বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র তৌকীর আহমেদ জীবনের ৬০টি বসন্ত পেরিয়ে পা রেখেছেন ৬১ বছরে। অভিনয় ও নির্মাণ—উভয় ক্ষেত্রেই চার দশকেরও বেশি সময় ধরে দ্যুতি ছড়িয়ে যাওয়া এই গুণী ব্যক্তিত্বের জন্মতিথিকে রাঙিয়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও বন্ধুরা।
গত ৫ মার্চ ছিল
তার জন্মদিন, আর সেই মাহেন্দ্রক্ষণকে
ঘিরে আগামী ১৯ এপ্রিল রাজধানীর
শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজন করা হয়েছে ‘ছয়
দশক পেরিয়ে তৌকীর আহমেদ: আমাদের সংস্কৃতি ও শিল্পীর দায়’
শীর্ষক এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান।
‘সুহৃদ’-এর ব্যানারে আয়োজিত
এই অনুষ্ঠানে পূর্ণ সহযোগিতা দিচ্ছে অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ।
দিনব্যাপী
এই উৎসবের শুরু হবে সকাল
সাড়ে ১০টায় জাতীয় নাট্যশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। এরপর
বেলা সাড়ে ১১টায় একাডেমির
সেমিনার কক্ষে আয়োজিত হবে বিশেষ সেমিনার।
সেখানে
তৌকীর আহমেদের নির্মিত চলচ্চিত্র নিয়ে আলোকপাত করবেন
নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী এবং
তার নির্দেশিত মঞ্চনাটক নিয়ে প্রবন্ধ পাঠ
করবেন নাট্যকার মাসুম রেজা। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে এই আলোচনা সভাটি
হয়ে উঠবে শিল্পীর দায়বদ্ধতা
ও সৃজনশীলতার এক মিলনমেলা।
বিকেলের
অধিবেশনে দর্শকদের জন্য থাকছে বিশেষ
চমক। বিকেল ৪টায় জাতীয় নাট্যশালার
মূল মিলনায়তনে প্রদর্শিত হবে তৌকীর আহমেদ
পরিচালিত আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত চলচ্চিত্র ‘অজ্ঞাতনামা’। চলচ্চিত্র প্রদর্শনী
শেষে তৌকীর আহমেদের নির্মাণশৈলী ও প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে
মুক্ত আলোচনায় অংশ নেবেন দেশের
খ্যাতিমান শিল্পী ও নির্মাতারা। সন্ধ্যার
আয়োজনে থাকছে নাট্যকেন্দ্রের প্রযোজনা ও তৌকীর আহমেদের
নির্দেশনায় জনপ্রিয় নাটক ‘তীর্থযাত্রী’র মঞ্চায়ন।
পুরো
আয়োজন নিয়ে দারুণ আশাবাদী
উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক আহসান হাবিব নাসিম। তিনি জানান, তৌকীর
আহমেদের বহুমাত্রিক সৃজনশীলতাকে সম্মান জানাতেই বন্ধুরা মিলে এই উদ্যোগ
নিয়েছেন।
তার
ভাষ্যমতে, তৌকীর আহমেদের কর্মকে স্মরণ করার মধ্য দিয়ে
নতুন প্রজন্মের শিল্পীরাও অনুপ্রাণিত হবেন। সহকর্মীদের এমন আন্তরিকতায় আপ্লুত
তৌকীর আহমেদ নিজেও।
তিনি
বলেন, যেকোনো মানুষের জন্য তার কাজটাই
আসল পরিচয়। যখন কাজগুলো মূল্যায়িত
হয়, তখন সেটা অনেক
অনুপ্রেরণা জোগায়।
তৌকীর
আহমেদের মতে, এমন আয়োজন
শিল্পীদের দায়বদ্ধতা বাড়িয়ে দেয় এবং তিনি
এর জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের
প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সব মিলিয়ে এক
আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে উদযাপিত
হতে যাচ্ছে প্রিয় এই শিল্পীর জীবন
ও কর্ম।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র তৌকীর আহমেদ জীবনের ৬০টি বসন্ত পেরিয়ে পা রেখেছেন ৬১ বছরে। অভিনয় ও নির্মাণ—উভয় ক্ষেত্রেই চার দশকেরও বেশি সময় ধরে দ্যুতি ছড়িয়ে যাওয়া এই গুণী ব্যক্তিত্বের জন্মতিথিকে রাঙিয়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও বন্ধুরা।
গত ৫ মার্চ ছিল
তার জন্মদিন, আর সেই মাহেন্দ্রক্ষণকে
ঘিরে আগামী ১৯ এপ্রিল রাজধানীর
শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজন করা হয়েছে ‘ছয়
দশক পেরিয়ে তৌকীর আহমেদ: আমাদের সংস্কৃতি ও শিল্পীর দায়’
শীর্ষক এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান।
‘সুহৃদ’-এর ব্যানারে আয়োজিত
এই অনুষ্ঠানে পূর্ণ সহযোগিতা দিচ্ছে অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ।
দিনব্যাপী
এই উৎসবের শুরু হবে সকাল
সাড়ে ১০টায় জাতীয় নাট্যশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। এরপর
বেলা সাড়ে ১১টায় একাডেমির
সেমিনার কক্ষে আয়োজিত হবে বিশেষ সেমিনার।
সেখানে
তৌকীর আহমেদের নির্মিত চলচ্চিত্র নিয়ে আলোকপাত করবেন
নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী এবং
তার নির্দেশিত মঞ্চনাটক নিয়ে প্রবন্ধ পাঠ
করবেন নাট্যকার মাসুম রেজা। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে এই আলোচনা সভাটি
হয়ে উঠবে শিল্পীর দায়বদ্ধতা
ও সৃজনশীলতার এক মিলনমেলা।
বিকেলের
অধিবেশনে দর্শকদের জন্য থাকছে বিশেষ
চমক। বিকেল ৪টায় জাতীয় নাট্যশালার
মূল মিলনায়তনে প্রদর্শিত হবে তৌকীর আহমেদ
পরিচালিত আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত চলচ্চিত্র ‘অজ্ঞাতনামা’। চলচ্চিত্র প্রদর্শনী
শেষে তৌকীর আহমেদের নির্মাণশৈলী ও প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে
মুক্ত আলোচনায় অংশ নেবেন দেশের
খ্যাতিমান শিল্পী ও নির্মাতারা। সন্ধ্যার
আয়োজনে থাকছে নাট্যকেন্দ্রের প্রযোজনা ও তৌকীর আহমেদের
নির্দেশনায় জনপ্রিয় নাটক ‘তীর্থযাত্রী’র মঞ্চায়ন।
পুরো
আয়োজন নিয়ে দারুণ আশাবাদী
উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক আহসান হাবিব নাসিম। তিনি জানান, তৌকীর
আহমেদের বহুমাত্রিক সৃজনশীলতাকে সম্মান জানাতেই বন্ধুরা মিলে এই উদ্যোগ
নিয়েছেন।
তার
ভাষ্যমতে, তৌকীর আহমেদের কর্মকে স্মরণ করার মধ্য দিয়ে
নতুন প্রজন্মের শিল্পীরাও অনুপ্রাণিত হবেন। সহকর্মীদের এমন আন্তরিকতায় আপ্লুত
তৌকীর আহমেদ নিজেও।
তিনি
বলেন, যেকোনো মানুষের জন্য তার কাজটাই
আসল পরিচয়। যখন কাজগুলো মূল্যায়িত
হয়, তখন সেটা অনেক
অনুপ্রেরণা জোগায়।
তৌকীর
আহমেদের মতে, এমন আয়োজন
শিল্পীদের দায়বদ্ধতা বাড়িয়ে দেয় এবং তিনি
এর জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের
প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সব মিলিয়ে এক
আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে উদযাপিত
হতে যাচ্ছে প্রিয় এই শিল্পীর জীবন
ও কর্ম।

আপনার মতামত লিখুন