কৌতুহলটা অনেক অনেক পুরনো। তবে উত্তরটা একেবারেই বদলে গেছে। গত কয়েক দশক ধরেই প্রশ্নটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বলা হচ্ছে, পৃথিবীতে আর মাত্র ৫০ বছরের তেল বাকি। বিস্ময়করা হচ্ছে, এই হিসাবটা ১৯৭০-এর দশক থেকেই করা হচ্ছে। ২০২৬ সালে এসেও প্রশ্নটা একই জায়গায় আটকে আছে। তাহলে সেটা কীভাবে?
সহজ উত্তরটা হচ্ছে, আমরা যতটা দ্রুত তেল ব্যবহার করছি, প্রায় ততটাই দ্রুত নতুন উৎসও খুঁজে পাচ্ছি। আর তার ওপরে যুক্ত হয়েছে আরেকটি বড় সত্য- মানুষ হয়তো তেলের অভাবে নয়, বরং অভ্যাস বদলের কারণেই তেলের ব্যবহার ছেড়ে দেবে।
হিসাব বলছে, পৃথিবীর মাটিতে বর্তমানে উত্তোলনযোগ্য তেলের মজুত প্রায় ১.৬ ট্রিলিয়ন ব্যারেল। আর বিশ্ব প্রতিবছর ব্যবহার করে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ব্যারেল। সরল ভাগে উত্তর দাঁড়ায়- এভাবে উত্তোলন হতে থাকলে চেনা মজুতে চলবে আগামী ৫৩ বছর।
তবে এই হিসাবের একটা প্যারাডক্স আছে। ধরেই নেওয়া হয়েছে, আমরা আর নতুন তেল পাব না। বিপরীতে ব্যবহারও আর বাড়বে না। যা একেবারেই বাস্তবসম্মত নয়।
বলা ভালো, যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস ও নিউ মেক্সিকোর ‘পার্মিয়ান বেসিন’ থেকে এখনও প্রতিদিন লাখ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন হচ্ছে।ব্রাজিলের উপকূল, গায়ানা, সুরিনামে প্রতিবছরই নতুন নতুন তেলক্ষেত্রের সন্ধান মিলছে। আর প্রযুক্তি তো এগোচ্ছেই। একসময় ‘অসম্ভব’ বলে উড়িয়ে দেওয়া শেল অয়েলও আজ বাস্তব। তাই বুঝি, ৫০ বছরের ঘড়ির কাঁটা থেমে থেমে পেছনেই ফিরছে।
তবে বড় খবরটা অন্য জায়গায়। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) তাদের ‘অয়েল ২০২৫’ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২৯ সালে বিশ্বের তেলের চাহিদা চূড়ায় পৌঁছে যাবে।তাতে প্রতিদিন ১০৫.৬ মিলিয়ন ব্যারেল চাহিদা থাকবে। তার পরের বছর ২০৩০ সালে এসে চাহিদার পতন ঘটতে থাকবে।কিন্তু কেন? মোটাদাগে প্রধান কারণ তিনটি।
প্রথমত, বৈদ্যুতিক গাড়ির জয়যাত্রা। আইইএ-র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বে বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রি হয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখের বেশি। ২০২৫ সালে তা ছাড়িয়ে যাবে ২ কোটি। ২০৩০ সালের মধ্যে এই ইভিগুলো প্রতিদিন ৫৪ লাখ ব্যারেল তেলের চাহিদা কমিয়ে দেবে।
দ্বিতীয়ত, চীনের ভূমিকা বদলাচ্ছে। গত এক দশকে বিশ্বের তেল চাহিদা বৃদ্ধির ৬০ শতাংশই এসেছে চীন থেকে। কিন্তু এখন সেখানে লাফিয়ে বাড়ছে ইভির ব্যবহার, হাই-স্পিড ট্রেনের বিস্তার ঘটছে। আইইএ বলছে, ২০২৭ সালের মধ্যেই চীনের তেল চাহিদা চূড়ায় পৌঁছাবে।
তৃতীয়ত, সৌদি আরব নিজেই তেল ছাড়ছে। মরুভূমির দেশটি এখন নিজেদের বিদ্যুৎ উৎপাদনে তেলের পরিবর্তে গ্যাস ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করছে। আগামী বছরগুলোতে সৌদির তেলের চাহিদা কমার হার হবে বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ।
চাহিদা কমলেও বাড়ছে উৎপাদন: এখানেই তো জটিলতা। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ব্রাজিল, গায়ানা, আর্জেন্টিনা ও ওপেক প্লাস দেশগুলো উৎপাদন বাড়াচ্ছে। আইইএ-র পূর্বাভাস, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের তেল উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে প্রতিদিন ১১৪.৭ মিলিয়ন ব্যারেল।
অর্থাৎ চাহিদার চেয়ে উৎপাদন বেশি থাকবে প্রতিদিন প্রায় ৮০ লাখ ব্যারেল। পরিমাণটা ২০২০ সালে করোনার সময় লকডাউনে যত কমেছিল, তার কাছাকাছি। তেলের বাজারে তখন কী হবে? দাম কমার সম্ভাবনা প্রবল। আর সেই কম দামও ওপেক ও মার্কিন শেল শিল্পের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
তাহলে প্রশ্ন দাঁড়াচ্ছে, তেলের শেষটা কেমন হবে? বিজ্ঞানীরা বলছেন, তেলের যুগের সমাপ্তি হবে ‘পিক ডিমান্ড’ দিয়ে-‘পিক সাপ্লাই’ নিয়ে নয়। অর্থাৎ একদিন মাটির নিচের তেল শেষ হবে না। বরং একদিন মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে- আর তেল তোলার দরকার নেই। কারণ সস্তা ও পরিষ্কার বিকল্প তখন হাতের কাছে।আইইএ-র নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরল বলছেন, “পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আমরা দেখতে পাচ্ছি, জীবাশ্ম জ্বালানির যুগের শেষ শুরু হচ্ছে।”
এখন স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসে, এই ‘শেষ’ মানে কবে? ধারণা করা যায় সেই টাইম ফ্রেম হবে আগামী ৫০-৭০ বছরের মধ্যে। তবে তার আগেই বৈদ্যুতিক গাড়ি, সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি এতটাই সস্তা ও সহজলভ্য হয়ে যাবে যে তেলের দিকে ফিরে তাকানোর প্রয়োজন থাকবে না।
বাংলাদেশের কী হবে : বৈশ্বিক দিক থেকে দৃষ্টি সরিয়ে বাংলাদেশের দিকে দেখি। মূলত, বাংলাদেশ তেল উৎপাদক দেশ নয়, আমদানিকারক। বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে-স্বল্পমেয়াদে তা ভালো খবর। পেট্রোল-ডিজেল সস্তা হবে, ডলার খরচ কমবে।
কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি ছবি অন্যরকম। যে দেশগুলো আজ তেল রপ্তানি করে, তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। তাদের অর্থনীতির ওপর চাপ পড়বে। আর সেই চাপের প্রভাব পড়বে বৈশ্বিক বাণিজ্যে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতেও। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে, এখন থেকেই নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানো। সোলার, বায়ু, জৈব জ্বালানি- এগুলোই আগামীর পথ।
শেষে বলা যায়, তেল ফুরিয়ে যাবে কবে- প্রশ্নটার উত্তর আসলেই বদলে গেছে। হয়তো আমরা কখনো শেষ ব্যারেল তেল দেখব না। কারণ ইতিহাস বলে, কয়লা যুগের শেষ হয়েছিল কয়লা ফুরিয়ে নয়- ডিজেল ও বিদ্যুৎ এসেছিল বলে। তেলের যুগের শেষও আসবে তেমনি- চাহিদা ফুরিয়ে, অভ্যাস বদলে, নতুন প্রযুক্তির ছোঁয়ায়।
আর ‘৫৩ বছরের’ যে ডেডলাইনটা- সেটা ঠিক থাকলেও সেটা ‘তেল ফুরানোর’ সময় নয়। সেটা ‘তেলের যুগ শেষ হওয়ার’ সময়ের কাছাকাছি। আর সেই সময়েই মানুষ আবিষ্কার করবে- সূর্য, বাতাস আর পানির শক্তিতেই টিকে থাকার মতো এক চমৎকার পৃথিবী।
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
কৌতুহলটা অনেক অনেক পুরনো। তবে উত্তরটা একেবারেই বদলে গেছে। গত কয়েক দশক ধরেই প্রশ্নটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বলা হচ্ছে, পৃথিবীতে আর মাত্র ৫০ বছরের তেল বাকি। বিস্ময়করা হচ্ছে, এই হিসাবটা ১৯৭০-এর দশক থেকেই করা হচ্ছে। ২০২৬ সালে এসেও প্রশ্নটা একই জায়গায় আটকে আছে। তাহলে সেটা কীভাবে?
সহজ উত্তরটা হচ্ছে, আমরা যতটা দ্রুত তেল ব্যবহার করছি, প্রায় ততটাই দ্রুত নতুন উৎসও খুঁজে পাচ্ছি। আর তার ওপরে যুক্ত হয়েছে আরেকটি বড় সত্য- মানুষ হয়তো তেলের অভাবে নয়, বরং অভ্যাস বদলের কারণেই তেলের ব্যবহার ছেড়ে দেবে।
হিসাব বলছে, পৃথিবীর মাটিতে বর্তমানে উত্তোলনযোগ্য তেলের মজুত প্রায় ১.৬ ট্রিলিয়ন ব্যারেল। আর বিশ্ব প্রতিবছর ব্যবহার করে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ব্যারেল। সরল ভাগে উত্তর দাঁড়ায়- এভাবে উত্তোলন হতে থাকলে চেনা মজুতে চলবে আগামী ৫৩ বছর।
তবে এই হিসাবের একটা প্যারাডক্স আছে। ধরেই নেওয়া হয়েছে, আমরা আর নতুন তেল পাব না। বিপরীতে ব্যবহারও আর বাড়বে না। যা একেবারেই বাস্তবসম্মত নয়।
বলা ভালো, যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস ও নিউ মেক্সিকোর ‘পার্মিয়ান বেসিন’ থেকে এখনও প্রতিদিন লাখ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন হচ্ছে।ব্রাজিলের উপকূল, গায়ানা, সুরিনামে প্রতিবছরই নতুন নতুন তেলক্ষেত্রের সন্ধান মিলছে। আর প্রযুক্তি তো এগোচ্ছেই। একসময় ‘অসম্ভব’ বলে উড়িয়ে দেওয়া শেল অয়েলও আজ বাস্তব। তাই বুঝি, ৫০ বছরের ঘড়ির কাঁটা থেমে থেমে পেছনেই ফিরছে।
তবে বড় খবরটা অন্য জায়গায়। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) তাদের ‘অয়েল ২০২৫’ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২৯ সালে বিশ্বের তেলের চাহিদা চূড়ায় পৌঁছে যাবে।তাতে প্রতিদিন ১০৫.৬ মিলিয়ন ব্যারেল চাহিদা থাকবে। তার পরের বছর ২০৩০ সালে এসে চাহিদার পতন ঘটতে থাকবে।কিন্তু কেন? মোটাদাগে প্রধান কারণ তিনটি।
প্রথমত, বৈদ্যুতিক গাড়ির জয়যাত্রা। আইইএ-র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বে বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রি হয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখের বেশি। ২০২৫ সালে তা ছাড়িয়ে যাবে ২ কোটি। ২০৩০ সালের মধ্যে এই ইভিগুলো প্রতিদিন ৫৪ লাখ ব্যারেল তেলের চাহিদা কমিয়ে দেবে।
দ্বিতীয়ত, চীনের ভূমিকা বদলাচ্ছে। গত এক দশকে বিশ্বের তেল চাহিদা বৃদ্ধির ৬০ শতাংশই এসেছে চীন থেকে। কিন্তু এখন সেখানে লাফিয়ে বাড়ছে ইভির ব্যবহার, হাই-স্পিড ট্রেনের বিস্তার ঘটছে। আইইএ বলছে, ২০২৭ সালের মধ্যেই চীনের তেল চাহিদা চূড়ায় পৌঁছাবে।
তৃতীয়ত, সৌদি আরব নিজেই তেল ছাড়ছে। মরুভূমির দেশটি এখন নিজেদের বিদ্যুৎ উৎপাদনে তেলের পরিবর্তে গ্যাস ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করছে। আগামী বছরগুলোতে সৌদির তেলের চাহিদা কমার হার হবে বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ।
চাহিদা কমলেও বাড়ছে উৎপাদন: এখানেই তো জটিলতা। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ব্রাজিল, গায়ানা, আর্জেন্টিনা ও ওপেক প্লাস দেশগুলো উৎপাদন বাড়াচ্ছে। আইইএ-র পূর্বাভাস, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের তেল উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে প্রতিদিন ১১৪.৭ মিলিয়ন ব্যারেল।
অর্থাৎ চাহিদার চেয়ে উৎপাদন বেশি থাকবে প্রতিদিন প্রায় ৮০ লাখ ব্যারেল। পরিমাণটা ২০২০ সালে করোনার সময় লকডাউনে যত কমেছিল, তার কাছাকাছি। তেলের বাজারে তখন কী হবে? দাম কমার সম্ভাবনা প্রবল। আর সেই কম দামও ওপেক ও মার্কিন শেল শিল্পের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
তাহলে প্রশ্ন দাঁড়াচ্ছে, তেলের শেষটা কেমন হবে? বিজ্ঞানীরা বলছেন, তেলের যুগের সমাপ্তি হবে ‘পিক ডিমান্ড’ দিয়ে-‘পিক সাপ্লাই’ নিয়ে নয়। অর্থাৎ একদিন মাটির নিচের তেল শেষ হবে না। বরং একদিন মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে- আর তেল তোলার দরকার নেই। কারণ সস্তা ও পরিষ্কার বিকল্প তখন হাতের কাছে।আইইএ-র নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরল বলছেন, “পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আমরা দেখতে পাচ্ছি, জীবাশ্ম জ্বালানির যুগের শেষ শুরু হচ্ছে।”
এখন স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসে, এই ‘শেষ’ মানে কবে? ধারণা করা যায় সেই টাইম ফ্রেম হবে আগামী ৫০-৭০ বছরের মধ্যে। তবে তার আগেই বৈদ্যুতিক গাড়ি, সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি এতটাই সস্তা ও সহজলভ্য হয়ে যাবে যে তেলের দিকে ফিরে তাকানোর প্রয়োজন থাকবে না।
বাংলাদেশের কী হবে : বৈশ্বিক দিক থেকে দৃষ্টি সরিয়ে বাংলাদেশের দিকে দেখি। মূলত, বাংলাদেশ তেল উৎপাদক দেশ নয়, আমদানিকারক। বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে-স্বল্পমেয়াদে তা ভালো খবর। পেট্রোল-ডিজেল সস্তা হবে, ডলার খরচ কমবে।
কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি ছবি অন্যরকম। যে দেশগুলো আজ তেল রপ্তানি করে, তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। তাদের অর্থনীতির ওপর চাপ পড়বে। আর সেই চাপের প্রভাব পড়বে বৈশ্বিক বাণিজ্যে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতেও। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে, এখন থেকেই নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানো। সোলার, বায়ু, জৈব জ্বালানি- এগুলোই আগামীর পথ।
শেষে বলা যায়, তেল ফুরিয়ে যাবে কবে- প্রশ্নটার উত্তর আসলেই বদলে গেছে। হয়তো আমরা কখনো শেষ ব্যারেল তেল দেখব না। কারণ ইতিহাস বলে, কয়লা যুগের শেষ হয়েছিল কয়লা ফুরিয়ে নয়- ডিজেল ও বিদ্যুৎ এসেছিল বলে। তেলের যুগের শেষও আসবে তেমনি- চাহিদা ফুরিয়ে, অভ্যাস বদলে, নতুন প্রযুক্তির ছোঁয়ায়।
আর ‘৫৩ বছরের’ যে ডেডলাইনটা- সেটা ঠিক থাকলেও সেটা ‘তেল ফুরানোর’ সময় নয়। সেটা ‘তেলের যুগ শেষ হওয়ার’ সময়ের কাছাকাছি। আর সেই সময়েই মানুষ আবিষ্কার করবে- সূর্য, বাতাস আর পানির শক্তিতেই টিকে থাকার মতো এক চমৎকার পৃথিবী।
আপনার মতামত লিখুন