বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের পরবর্তী কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ওয়াশিংটন ডিসিতে সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানিয়েছেন।
আইএমএফ ও
বিশ্বব্যাংকের বসন্তকালীন সভায় যোগ দিতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন
অর্থমন্ত্রী। সেখানে আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে তার
দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান,
ঋণের কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে কিছু
কারিগরি ও নীতিগত বিষয়ে আরও আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। তবে তিনি আশাবাদী যে,
আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এসব
বিষয়ের সমাধান হয়ে যাবে।
ঋণের শর্তাবলি নিয়ে
আলোচনা প্রসঙ্গে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “আইএমএফের সঙ্গে আমাদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। তবে দেশের
স্বার্থ এবং জনগণের ওপর এর প্রভাব বিবেচনা করে আমরা এগোচ্ছি। সরকারের কাছে দেশের
স্বার্থই সবার আগে।” তিনি আরও জানান, রাজস্ব খাতে সংস্কার এবং ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে
সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, সে সম্পর্কে সংস্থাটিকে অবহিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে,
২০২৩ সালে আইএমএফের সঙ্গে ৪
দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের একটি ঋণচুক্তি সই করেছিল বাংলাদেশ। পরবর্তীতে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় ঋণের পরিমাণ আরও ৮০০ মিলিয়ন ডলার বাড়ানো হয়,
যার ফলে মোট ঋণের আকার দাঁড়ায় ৫
দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে।
সবশেষ তথ্য
অনুযায়ী:

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের পরবর্তী কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ওয়াশিংটন ডিসিতে সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানিয়েছেন।
আইএমএফ ও
বিশ্বব্যাংকের বসন্তকালীন সভায় যোগ দিতে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন
অর্থমন্ত্রী। সেখানে আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে তার
দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান,
ঋণের কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে কিছু
কারিগরি ও নীতিগত বিষয়ে আরও আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। তবে তিনি আশাবাদী যে,
আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এসব
বিষয়ের সমাধান হয়ে যাবে।
ঋণের শর্তাবলি নিয়ে
আলোচনা প্রসঙ্গে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “আইএমএফের সঙ্গে আমাদের আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। তবে দেশের
স্বার্থ এবং জনগণের ওপর এর প্রভাব বিবেচনা করে আমরা এগোচ্ছি। সরকারের কাছে দেশের
স্বার্থই সবার আগে।” তিনি আরও জানান, রাজস্ব খাতে সংস্কার এবং ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে
সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, সে সম্পর্কে সংস্থাটিকে অবহিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে,
২০২৩ সালে আইএমএফের সঙ্গে ৪
দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের একটি ঋণচুক্তি সই করেছিল বাংলাদেশ। পরবর্তীতে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় ঋণের পরিমাণ আরও ৮০০ মিলিয়ন ডলার বাড়ানো হয়,
যার ফলে মোট ঋণের আকার দাঁড়ায় ৫
দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে।
সবশেষ তথ্য
অনুযায়ী:

আপনার মতামত লিখুন