গাজা, অধিকৃত পশ্চিম তীর এবং লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর চলমান নৃশংসতার প্রতিবাদে দেশটির ওপর ‘ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা’ (Comprehensive Sanctions) আরোপের জোরালো দাবি উঠেছে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে। এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবে ইতোমধ্যে দেশটির ৭৫ জন সংসদ সদস্য (এমপি) স্বাক্ষর করেছেন।
যুক্তরাজ্যের
ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির এমপি রিচার্ড বারগন এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। তিনি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে পার্লামেন্টের অন্যান্য আইনপ্রণেতাদের
প্রতিও উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার)
দেওয়া এক পোস্টে বারগন নিশ্চিত করেন যে, এখন পর্যন্ত ৭৫ জন আইনপ্রণেতা এই দাবিতে সরাসরি সমর্থন
জানিয়ে স্বাক্ষর করেছেন।
এই প্রস্তাবে
স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ব্রিটিশ রাজনীতির বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব রয়েছেন।
তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
প্রস্তাবে উল্লেখ
করা হয়েছে যে, গাজা
ও লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের চরম
লঙ্ঘন। সেখানে সংঘটিত নৃশংসতা বন্ধে ইসরায়েলকে বাধ্য করতে কূটনৈতিক চাপের পাশাপাশি
অর্থনৈতিক ও সামরিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা এখন সময়ের দাবি।
বিশ্লেষকরা মনে
করছেন,
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে
ইসরায়েলবিরোধী এই ক্রমবর্ধমান জনমত দেশটির বর্তমান সরকারের বৈদেশিক নীতিতে বড়
ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে লেবার পার্টির এমপিদের একটি বড় অংশ এই দাবিতে
শামিল হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি পেল।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
গাজা, অধিকৃত পশ্চিম তীর এবং লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর চলমান নৃশংসতার প্রতিবাদে দেশটির ওপর ‘ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা’ (Comprehensive Sanctions) আরোপের জোরালো দাবি উঠেছে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে। এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবে ইতোমধ্যে দেশটির ৭৫ জন সংসদ সদস্য (এমপি) স্বাক্ষর করেছেন।
যুক্তরাজ্যের
ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির এমপি রিচার্ড বারগন এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। তিনি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে পার্লামেন্টের অন্যান্য আইনপ্রণেতাদের
প্রতিও উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার)
দেওয়া এক পোস্টে বারগন নিশ্চিত করেন যে, এখন পর্যন্ত ৭৫ জন আইনপ্রণেতা এই দাবিতে সরাসরি সমর্থন
জানিয়ে স্বাক্ষর করেছেন।
এই প্রস্তাবে
স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ব্রিটিশ রাজনীতির বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব রয়েছেন।
তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
প্রস্তাবে উল্লেখ
করা হয়েছে যে, গাজা
ও লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের চরম
লঙ্ঘন। সেখানে সংঘটিত নৃশংসতা বন্ধে ইসরায়েলকে বাধ্য করতে কূটনৈতিক চাপের পাশাপাশি
অর্থনৈতিক ও সামরিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা এখন সময়ের দাবি।
বিশ্লেষকরা মনে
করছেন,
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে
ইসরায়েলবিরোধী এই ক্রমবর্ধমান জনমত দেশটির বর্তমান সরকারের বৈদেশিক নীতিতে বড়
ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে লেবার পার্টির এমপিদের একটি বড় অংশ এই দাবিতে
শামিল হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি পেল।

আপনার মতামত লিখুন