সংবাদ

নারী হয়রানি ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে বিশেষ সেল

সাইবার বুলিং ও অনলাইন হয়রানি বন্ধে জিরো টলারেন্স


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩২ পিএম

সাইবার বুলিং ও অনলাইন হয়রানি বন্ধে জিরো টলারেন্স

নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান সাইবার বুলিং অনলাইন হয়রানি প্রতিরোধে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে একটি বিশেষ সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সেলটি গঠন করা হবে, যার মূল কাজ হবে নারীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন অনলাইন হয়রানির বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বর্তমান সময়ের ডিজিটাল হয়রানির চিত্র তুলে ধরে বলেন, “নারীরা শুধু নারী হিসেবে নয়, তাদের রাজনৈতিক অবস্থান বা ব্যক্তিগত পরিচয় নিয়েও অনেক সময় অনলাইনে অশালীন ভাষা, কটূক্তি বুলিংয়ের শিকার হন। এমনকি শিক্ষার্থী পর্যায় থেকে শুরু করে কর্মজীবন পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে ধরনের হয়রানি দেখা যাচ্ছে। অবস্থাকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।

তিনি জানান, এই বিশেষ সেলটি মূলত সাইবার অপরাধ, অনলাইন মিসইনফরমেশন ডিসইনফরমেশন মোকাবিলায় সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

নারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আইনি কাঠামোর পরিবর্তন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “শুধু অনলাইন নয়, বাস্তব জীবনেও নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নতুন আইন বিধিমালা কার্যকর করছে। সম্প্রতি নারী শিশু নির্যাতন দমন সংশোধনী বিল ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এতে দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা, সাক্ষীর নিরাপত্তা এবং নারীদের সুরক্ষায় বিশেষ বিধান যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রমাণ ব্যবহারের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনায় এই বিশেষ কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “সরকার চায় নারী শিশুরা নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষা, কাজ সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করুক। অনলাইন বা অফলাইনে কোনো ধরনের হয়রানি বরদাস্ত করা হবে না।

একই সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসা পরিবহন খাতে নৈরাজ্য বন্ধে কঠোর বার্তা দেন উপদেষ্টা। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে তিনি বলেন, “ব্যবসা, পরিবহন নির্মাণ খাতে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।

তবে দীর্ঘদিনের এই কাঠামোগত সমস্যা নির্মূলে জনগণের সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা কাঠামোগত এই সমস্যাকে মোকাবিলা করতে সময় লাগবে। কারণে জনগণের সহযোগিতা ধৈর্য প্রয়োজন। সরকার বিষয়ে সম্পূর্ণ আন্তরিকভাবে কাজ করছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ধারাবাহিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

চাঁদাবাজি বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর নজরদারি অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬


সাইবার বুলিং ও অনলাইন হয়রানি বন্ধে জিরো টলারেন্স

প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান সাইবার বুলিং অনলাইন হয়রানি প্রতিরোধে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে একটি বিশেষ সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সেলটি গঠন করা হবে, যার মূল কাজ হবে নারীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন অনলাইন হয়রানির বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বর্তমান সময়ের ডিজিটাল হয়রানির চিত্র তুলে ধরে বলেন, “নারীরা শুধু নারী হিসেবে নয়, তাদের রাজনৈতিক অবস্থান বা ব্যক্তিগত পরিচয় নিয়েও অনেক সময় অনলাইনে অশালীন ভাষা, কটূক্তি বুলিংয়ের শিকার হন। এমনকি শিক্ষার্থী পর্যায় থেকে শুরু করে কর্মজীবন পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে ধরনের হয়রানি দেখা যাচ্ছে। অবস্থাকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।

তিনি জানান, এই বিশেষ সেলটি মূলত সাইবার অপরাধ, অনলাইন মিসইনফরমেশন ডিসইনফরমেশন মোকাবিলায় সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

নারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আইনি কাঠামোর পরিবর্তন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “শুধু অনলাইন নয়, বাস্তব জীবনেও নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নতুন আইন বিধিমালা কার্যকর করছে। সম্প্রতি নারী শিশু নির্যাতন দমন সংশোধনী বিল ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এতে দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা, সাক্ষীর নিরাপত্তা এবং নারীদের সুরক্ষায় বিশেষ বিধান যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রমাণ ব্যবহারের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনায় এই বিশেষ কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “সরকার চায় নারী শিশুরা নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষা, কাজ সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করুক। অনলাইন বা অফলাইনে কোনো ধরনের হয়রানি বরদাস্ত করা হবে না।

একই সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসা পরিবহন খাতে নৈরাজ্য বন্ধে কঠোর বার্তা দেন উপদেষ্টা। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে তিনি বলেন, “ব্যবসা, পরিবহন নির্মাণ খাতে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।

তবে দীর্ঘদিনের এই কাঠামোগত সমস্যা নির্মূলে জনগণের সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা কাঠামোগত এই সমস্যাকে মোকাবিলা করতে সময় লাগবে। কারণে জনগণের সহযোগিতা ধৈর্য প্রয়োজন। সরকার বিষয়ে সম্পূর্ণ আন্তরিকভাবে কাজ করছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ধারাবাহিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

চাঁদাবাজি বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর নজরদারি অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত