যটকের সফরসঙ্গীরাও তল্লাশি অভিযানে রয়েছেন।
ফরেস্ট রেঞ্জার খলিলুর রহমান জানান, মরদেহ ভেসে না ওঠা পর্যন্ত পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। বিশাল সমুদ্রে ডুবুরি দিয়েও তল্লাশি করা অসম্ভব। তাই মরদেহ পেতে আরও এক-দুই দিন অপেক্ষা করতে হতে পারে। নিখোঁজ পর্যটকের বাড়িতে খবর দেওয়া হয়েছে। স্বজনরা ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে সুন্দরবনের আলোরকোলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে ‘ইকোট্যুরিজম’ নামের একটি কাঠবডির পর্যটকবাহী লঞ্চ ১০ জন পর্যটক নিয়ে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও নীলকমল ঘুরে আলোরকোলে পৌঁছায়। পরে লঞ্চ থেকে ট্রলারে করে আলোরকোল চরে নামেন পর্যটকেরা। তাদের মধ্যে তিনজন পর্যটক সমুদ্র সৈকতে নেমে গোসল করার সময় প্রবল ঢেউ ও স্রোতের টানে রিয়াজ সাগরে তলিয়ে যান। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে আলোরকোল শুঁটকি পল্লির জেলেরা তাৎক্ষণিক কোস্ট গার্ড ও বন বিভাগকে জানান। এর পরপরই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়।
কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম জানিয়েছেন, পর্যটক নিখোঁজের খবর পাওয়ার পরপরই কোস্ট গার্ডের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। সেই থেকে নিখোঁজ পর্যটক উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগের খুলনা অঞ্চলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. হাছানুর রহমান জানান, শুক্রবার সকালে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন থেকে পাস (অনুমতিপত্র) নিয়ে দুটি পর্যটকবাহী লঞ্চ পূর্ব সুন্দরবনের দুবলার চরে যায়। ওই দুটি লঞ্চে মোট ৩০ জন পর্যটক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন পর্যটক সাগরে তলিয়ে যাওয়ার খবর তিনি শুনেছেন।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
সুন্দরবনের দুবলার চরের আলোরকোল সমুদ্র সৈকতে নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধান দ্বিতীয় দিনেও পাওয়া যায়নি। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে আলোরকোল শুঁটকি পল্লির সমুদ্র সৈকতে গোসলে নেমে প্রবল স্রোতের টানে তলিয়ে যান ওই পর্যটক। তবে ব্যাগে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রের সূত্র ধরে তার নাম-পরিচয় শনাক্ত করতে পেরেছে বন বিভাগ।
নিখোঁজ পর্যটকের নাম মো. রিয়াজ আহমেদ (২৫)। বাবার নাম আবুল বাশার ঢালী, মায়ের নাম রুমেলা খাতুন। বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার কাঁঠালি পশ্চিমপাড়া এলাকায়। ঘটনার পর থেকেই কোস্ট গার্ড, বন বিভাগ ও সঙ্গী পর্যটকরা তল্লাশি অভিযান শুরু করলেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চর জেলেপল্লি বিশেষ টহল ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্ট রেঞ্জার মো. খলিলুর রহমান জানান, নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধানে সাগরতীর ও সুন্দরবনের বিভিন্ন চরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বন বিভাগ ও কোস্ট গার্ডের সঙ্গে নিখোঁজ পর্যটকের সফরসঙ্গীরাও তল্লাশি অভিযানে রয়েছেন।
ফরেস্ট রেঞ্জার খলিলুর রহমান জানান, মরদেহ ভেসে না ওঠা পর্যন্ত পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। বিশাল সমুদ্রে ডুবুরি দিয়েও তল্লাশি করা অসম্ভব। তাই মরদেহ পেতে আরও এক-দুই দিন অপেক্ষা করতে হতে পারে। নিখোঁজ পর্যটকের বাড়িতে খবর দেওয়া হয়েছে। স্বজনরা ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে সুন্দরবনের আলোরকোলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে ‘ইকোট্যুরিজম’ নামের একটি কাঠবডির পর্যটকবাহী লঞ্চ ১০ জন পর্যটক নিয়ে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও নীলকমল ঘুরে আলোরকোলে পৌঁছায়। পরে লঞ্চ থেকে ট্রলারে করে আলোরকোল চরে নামেন পর্যটকেরা। তাদের মধ্যে তিনজন পর্যটক সমুদ্র সৈকতে নেমে গোসল করার সময় প্রবল ঢেউ ও স্রোতের টানে রিয়াজ সাগরে তলিয়ে যান। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে আলোরকোল শুঁটকি পল্লির জেলেরা তাৎক্ষণিক কোস্ট গার্ড ও বন বিভাগকে জানান। এর পরপরই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়।
কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম জানিয়েছেন, পর্যটক নিখোঁজের খবর পাওয়ার পরপরই কোস্ট গার্ডের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। সেই থেকে নিখোঁজ পর্যটক উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগের খুলনা অঞ্চলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. হাছানুর রহমান জানান, শুক্রবার সকালে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন থেকে পাস (অনুমতিপত্র) নিয়ে দুটি পর্যটকবাহী লঞ্চ পূর্ব সুন্দরবনের দুবলার চরে যায়। ওই দুটি লঞ্চে মোট ৩০ জন পর্যটক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন পর্যটক সাগরে তলিয়ে যাওয়ার খবর তিনি শুনেছেন।

আপনার মতামত লিখুন