বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করার জেরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।
শনিবার
দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে
তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান।
তবে তিনি দুঃখ প্রকাশ
করলেও নিজের রাজনৈতিক অবস্থানে অনড় থাকার ঘোষণা
দিয়েছেন।
সংবাদ
সম্মেলনে রাশেদ প্রধান বলেন, কুলাঙ্গার শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো বংশের
কলঙ্ক। অর্থাৎ এমন একজন ব্যক্তি
যার কুকর্মের ফলে তার বংশ
অপমানিত হয়।
তিনি
বলেন, সম্ভবত বিএনপির কিছু কর্মী এই
শব্দের প্রকৃত অর্থ সঠিকভাবে উপলব্ধি
করতে পারেননি এবং সেই কারণেই
তাদের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি
হয়েছে। যেহেতু বিএনপি কর্মীরা এই শব্দ ব্যবহারের
কারণে ব্যক্তিগতভাবে কষ্ট পেয়েছেন এবং
ক্ষুব্ধ হয়েছেন, তাই আমি বিএনপি
সমর্থকগোষ্ঠীর কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ
প্রকাশ করছি। আমি কথা দিচ্ছি,
ভবিষ্যতে আর এই শব্দটি
ব্যবহার করব না। তবে
আমার আগের দেওয়া বক্তব্য
বা রাজনৈতিক অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।
বক্তব্যের
ধারাবাহিকতায় রাশেদ প্রধান দাবি করেন, ২০২৬
সালের নির্বাচনের আগে থেকেই তিনি
বলে আসছেন যে শহীদ প্রেসিডেন্ট
জিয়াউর রহমান এবং আপোসহীন দেশনেত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার সেই বিএনপি এখন
আর নেই। তারেক রহমান
তার পিতা-মাতার আদর্শ
অনুযায়ী বর্তমান দল পরিচালনা করছেন
না। বরং তিনি তার
পিতা-মাতার সম্মান নষ্ট করেছেন এবং
তাদের অপমান করেছেন। গত ১৫ এপ্রিলের
এক আলোচনা সভায় দেওয়া বক্তব্যেও
তিনি একই প্রসঙ্গের অবতারণা
করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন।
রাশেদ
প্রধান বলেন, এর আগে বহুবার
একই ধরনের বক্তব্য দিলেও ১৫ এপ্রিলের বক্তব্যের
পর দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এর
মূল কারণ ছিল ‘কুলাঙ্গার’
শব্দটির প্রয়োগ। এই বক্তব্যের জেরে
দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির সমর্থকগোষ্ঠী মিছিল, মিটিং এবং তার কুশপুত্তলিকা
দাহ করেছেন।
এই প্রতিবাদ কর্মসূচিকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিবাদ
করা তাদের সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার। একইসঙ্গে আমি সরকারপন্থী নেতাকর্মীদেরও
সাধুবাদ জানাই।
সংবাদ
সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে তিনি
নিজের রাজনৈতিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের
প্রাপ্য অধিকারের জন্য কথা বলা
আমার নৈতিক দায়িত্ব। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলেও আমি যেমন ‘চুপ
ছিলাম না’, আজও আমি
চুপ থাকব না। একটি
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকারের কাজ হলো জনগণের
কাছে দেওয়া অঙ্গীকারগুলো পালন করা। আর
বিরোধী দল হিসেবে সরকারের
কোনো ভুল বা বিচ্যুতি
হলে তা মনে করিয়ে
দেওয়া আমাদের প্রধান কাজ। জনগণের স্বার্থে
এই ভূমিকা পালন থেকে তিনি
পিছপা হবেন না বলে
দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করার জেরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।
শনিবার
দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে
তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান।
তবে তিনি দুঃখ প্রকাশ
করলেও নিজের রাজনৈতিক অবস্থানে অনড় থাকার ঘোষণা
দিয়েছেন।
সংবাদ
সম্মেলনে রাশেদ প্রধান বলেন, কুলাঙ্গার শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো বংশের
কলঙ্ক। অর্থাৎ এমন একজন ব্যক্তি
যার কুকর্মের ফলে তার বংশ
অপমানিত হয়।
তিনি
বলেন, সম্ভবত বিএনপির কিছু কর্মী এই
শব্দের প্রকৃত অর্থ সঠিকভাবে উপলব্ধি
করতে পারেননি এবং সেই কারণেই
তাদের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি
হয়েছে। যেহেতু বিএনপি কর্মীরা এই শব্দ ব্যবহারের
কারণে ব্যক্তিগতভাবে কষ্ট পেয়েছেন এবং
ক্ষুব্ধ হয়েছেন, তাই আমি বিএনপি
সমর্থকগোষ্ঠীর কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ
প্রকাশ করছি। আমি কথা দিচ্ছি,
ভবিষ্যতে আর এই শব্দটি
ব্যবহার করব না। তবে
আমার আগের দেওয়া বক্তব্য
বা রাজনৈতিক অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।
বক্তব্যের
ধারাবাহিকতায় রাশেদ প্রধান দাবি করেন, ২০২৬
সালের নির্বাচনের আগে থেকেই তিনি
বলে আসছেন যে শহীদ প্রেসিডেন্ট
জিয়াউর রহমান এবং আপোসহীন দেশনেত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার সেই বিএনপি এখন
আর নেই। তারেক রহমান
তার পিতা-মাতার আদর্শ
অনুযায়ী বর্তমান দল পরিচালনা করছেন
না। বরং তিনি তার
পিতা-মাতার সম্মান নষ্ট করেছেন এবং
তাদের অপমান করেছেন। গত ১৫ এপ্রিলের
এক আলোচনা সভায় দেওয়া বক্তব্যেও
তিনি একই প্রসঙ্গের অবতারণা
করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন।
রাশেদ
প্রধান বলেন, এর আগে বহুবার
একই ধরনের বক্তব্য দিলেও ১৫ এপ্রিলের বক্তব্যের
পর দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এর
মূল কারণ ছিল ‘কুলাঙ্গার’
শব্দটির প্রয়োগ। এই বক্তব্যের জেরে
দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির সমর্থকগোষ্ঠী মিছিল, মিটিং এবং তার কুশপুত্তলিকা
দাহ করেছেন।
এই প্রতিবাদ কর্মসূচিকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিবাদ
করা তাদের সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার। একইসঙ্গে আমি সরকারপন্থী নেতাকর্মীদেরও
সাধুবাদ জানাই।
সংবাদ
সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে তিনি
নিজের রাজনৈতিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের
প্রাপ্য অধিকারের জন্য কথা বলা
আমার নৈতিক দায়িত্ব। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলেও আমি যেমন ‘চুপ
ছিলাম না’, আজও আমি
চুপ থাকব না। একটি
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকারের কাজ হলো জনগণের
কাছে দেওয়া অঙ্গীকারগুলো পালন করা। আর
বিরোধী দল হিসেবে সরকারের
কোনো ভুল বা বিচ্যুতি
হলে তা মনে করিয়ে
দেওয়া আমাদের প্রধান কাজ। জনগণের স্বার্থে
এই ভূমিকা পালন থেকে তিনি
পিছপা হবেন না বলে
দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন