দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করেছে সরকার। বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে, তাতে আগামী দুই মাসেও কোনো ধরনের সংকটের আশঙ্কা নেই বলে জানানো হয়েছে।
বুধবার
সচিবালয়ে এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ
বিভাগের যুগ্ম-সচিব মনির হোসেন চৌধুরী
এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি
জানান, দেশের বর্তমান মজুত পরিস্থিতি অত্যন্ত
ইতিবাচক এবং সরবরাহ ব্যবস্থা
স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের পদক্ষেপ
নেওয়া হয়েছে।
ব্রিফিংয়ে
যুগ্ম-সচিব মনির হোসেন চৌধুরী
বলেন, "পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ইনশাআল্লাহ
আগামী দুই মাসে জ্বালানির
কোনো সমস্যা হবে না।"
তিনি
জানান, চলতি এপ্রিল মাসের
পাশাপাশি পরবর্তী মাসগুলোতেও জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় থাকবে। সরকারের
কঠোর মনিটরিংয়ের কারণে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সাধারণ মানুষের
উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।
দেশের
বিভিন্ন স্থানে অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে
অভিযান অব্যাহত থাকায় তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে
বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অভিযানের
বিস্তারিত তুলে ধরে যুগ্ম-সচিব
জানান, গত ৩ মার্চ
থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত
সারাদেশে মোট ৯ হাজার
১১৬টি ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব
অভিযানে ৩ হাজার ৫১০টি
মামলা দায়েরের পাশাপাশি ১ কোটি ৫৬
লাখ ৯ হাজার টাকা
জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
এছাড়া
অনিয়মের অভিযোগে ৪৫ জনকে কারাদণ্ড
দেওয়া হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মজুত তেল
জব্দের কথা উল্লেখ করে
তিনি বলেন, "ডিজেল ৩ লাখ ৬৬
হাজার লিটার, অকটেন ৩৯ হাজার ৭৭৬
লিটার এবং পেট্রোল ৮৭
হাজার ৯৫৯ লিটার উদ্ধার
করা হয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি চট্টগ্রাম থেকে ৪৮ হাজার
৫০০ লিটার ফার্নেস অয়েল উদ্ধার করা
হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট
৫ লাখ ৪২ হাজার
২৩৬ লিটার অবৈধ জ্বালানি তেল
উদ্ধার করা হয়েছে।"
বর্তমান
মজুত পরিস্থিতির পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি
আরও জানান, দেশে বর্তমানে ১
লাখ ১ হাজার ৩৮৫
মেট্রিক টন ডিজেল, ৩১
হাজার ৮২১ মেট্রিক টন
অকটেন, ১৮ হাজার ২১১
মেট্রিক টন পেট্রোল এবং
৭৭ হাজার ৫৪৬ মেট্রিক টন
ফার্নেস অয়েল মজুত রয়েছে।
এছাড়া আকাশপথের জন্য ১৮ হাজার
২২৩ মেট্রিক টন জেট ফুয়েল
মজুত আছে। এই বিপুল
পরিমাণ মজুত আসন্ন মাসগুলোতে
দেশের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে বলে ব্রিফিংয়ে
আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করেছে সরকার। বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে, তাতে আগামী দুই মাসেও কোনো ধরনের সংকটের আশঙ্কা নেই বলে জানানো হয়েছে।
বুধবার
সচিবালয়ে এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ
বিভাগের যুগ্ম-সচিব মনির হোসেন চৌধুরী
এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি
জানান, দেশের বর্তমান মজুত পরিস্থিতি অত্যন্ত
ইতিবাচক এবং সরবরাহ ব্যবস্থা
স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের পদক্ষেপ
নেওয়া হয়েছে।
ব্রিফিংয়ে
যুগ্ম-সচিব মনির হোসেন চৌধুরী
বলেন, "পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ইনশাআল্লাহ
আগামী দুই মাসে জ্বালানির
কোনো সমস্যা হবে না।"
তিনি
জানান, চলতি এপ্রিল মাসের
পাশাপাশি পরবর্তী মাসগুলোতেও জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় থাকবে। সরকারের
কঠোর মনিটরিংয়ের কারণে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সাধারণ মানুষের
উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।
দেশের
বিভিন্ন স্থানে অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে
অভিযান অব্যাহত থাকায় তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে
বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অভিযানের
বিস্তারিত তুলে ধরে যুগ্ম-সচিব
জানান, গত ৩ মার্চ
থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত
সারাদেশে মোট ৯ হাজার
১১৬টি ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব
অভিযানে ৩ হাজার ৫১০টি
মামলা দায়েরের পাশাপাশি ১ কোটি ৫৬
লাখ ৯ হাজার টাকা
জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
এছাড়া
অনিয়মের অভিযোগে ৪৫ জনকে কারাদণ্ড
দেওয়া হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মজুত তেল
জব্দের কথা উল্লেখ করে
তিনি বলেন, "ডিজেল ৩ লাখ ৬৬
হাজার লিটার, অকটেন ৩৯ হাজার ৭৭৬
লিটার এবং পেট্রোল ৮৭
হাজার ৯৫৯ লিটার উদ্ধার
করা হয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি চট্টগ্রাম থেকে ৪৮ হাজার
৫০০ লিটার ফার্নেস অয়েল উদ্ধার করা
হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট
৫ লাখ ৪২ হাজার
২৩৬ লিটার অবৈধ জ্বালানি তেল
উদ্ধার করা হয়েছে।"
বর্তমান
মজুত পরিস্থিতির পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি
আরও জানান, দেশে বর্তমানে ১
লাখ ১ হাজার ৩৮৫
মেট্রিক টন ডিজেল, ৩১
হাজার ৮২১ মেট্রিক টন
অকটেন, ১৮ হাজার ২১১
মেট্রিক টন পেট্রোল এবং
৭৭ হাজার ৫৪৬ মেট্রিক টন
ফার্নেস অয়েল মজুত রয়েছে।
এছাড়া আকাশপথের জন্য ১৮ হাজার
২২৩ মেট্রিক টন জেট ফুয়েল
মজুত আছে। এই বিপুল
পরিমাণ মজুত আসন্ন মাসগুলোতে
দেশের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে বলে ব্রিফিংয়ে
আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন