দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ থাকার দাবি করা হলেও কেন প্রতিদিন ৬ থেকে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে, তা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, একদিকে বলা হচ্ছে তেলের কোনো অভাব নেই, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎহীন অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে।
শুক্রবার
রাজধানীর মগবাজারে আল ফালাহ মিলনায়তনে
আয়োজিত ‘জেলা আমির সম্মেলন’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন। বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি
নিয়ে সরকারের দ্বিমুখী নীতির কঠোর সমালোচনা করেন
তিনি।
ডা.
শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে উল্লেখ
করেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সংসদ
ও সংসদের বাইরে সব পক্ষকে নিয়ে
সম্মিলিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন
ছিল। কিন্তু সরকার সে ধরনের কোনো
কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। সরকারের পক্ষ থেকে বলা
হচ্ছে কিছু লোক তেল
মজুত করে চোরাই পথে
বিক্রি করছে, যা প্রকারান্তরে প্রশাসনের
ব্যর্থতাকেই ফুটিয়ে তোলে।
তিনি
প্রশ্ন রাখেন, জ্বালানি সংকট যদি না-ই থাকে, তবে
কেন দেশের মানুষকে দিনের বড় একটা অংশ
অন্ধকারে কাটাতে হচ্ছে? তেলের ড্রাম কোথা থেকে উদ্ধার
হচ্ছে, তা জনগণ ভালো
করেই জানে বলে তিনি
মন্তব্য করেন।
বিচার
বিভাগে দলীয় প্রভাব বিস্তার
নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির
বলেন, উচ্চ আদালতে বিচারক
নিয়োগের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ বডি গঠনের অধ্যাদেশ
ঠেকিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দলীয়
ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে, যার
কুফল দেশবাসী ভোগ করছে।
তিনি
আরও বলেন, যেদিন গণভোটের রায়কে অস্বীকার করা হয়েছে, সেদিন
থেকেই নতুন ফ্যাসিবাদের যাত্রা
শুরু হয়েছে।
অতীতের
অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি সতর্ক করে
বলেন, আগামীর ফ্যাসিবাদ অতীতের চেয়েও আরও ভয়াবহ রূপ
নিতে পারে। দলীয় ভিত্তিতে বিচারক
নিয়োগের কারণেই অতীতে বিতর্কিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে যা দেশের বিচারব্যবস্থাকে
ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ থাকার দাবি করা হলেও কেন প্রতিদিন ৬ থেকে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে, তা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, একদিকে বলা হচ্ছে তেলের কোনো অভাব নেই, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎহীন অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে।
শুক্রবার
রাজধানীর মগবাজারে আল ফালাহ মিলনায়তনে
আয়োজিত ‘জেলা আমির সম্মেলন’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন। বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি
নিয়ে সরকারের দ্বিমুখী নীতির কঠোর সমালোচনা করেন
তিনি।
ডা.
শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে উল্লেখ
করেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সংসদ
ও সংসদের বাইরে সব পক্ষকে নিয়ে
সম্মিলিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন
ছিল। কিন্তু সরকার সে ধরনের কোনো
কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। সরকারের পক্ষ থেকে বলা
হচ্ছে কিছু লোক তেল
মজুত করে চোরাই পথে
বিক্রি করছে, যা প্রকারান্তরে প্রশাসনের
ব্যর্থতাকেই ফুটিয়ে তোলে।
তিনি
প্রশ্ন রাখেন, জ্বালানি সংকট যদি না-ই থাকে, তবে
কেন দেশের মানুষকে দিনের বড় একটা অংশ
অন্ধকারে কাটাতে হচ্ছে? তেলের ড্রাম কোথা থেকে উদ্ধার
হচ্ছে, তা জনগণ ভালো
করেই জানে বলে তিনি
মন্তব্য করেন।
বিচার
বিভাগে দলীয় প্রভাব বিস্তার
নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির
বলেন, উচ্চ আদালতে বিচারক
নিয়োগের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ বডি গঠনের অধ্যাদেশ
ঠেকিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দলীয়
ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে, যার
কুফল দেশবাসী ভোগ করছে।
তিনি
আরও বলেন, যেদিন গণভোটের রায়কে অস্বীকার করা হয়েছে, সেদিন
থেকেই নতুন ফ্যাসিবাদের যাত্রা
শুরু হয়েছে।
অতীতের
অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি সতর্ক করে
বলেন, আগামীর ফ্যাসিবাদ অতীতের চেয়েও আরও ভয়াবহ রূপ
নিতে পারে। দলীয় ভিত্তিতে বিচারক
নিয়োগের কারণেই অতীতে বিতর্কিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে যা দেশের বিচারব্যবস্থাকে
ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন