সংবাদ

পল্টন থেকে রমনা: খোঁড়া রাস্তা যানজটে অচল


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৫ পিএম

পল্টন থেকে রমনা: খোঁড়া রাস্তা যানজটে অচল

সারা বছর রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন জুড়ে বিভিন্ন রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলে। এবার রাজধানীর পল্টন থেকে রমনা থানা পর্যন্ত জরুরি বৈদ্যুতিক লাইন স্থানান্তরের জন্য রাস্তা খোঁড়ার কাজ শুরু হয়েছে। ১৩ এপ্রিল পল্টন মোড় থেকে রাস্তা খোঁড়ার কাজ শুরু করেছেন ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড-ডিপিডিসির নিয়োগ করা ঠিকাদার কোম্পানির শ্রমিকরা। গত শুক্রবার পর্যন্ত কাকরাইলের দিকে সেগুনবাগিচা মোড় পর্যন্ত রাস্তার এক পাশের বড় অংশ খোঁড়া হয়েছে।

স্বাভাবিক সময়েইতুলনামূলকসরু রাস্তাটিতে প্রায় সময় যানজট লেগে থাকে। এখন একপাশ খোঁড়ার কারণে রাস্তাটি আরো সরু হয়ে গেছে। ফলে যানজট আরো বেড়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, রাজধানীর ব্যস্ত রাস্তাগুলোর একটি পল্টন মোড় থেকে কাকরাইল। এই সরু রাস্তার অনেকটা জুড়ে খোঁড়া হচ্ছে। তাতে গাড়ি যাওয়ার একটা লেইন কমে গেছে। ফলে যানজট বেড়েছে কয়েকগুণ। এছাড়া সকালের ব্যস্ত সময়ে বৈদ্যুতিক তার স্থানান্তরের কাজ চলায় রাস্তাটিতে যান চলাচল মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রিকশা চালকরা বলছেন, শুক্রবার অফিস-আদালত বন্ধ থাকায় সেভাবে ওই সড়কে যানজট ছিল না। কিন্তু বুধবার বৃহস্পতিবার সারাদিন যানজট ছিল।

সরেজমেনে দেখা যায়, পল্টন মোড়ের একটু সামনে থেকে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হয়েছে। এই খোঁড়াখুঁড়ি রমনা থানা পর্যন্ত চলবে।

আবার কাকরাইল মোড় থেকে সেগুনবাগিচার ভিতরের দিকেও আরেকটা লাইনে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। শ্রমিকরা বললেন, মাটির নিচ দিয়ে হাইভোল্টেজ বৈদ্যুতিক লাইন স্থানান্তরের জন্যই রাস্তা খোঁড়া হচ্ছে। ডিপিডিসি থেকে এর কাজ পেয়েছে ঠিকাদার কোম্পানি মুন্সি এন্টারপ্রাইজ।

বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার কোম্পানি মুন্সি এন্টারপ্রাইজের সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. কাদের বলেন, ‘আমরা সিটি করপোরেশনের নিয়ম মেনে, অনুমতি নিয়ে কাজ করছি। দুই শিফটে কাজ চলমান রয়েছে।জরুরি বৈদ্যুতিক লাইন স্থানান্তরের কাজ চলছে। গত ১৩ এপ্রিল কাজ শুরু হয়েছে, যা আগামী মে পর্যন্ত চলবে।

প্রকল্পের নিয়োজিত শ্রমিক মইদুল ব্যাপারী বলেন, আমরা সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করি। পরে আরেক দল রাতে কাজ করে। কিন্তু মাটির নিচে বিভিন্ন তার লাইন থাকায় কাজ দ্রুত করা যাচ্ছে না।

সেগুনবাগিচার স্থানীয় বাসিন্দা আজিজুল হক বলেন, খোঁড়াখুঁড়ির এসব কাজ রাতের শিফটেই করা উচিত। কারণ দিনে ঢাকায় স্বাভাবিকভাবেই যানজট থাকে। তার মধ্যে রাস্তার কিছু জায়গা বন্ধ থাকলে আরও বেশি ঝামেলা হয়।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. কাদের বলেন, ‘জরুরি প্রয়োজনেই কাজ হচ্ছে। তবে যানজট নিরসনের কাজে আমাদের একজন সব সময় থাকে। ওই ব্যক্তি গাড়ি যাওয়া-আসাসহ বিভিন্ন ব্যাপারে সাহায্য করেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬


পল্টন থেকে রমনা: খোঁড়া রাস্তা যানজটে অচল

প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

সারা বছর রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন জুড়ে বিভিন্ন রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলে। এবার রাজধানীর পল্টন থেকে রমনা থানা পর্যন্ত জরুরি বৈদ্যুতিক লাইন স্থানান্তরের জন্য রাস্তা খোঁড়ার কাজ শুরু হয়েছে। ১৩ এপ্রিল পল্টন মোড় থেকে রাস্তা খোঁড়ার কাজ শুরু করেছেন ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড-ডিপিডিসির নিয়োগ করা ঠিকাদার কোম্পানির শ্রমিকরা। গত শুক্রবার পর্যন্ত কাকরাইলের দিকে সেগুনবাগিচা মোড় পর্যন্ত রাস্তার এক পাশের বড় অংশ খোঁড়া হয়েছে।

স্বাভাবিক সময়েইতুলনামূলকসরু রাস্তাটিতে প্রায় সময় যানজট লেগে থাকে। এখন একপাশ খোঁড়ার কারণে রাস্তাটি আরো সরু হয়ে গেছে। ফলে যানজট আরো বেড়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, রাজধানীর ব্যস্ত রাস্তাগুলোর একটি পল্টন মোড় থেকে কাকরাইল। এই সরু রাস্তার অনেকটা জুড়ে খোঁড়া হচ্ছে। তাতে গাড়ি যাওয়ার একটা লেইন কমে গেছে। ফলে যানজট বেড়েছে কয়েকগুণ। এছাড়া সকালের ব্যস্ত সময়ে বৈদ্যুতিক তার স্থানান্তরের কাজ চলায় রাস্তাটিতে যান চলাচল মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রিকশা চালকরা বলছেন, শুক্রবার অফিস-আদালত বন্ধ থাকায় সেভাবে ওই সড়কে যানজট ছিল না। কিন্তু বুধবার বৃহস্পতিবার সারাদিন যানজট ছিল।

সরেজমেনে দেখা যায়, পল্টন মোড়ের একটু সামনে থেকে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হয়েছে। এই খোঁড়াখুঁড়ি রমনা থানা পর্যন্ত চলবে।

আবার কাকরাইল মোড় থেকে সেগুনবাগিচার ভিতরের দিকেও আরেকটা লাইনে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। শ্রমিকরা বললেন, মাটির নিচ দিয়ে হাইভোল্টেজ বৈদ্যুতিক লাইন স্থানান্তরের জন্যই রাস্তা খোঁড়া হচ্ছে। ডিপিডিসি থেকে এর কাজ পেয়েছে ঠিকাদার কোম্পানি মুন্সি এন্টারপ্রাইজ।

বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার কোম্পানি মুন্সি এন্টারপ্রাইজের সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. কাদের বলেন, ‘আমরা সিটি করপোরেশনের নিয়ম মেনে, অনুমতি নিয়ে কাজ করছি। দুই শিফটে কাজ চলমান রয়েছে।জরুরি বৈদ্যুতিক লাইন স্থানান্তরের কাজ চলছে। গত ১৩ এপ্রিল কাজ শুরু হয়েছে, যা আগামী মে পর্যন্ত চলবে।

প্রকল্পের নিয়োজিত শ্রমিক মইদুল ব্যাপারী বলেন, আমরা সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করি। পরে আরেক দল রাতে কাজ করে। কিন্তু মাটির নিচে বিভিন্ন তার লাইন থাকায় কাজ দ্রুত করা যাচ্ছে না।

সেগুনবাগিচার স্থানীয় বাসিন্দা আজিজুল হক বলেন, খোঁড়াখুঁড়ির এসব কাজ রাতের শিফটেই করা উচিত। কারণ দিনে ঢাকায় স্বাভাবিকভাবেই যানজট থাকে। তার মধ্যে রাস্তার কিছু জায়গা বন্ধ থাকলে আরও বেশি ঝামেলা হয়।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. কাদের বলেন, ‘জরুরি প্রয়োজনেই কাজ হচ্ছে। তবে যানজট নিরসনের কাজে আমাদের একজন সব সময় থাকে। ওই ব্যক্তি গাড়ি যাওয়া-আসাসহ বিভিন্ন ব্যাপারে সাহায্য করেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত