সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় দাসের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ ছিল যে তাকে এভাবে আটক রাখা হয়েছে সে সম্পর্কে খোজ-খবর নেব।
তিনি
বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি যথাযথ
জায়গায় আজ-কালের মধ্যেই
কথা বলব এবং তার
দ্রুত মুক্তির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
শুক্রবার
রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে ‘মহানগর পরিবার দিবস-২০২৬’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন
তিনি। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মহানগর সার্বজনীন
পূজা কমিটি।
সংস্কৃতি
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে পাহাড়ি জনগোষ্ঠী, সমতলের বিভিন্ন জনগোষ্ঠী, উপজাতি, জাতিসত্তা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ
নানা সম্প্রদায় রয়েছে। এসব জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি
ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কাজ করছে এবং
প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান চালাচ্ছে। ঢাকেশ্বরী মন্দিরকে প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বসম্পন্ন স্থাপনার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত বলে
আমি মনে করি।
তিনি
উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে দেশে কোনো
ধরনের বৈষম্য থাকবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শ,
ধর্ম ও সংস্কৃতির ভিন্নতা
থাকা স্বাভাবিক হলেও এসব বৈচিত্র্যের
মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠাই সরকারের
মূল লক্ষ্য। এটাই সরকারের নীতি
এবং সেই নীতিতেই আমরা
কাজ করছি।
মহানগর
সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি
জয়ন্ত কুমার দেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক
মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা-৭ আসনের
সংসদ সদস্য মো. হামিদুর রহমান,
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের
সভাপতি বাসুদেব ধর, সাধারণ সম্পাদক
সন্তোষ শর্মা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ
হলের প্রাধ্যক্ষ দেবাশীষ পাল এবং মহানগর
সার্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ
সম্পাদক ড. তাপস চন্দ্র
পালসহ অনেকে।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় দাসের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ ছিল যে তাকে এভাবে আটক রাখা হয়েছে সে সম্পর্কে খোজ-খবর নেব।
তিনি
বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি যথাযথ
জায়গায় আজ-কালের মধ্যেই
কথা বলব এবং তার
দ্রুত মুক্তির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
শুক্রবার
রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে ‘মহানগর পরিবার দিবস-২০২৬’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন
তিনি। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মহানগর সার্বজনীন
পূজা কমিটি।
সংস্কৃতি
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে পাহাড়ি জনগোষ্ঠী, সমতলের বিভিন্ন জনগোষ্ঠী, উপজাতি, জাতিসত্তা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ
নানা সম্প্রদায় রয়েছে। এসব জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি
ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কাজ করছে এবং
প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান চালাচ্ছে। ঢাকেশ্বরী মন্দিরকে প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বসম্পন্ন স্থাপনার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত বলে
আমি মনে করি।
তিনি
উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে দেশে কোনো
ধরনের বৈষম্য থাকবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শ,
ধর্ম ও সংস্কৃতির ভিন্নতা
থাকা স্বাভাবিক হলেও এসব বৈচিত্র্যের
মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠাই সরকারের
মূল লক্ষ্য। এটাই সরকারের নীতি
এবং সেই নীতিতেই আমরা
কাজ করছি।
মহানগর
সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি
জয়ন্ত কুমার দেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক
মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা-৭ আসনের
সংসদ সদস্য মো. হামিদুর রহমান,
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের
সভাপতি বাসুদেব ধর, সাধারণ সম্পাদক
সন্তোষ শর্মা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ
হলের প্রাধ্যক্ষ দেবাশীষ পাল এবং মহানগর
সার্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ
সম্পাদক ড. তাপস চন্দ্র
পালসহ অনেকে।

আপনার মতামত লিখুন