২০২৬ সালের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে টাইম ম্যাগাজিন। এ তালিকায় বিশ্বনেতা ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো।
তারেক রহমান সম্পর্কে টাইম ম্যাগাজিন লিখেছে, মাত্র কয়েক মাস আগেও তিনি ছিলেন লন্ডনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবুজঘেরা এলাকায় নির্বাসিত এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। কিন্তু ২০২৪ সালে বাংলাদেশের স্বৈরশাসক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন বদলে দেয় পুরো রাজনৈতিক সমীকরণ।
বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তখন বিরোধী আন্দোলনের মুখপাত্র থেকে পরিণত হন দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের কেন্দ্রীয় চরিত্রে। ১৭ বছর দেশের বাইরে থাকার পর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে তিনি সেই প্রত্যাশিত অবস্থান নিশ্চিত করেন। এই বিজয় তাকে আবারও তার পরিবারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ধারায় ফিরিয়ে আনে।
তালিকায় আরও রয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ, পোপ চতুর্দশ লিও, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেনবাউম, নামিবিয়ার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নান্দি নাদাইতওয়া, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ও ইউরোপী ইউনিয়নের প্রযুক্তি প্রধান হেনা ভিরকুনেন।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
২০২৬ সালের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে টাইম ম্যাগাজিন। এ তালিকায় বিশ্বনেতা ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো।
তারেক রহমান সম্পর্কে টাইম ম্যাগাজিন লিখেছে, মাত্র কয়েক মাস আগেও তিনি ছিলেন লন্ডনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবুজঘেরা এলাকায় নির্বাসিত এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। কিন্তু ২০২৪ সালে বাংলাদেশের স্বৈরশাসক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন বদলে দেয় পুরো রাজনৈতিক সমীকরণ।
বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তখন বিরোধী আন্দোলনের মুখপাত্র থেকে পরিণত হন দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের কেন্দ্রীয় চরিত্রে। ১৭ বছর দেশের বাইরে থাকার পর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে তিনি সেই প্রত্যাশিত অবস্থান নিশ্চিত করেন। এই বিজয় তাকে আবারও তার পরিবারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ধারায় ফিরিয়ে আনে।
তালিকায় আরও রয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ, পোপ চতুর্দশ লিও, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেনবাউম, নামিবিয়ার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নান্দি নাদাইতওয়া, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ও ইউরোপী ইউনিয়নের প্রযুক্তি প্রধান হেনা ভিরকুনেন।

আপনার মতামত লিখুন